ইলিশ উৎপাদন বাড়ানোসহ ৫ প্রকল্প অনুমোদন

জাতীয়

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশে ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে নতুন করে প্রায় আড়াইশ কোটি টাকার প্রকল্পসহ নতুন পাঁচ প্রকল্প অনুমোদন করেছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।
মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ২৬৬ কোটি টাকা।
গণভবন থেকে সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা। গণভবনে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ও পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে শেরেবাংলা নগর এনইসি সম্মেলনকক্ষে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী-সচিবরা উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে প্রকল্পের সার্বিক বিষয় সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপন করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান।
প্রকল্পের আওতায় মা ইলিশ ও জাটকা সংরক্ষণে মৎস্য সংরক্ষণ আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। ৩০ হাজার জেলে পরিবারের জন্য সৃষ্টি করা হবে বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ। জেলেদের ১০ হাজার বৈধ জাল বিতরণ ও প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা হবে। ইলিশের ছয়টি অভয়াশ্রমে সুরক্ষা দেওয়া হবে। থাকছে আরো উদ্যোগ।
সীমান্ত এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) জন্য ৭৩টি আধুনিক বর্ডার অবজারভেশন পোস্ট (বিওপি) নির্মাণ করবে সরকার। সীমান্তে অপারেশন ও প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সীমান্তে বিজিবি সদস্যদের সুরক্ষিত অবস্থান নিশ্চিত করা হবে এতে। প্রকল্পটি একনেক সভায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের মাধ্যমে বিদ্যমান ৪৯টি বিওপি পুনঃনির্মাণ ও নতুন ২৪টি বিওপি নির্মাণসহ মোট ৭৩টি বিওপি নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রকল্পের প্রস্তাবিত ব্যয় ধরা হয়েছে ২৩৩ কোটি ৫২ লাখ ছয় হাজার টাকা। সংশোধিত প্রকল্প মেয়াদ ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত।
৩৭৬ কোটি ৫৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘জামালপুর জেলার দিপপাইত-সরিষাবাড়ি-তারাকান্দি সড়ক যথাযথ মান ও প্রশস্তবায় উন্নীতকরণ’ প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ৭৪ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে ‘০৮টি সরকারি শিশু পরিবারে ২৫ শয্যাবিশিষ্ট শান্তি নিবাস স্থাপন’ প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া ‘৪০টি উপজেলায় ৪০টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও চট্টগ্রামে একটি ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজি স্থাপন’ প্রকল্পে ৩৩৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকা অনুমোদন দেওয়া হয়।