জনগনের ভালোবাসা নিয়ে নির্বাচনের ঘোষণা দিলেন নড়াগাতি থানা যুবলীগের যুগ্ন আহব্বায়ক দিপু

সারাদেশ

মো:রফিকুল ইসলাম,নড়াইল: নড়াগাতি থানা যুবলীগের যুগ্ন আহব্বায়ক দিপু শেখ হাসিনার দোয়া আর জনগনের ভালোবাসা নিয়ে নির্বাচনের ঘোষনা দেন তিনি।

হাফিজুর রহমান দিপুর পরিচয়ঃ নড়াইলের কালিয়া উপজেলার কলাবাড়িয়া একটি মুসলিম সম্ভ্রান্ত পরিবারে (১৯৮২)সালে জন্মগ্রহ করেন তিনি ।

ছোট বেলা থেকেই তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নিজ হাতে গড়া সংগঠন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন,ছাত্রজীবনে তিনি নড়াইল জেলা ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী এবং কালিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতির দ্বায়িত্ব পালন করেন।

বর্তমানে তিনি নড়াগাতি থানা যুবলীগের যুগ্ন আহব্বায়ক এর দ্বায়িত্ব পালন করছেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক এবং ব্যক্তি জীবনে তার নামে কোন ধরনের দুর্নীতি,চাদাবাজি,ছিনতাই,সন্ত্রাসী,নারী নির্যাতন এর কোন ধরনের অভিযোগ নেই।

এলাকায় একজন স্বজ্জন,সাদামাঠা এবং পরোপকারী মানুষ হিসাবে খ্যাতি অর্জন করেছেন এর মধ্যে।

পিতাঃ রিজাউল হক ভুইয়া(মৃত),বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং সাবেক বাংলাদেশ পুলিশ সদস্য।

মেজ চাচাঃ সিরাজুল হক ভুইয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং সাবেক সেনা সদস্য।

সেজ চাচাঃ মোঃজাফর ভুইয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা, প্রধান শিক্ষক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং সাবেক ইউপি সদস্য।

নোয়া চাচা : মোঃমফিজ ভুইয়া, র‍্যাবের ডেপুটি ডাইরেক্টর

ছোট চাচাঃ মোঃদাউদ ভুইয়া, সভাপতি, টেক্সাস আওয়ামী লীগ(ইউএসএ) সাবেক জি এস সার্জেন্ট জহুরুল হক হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ।
সাবেক সভাপতি কলাবাড়িয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগ।সাবেক আহব্বায়ক বৃহত্তর পূর্ব কালিয়া আওয়ামীলীগ।

হাফিজুর রহমান দিপুর অন্যান্য ৩ ভাইয়ের সংক্ষিপ্ত পরিচয়ঃ ছোট ভাই তরিকুল ইসলাম ডন,সাবেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষায়ক সম্পাদক নড়াইল জেলা ছাত্রলীগ এবং সহ-সভাপতি নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্রলীগ।

মেজ ভাই ভুইয়া সুমন আহম্মেদ,বাংলাদেশ পুলিশ সদস্য এবং সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কালিয়া উপজেলা ছাত্রলীগ।

সেজ ভাই ভুইয়া শাওন আহম্মেদ,আইজীবী এবং সাবেক সহ-সভাপতি নড়াগাতি থানা ছাত্রলীগ।

অনুসন্ধান এর জন্য তার বাড়িতে তার সাথে দেখা করতে গেলে জানা যায়,সাম্রতিক সময়ে করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় ত্রান এবং সুরক্ষা সামগ্রী নিশ্চিত করার জন্য তিনি ছুড়ে বেড়াচ্ছেন সর্বত্র।

মুঠো ফোনে যোগাযোগ করার চেস্টা করলে তিনি বলেন, আমি পরিস্কার করে ই বলছি, নির্বাচন করার ইচ্ছা আমার ছিল না, তবে সাধারন মানুষের শান্তির জন্য, এলাকায় খুন খারাবি, ডাকাতি, সন্ত্রাসী রুখতে আমি নির্বাচন করতে চাই, এবং যেটি ও আমার এলাকার মানুষের অনুরোধ তাদের নিরাপত্তার স্বার্থে।
আমি সারা জীবন মানুষের জন্য রাজনীতি করে এসেছি,আমার ব্যক্তি জীবনে কখনো দুর্নীতি চাদাবাজি করিনি।
কিন্তু আমার শান্তির ইউনিয়নে বেশ কিছু দিন খুন জখম নৈমত্তিক ঘটনায় দাড়িয়েছে,তাই আমি সাধারন মানুষ কে সাথে নিয়ে তাদের দোয়া ভালোবাসায়,জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের আদর্শ আর শেখ হাসিনার দোয়া নিয়ে নির্বাচন করে এলাকার মানুষের দীর্ঘ দিনের পুঞ্জিভূত দুঃখ দুর্দশার লাঘব করতে চাই।

এ বেপারে স্থানীয় জনগন বলেন দিপু এলাকার গর্ব এলাকার সম্পদ,তাই আমরা দিপুকেই চেয়ারম্যান বানাব।

এ বেপারে নড়াইল জেলা মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সাঃসম্পাদক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সহ-সম্পাদক,ইয়াসীন জনী বলেন,শুধুমাত্র কালিয়াতে ই নয় গোটা নড়াইলে এমন একটি পরিবার পাওয়া সত্যিই ভাগ্যের বেপার।
যে পরিবারে ৩ জন ই বীরমুক্তিযোদ্ধা এবং সবাই বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক এবং মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ,যুবলীগ,আওয়ামীলীগের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত এবং দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে আলো ছড়াচ্ছে।
আমি চাই দিপু ভাই আগামীতে কলাবাড়িয়া ইউনিয়নের হাল ধরুক,তাহলে ইউনিয়ন বাসির মধ্যে শান্তি ফিরে আসবে বলেও জানান।
নাম পরিচয় জানাতে অনিচ্ছুক একাধীক ব্যেক্তি জানান,কলাবাড়িয়া ইউনিয়ন আর কলাবাড়িয়া ইউনিয়ন নাই,শুরু হয়েছে খুন খারাপি,হামলা মামলা,ভাংচুর লুটপাট,আমরা শান্তিতে থাকতে চাই এভাবে কোন ইউনিয়ন বা জেলা চলতে পারেনা,আমরা নতুন প্রজন্মের নেত্রীত্ব চাই,আমরা নতুন মুখ চাই,এটাই আমাদের নিরাপদে রাত্রীযাঁপনের নতুন স্বপ্ন বলেও জানান।