জাতির পিতার ভাস্কর্য নিয়ে ষড়যন্ত্রকারিদের প্রতিহত করা হবে

জাতীয় রাজধানী সাস্থ্য

আজকের দেশ রিপোর্ট : জাতির পিতার ভাস্কর্য নির্মান নিয়ে স্বাধীনতা বিরোধীদের সকল ষড়যন্ত্রের উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে। দরকার হলে রাজপথে নেমে কঠোর আনদোলন করা হবে। জাতির পিতার সোনার বাংলা গড়তে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে। উগ্রবাদী মৌলবাদ গোষ্ঠী তথা স্বাধীনতা বিরোধীদের আর কোন ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করতে দেওয়া হবে না। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্ম না হলে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের জন্ম হতো না। স্বাধীনতা বিরোধী দলের একের পর এক ষড়যন্ত্র করে দেশের উন্নয়নে বাধাগ্রস্ত করছে। কিন্তু শেখ হাসিনার সরকার সকল ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে দেশের উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে বিশ্বের বিভিন্ন মহলে আলোচনার ঝড় তুলতে সক্ষম হয়েছেন। সরকার আলোচিত ও সমালোচিত পদ্মা সেতু নির্মান করে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি ও ষড়যন্ত্রকারিদের বুঝিয়ে দিয়েছেন উন্নয়নের ইচ্ছা থাকলে যে কোন মুল্যে দেশের উন্নয়ন করা সম্ভব। বিদেশি সাহায্য না নিয়ে ও দেশের টাকায় পদ্মা সেতুর মতো এতো বড়ো প্রকল্পের কাজ সমাপ্ত করা সম্ভব। সরকার দেশের করোনা সংক্রামণ রোধে, রীতিমতো করোনা নামক মহামারিকে দেশ থেকে বিতাড়িত করতে নানারকম পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। দেশের মানুষের চিকিৎসা ব্যাবস্থায় তথা জনসাস্থ্য রক্ষায় সরকার নানারকম প্রশংসনীয় ভুমিকা রেখেছেন। ১৬ ডিসেম্বর বুধবার মহান বিজয় দিবস ২০২০ উদযাপন উপলক্ষে “জাতির পিতার স্বপনের সোনার বাংলা বিনির্মানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ ও ডিজিটাল তথ্য প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহারে মাধ্যমে জাতীয় সমৃদ্ধি অর্জন” এবং কোভিড -১৯ ও স্বাস্থ্যসেবা শীর্ষক আলোচনা সভা ও মিলাদ মহাফিলে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মোঃ খলিলুর রহমান এসব কথা বলেন। শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোভিড-১৯ এর সংক্রামন কালেও দেশ প্রমে উদ্ভুদ্ধ হয়ে হাসপাতাল প্রাঙ্গনে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে মহান বিজয় দিবস ২০২০ পালন কর্মসুচির শুরু করেন। এরপর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা ও মিলাদ মহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ডা. মোঃ সাইফুজজামান (উপ-পরিচালক,), অধ্যাপক আফরোজা গনি (অধ্যাপক গাইনী), ডা. আল-আমিন (আবাসিক চিকিৎসক), ডা. আ স ম ফরহাদুল হাসান (আবাসিক সার্জেন ক্যাজুয়ালটি), সহিদা খাতুন (সেবা তত্তাবধায়ক) এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা শাহ মোঃ সাইফুল ইসলাম প্রমুখ তাদের মূল্যবান বক্তব্য পেশ করেন। এছাড়া ও শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সর্বস্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।