বেতারের প্রধান প্রকৌশলী আর্থিক অনিয়ম

অপরাধ

নিজস্ব প্রতিবেদক: আর্থিক অনিয়মে আনা দুর্নীতি দমন কমিশনের অভিযোগ সুরাহা না হওয়ার আগেই পদোন্নতি পেয়েছেন বাংলাদেশ বেতার প্রধান প্রকৌশলীর আহম্মদ কামরুজ্জামান।
গত ৯ ডিসেম্বর উপসচিব শাহানারা বেগম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে প্রধান প্রকৌশলী আহম্মদ কামরুজ্জামানকে বেতন গ্রেড -৩ থেকে গ্রেড -২ এ পদন্নোতি দেয়া হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ডের ২০তম সভায় সুপারিশ মোতাবেক বিসিএস (তথ্য) ক্যাডার বাংলাদেশ বেতারের প্রকৌশল বিভাগের প্রধান প্রকৌশল আহম্মদ কামরুজ্জামানকে বেতনস্কেলে পদন্নোতি প্রদান করা হলো।
গত ৮ সেপ্টম্বর দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক (বিশেষ অনুসন্ধান, তদন্ত-২) মো: আতাউর রহমান সরকারের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে থেকে আহম্মদ কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ বেতারের গৃহীত বিভিন্ন প্রকল্প ও অনুন্নয়ন বাজেটের আওতায় বাৎসরিক ক্রয়কাজে আর্থিক অনিয়ম, দুর্নীতি এবং লুটপাটের মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগের প্রেক্ষিতে ১৩ দিনের মধ্যে প্রধান প্রকৌশলীর নিকট থেকে রেকর্ডপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি প্রদানের অনুরোধ জানানো হয়।
তার নিকট থেকে ২০১৮-২০১৯ ও ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে ঢাকা কেন্দ্রের অনুন্নয়ন বাজেটের আওতায় আর্থিক কেনাকাটার ক্ষেত্রে বরাদ্দের কপি, যে সকল আইটেম, কাঁচামাল, ট্রান্সমিটার ও বেতারের অন্যান্য যন্ত্রপাতি ক্রয় করা হয়েছে তার আইটেম ভিত্তিক বিবরণ টেন্ডার সংক্রান্ত রেকর্ড ব্যায়িত অর্থের পরিমাণ, সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের নাম ও ঠিকানার তথ্য চাওয়া হয়েছে। কম্পিউটার ক্রয় ও মেরামত সংক্রান্ত কাগজপত্র ও ঢাকা কেন্দ্রের জন্য ট্রান্সফর্মার ও তদসংশ্লিষ্ট কাগজ পত্র চাওয়া হয়েছে।
এর প্রেক্ষিতে সম্প্রতি প্রধান প্রকৌশলী জবাব দিয়েছেন বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে বেতাররের প্রধান প্রকৌশলী আহম্মদ কামরুজ্জামানের ও মহাপরিচালক হোসনে আরা তালুকদারের সঙ্গে একাধিক বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করে হলেও তারা ফোন ধরেননি।