সাংবাদিকরা প্রকৃত বীর ও যোদ্ধা

অন্যান্য জীবন-যাপন বিবিধ

জলি ফাতেমা রোখসানা : সাংবাদিকরা হলো দেশ ও জাতির কল্যান ও ভবিষৎ। তারা অদম্য সাহসী, তাদের ভয়ের কোন বিন্দুমাএ লেশ নেই। তারা প্রকৃতপক্ষে পরিশ্রমী ও কর্মঠ। কারন তারা ঝড় রোদ, বৃষ্টিও পানিতে ভিজে প্রতিদিন বিভিন্ন দেশের খবর সংগ্রহ করে দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছে। তারা প্রতিদিন নিজেদের অদম্য সাহসকে কাজে লাগিয়ে অন্যায়-অনাচার, মিথ্যাচার ও কুসংষ্কারকে পিছনে ফেলে সত্যের মুখোমুখি হয়ে দেশও জাতির স্বার্থে বহুদুর এগিয়ে যাচ্ছে। তারা নিজেদের জীবনের মায়া ত্যাগ করে নিজের পরিবারের নিরাপত্তার কথা না ভেবে একের পর এক সংগ্রামে জয়ী হয়ে জীবন বাজি রেখে দেশকে উন্নয়নের পথে দেশও জাতির স্বার্থে বহুদুর এগিয়ে দিয়েছে। এবং তারা সত্যকে জাতির সামনে তুলে ধরতে গিয়ে মরনপণ লড়াই করে আসছে। তারা সমাজে কিছু উগ্রবাদী নেতার কারনে কিংবা দুর্নীতিবাজ সন্ত্রাসীদের কবলে পড়ে তাদের অকালে প্রান হারাতে হচ্ছে প্রায় সময়ে। অবশেষে উগ্রবাদী জনতার হিংস্র থাবায় কবলিত হয়ে সাংবাদিকরা মৃত্যুের কাছে হার মেনে মরনের সুধাপান করে। যেমন প্রতিনিয়ত পত্রিকার পাতায় চোখ বুলালেই কোথাও না কোথাও ‌‌সাগর ও রুনির মত সাংবাদিকদের সন্ত্রাসীদের হাতে হত্যায় জর্জরিত মুত্যুর খবর দেখে থাকি। তারা এসব হত্যা বা দুর্ঘটনার স্বীকার হয়ে বছরের পর বছর ধরে তিলে তিলে গড়ে তোলা ছোট – বড় নানান স্বপ্ন মুর্হুতেই শেষ হয়ে যাচ্ছে এবং সাংবাদিকদের পরিবারে প্রায় সময় কেউ বিধবা হচ্ছে, কেউ এতিম হচ্ছে আবার কারোর সন্তানহারা মা বাবার কান্নার রোল পড়ে যাচ্ছে। তাই সাংবাদিকরাই প্রকৃতপক্ষে বীর ও যোদ্ধা, কারন তারা বিভিন্ন দেশের খবর সংগ্রহ করে দেশ ও জাতির স্বার্থে আলোর দিশারী বা আদর্শ বহন করে চলেছে। সাংবাদিকদেরও নিজস্ব ক্ষমতা আছে কারণ তারা একটা মানুষকে জিরো থেকে হিরোতে পরিনত করে আবার হিরোকে জিরোতে পরিনত করতে পারে। তাই সমাজে সব শ্রেনীর মানুষের কর্তব্য সাংবাদিকদের প্রাধান্য দেওয়া, তাদেরকে বিভিন্ন কাজে সাহায্য সহযোগিতা করাটা প্রত্যেক মানুষের মৌলিক দ্বায়িত্ব বলে মনে করি। সকল জনতা যদি সাংবাদিকদের পাশে দাঁড়ায় তবে দেশ দুর্নীতি মুক্ত থাকবে এবং জাতির আর্দশ বজায় থাকবে। মোটকথা সাংবাদিকরা দেশ ও জাতির স্বার্থে উন্নয়নের কাজ করতে গিয়ে তারা মৃত্যুর পথ বেছে নিয়েছে, কারণ সাংবাদিকরা হচ্ছে প্রকৃত বীর ও যোদ্ধা, তাই সাংবাদিকদের অবদান অতুলনীয় ও সবার উপরে সত্য বিধান।