অসহায়, সুবিধা বঞ্চিত মানুষকে আইনী সহয়তা দেয়ার স্বপ্ন ছিলো আইনজীবি মিশকাতুর রহমানের

আইন ও আদালত সারাদেশ

মো: রফিকুল ইসলাম : মো: মিশকাতুর রহমান (সজীব) ছোট বেলা থেকে স্বপ্ন দেখতেন একদিন তিনি নড়াইল বিজ্ঞ আদালতের আইনজীবি হয়ে সুবিধা বঞ্চিত মানুষকে আইনী সহয়তা প্রদান করবেন। এমন স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করার লক্ষে পড়াশোনার পরেই নিজ স্বপ্ন বাসতবায়নে নজর রেখেছিলেন তিনি।
নড়াইল জেলার কালিয়ার বিলবাউচ গ্রামের মো: হাফিজুর রহমানের ছেলে মো: মিশকাতুর রহমান (সজীব) বর্তমান নড়াইল মহিসখোলা গ্রামে বসবাস করেন।
নর্দান ইউনিভার্সিটি খুলনা শাখা থেকে এলএলবি অনার্স এবং ঢাকা ক্যামপাশ থেকে এলএলএম কম্পেলিট করে, বার কাউন্সিল থেকে ২০১৪ সালে সনদ পেয়ে নড়াইল আইনজীবি সমিতিতে যোগদান করেন মো: মিশকাতুর রহমান (সজীব)।
এরপর হতে ২০১৭-২০১৮-২০১৯-২০২০ সালে নড়াইল আইনজীবি সমিতির সদস্য পদে নির্বাচিত হন।
নড়াইল পাবলিক লাইব্রেরী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন।
নড়াইল কোর্টে এ পর্যন্ত অগনিত ফৌজদারী মামলা পরিচালনা করে আসছেন।
এই ফৌজদারী মামলা পরিচালনায় একাধিক সাফল্য অর্জন করেছেন।
এদিকে সিআর ৩০১-১৯ (নড়াইল) স্বামী আসিকুর রহমান সেন্টুর স্ত্রী জুলিয়া বেগম বাদি হয়ে আসামী
১। মো: সবুজ মৃধা
২।আমিনুর রহমান বাদশা
৩। নান্টু মৃধা সর্বপিং-মৃত, মফিজ মৃধা সর্বসাং-মির্জাপুর নড়াইল সদরদের বিরুদ্ধে দন্ড বিধির ৩২৩-৩২৫-৩৫৪ ও ৩৭৯ ধারায় মোকাম বিজ্ঞ আমলী আদালত নড়াইল সদরে হামলা, বিবস্ত্র, চুরির মিথ্যা -হয়রানী মুলক মামলা দায়ের করেন আসামীদের বিরুদ্ধে।
মামলা চলাকালীন সময়ে চার্জ গঠনের তারিখে উক্ত মামলার ৩ জন আসামির পক্ষে বিজ্ঞ কৌশলি মো: মিশকাতুর রহমান সজীব ডিসচার্জের আবেদন করেন। উক্ত আবেদনের প্রেক্ষিতে বিজ্ঞ সিনিয়ার জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট প্রথম আদালত ২নং আসামি আমিনুর রহমান বাদশা ও ৩নং আসামি নান্টু মৃধাকে উক্ত মামলা হতে স্ব-সম্মানে অব্যাহতি দেন।
এর পরবর্তীতে মামলার স্বাক্ষীর জন্য দিন ধার্য থাকে। কিন্তু মামলার বাদী স্বাক্ষী হাজির না করে মামলা ঘুরাতে থাকে এবং বিজ্ঞ আদালতের মূল্যবান সময় নষ্ট করেন।
এদিকে ১নং আসামি মো: সবুজ মৃধা নিয়মিত সিলেট থেকে এসে নড়াইল বিজ্ঞ আদালতে হাজিরা দিয়ে আসছেন।
এই মামলার গত (১৭জানুয়ারী) রবিবার সকাল ১২ ঘটিকার সময় বাদি পক্ষের কেউ হাজির না থাকায় বিজ্ঞ আদালতে আসামি পক্ষের কৌশলি মো: মিশকাতুর রহমান সজীব মামলাটি মিথ্যা-বানোয়াট বলে খারিজের জন্য মৌখিক আবেদন করলে বিজ্ঞ আদালত মামলাটি খারিজ করে দেন।

উল্লেখ্য যে বাদী জুলিয়া বেগম তার স্বামী আরিফুর রহমান সেন্টুর পাঠানো সাড়ে ১২ লাখ টাকা মেরে দেওয়ার জন্য সৌদি আরব প্রবাসী সেন্টুর পরিবারকে হয়রানি করতে সবুজ মৃধা, আমিনুর রহমান বাদশাহ এবং নান্টু মৃধার নামে মিথ্যা মামলাটি দায়ের করে। এমনকি সেনটুর পাঠানো সাড়ে ১২ লাখ টাকা থেকে সাড়ে ৫ লাখ টাকা দিয়ে অভয়নগর এলাকার লেবুগাতি গ্রামে বাদি জুলিয়া বেগমের নিজ নামে জমি খরিদ করে। এতে জুলিয়া বেগমের বাবা শহিদুল ইসলাম আকন্দ, মাতা মনোয়ারা বেগম এবং নড়াইল সদর থানার মির্জাপুর গ্রামের মৃত বারিক মোল্লার ছেলে মাকসুদ মোল্লা ও তার স্ত্রী সুফিয়া বেগম (বাদীর ফুফা ও ফুপু) পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা ও হয়রানী মুলক এই মিথ্যা মামলাটি দায়ের করে। বাদি ও বাদির ফুপার পরিবার অভয়নগর এর লেবুগাতি ও নড়াইল সদর মির্জাপুর গ্রামে বিশেষভাবে বিতর্কিত। এছাড়া বাদির ফুপাতো ভাই খালিদ মোল্লা নড়াইল সদর মির্জাপুরে গাঁজা ও ইয়াবার ব্যবসা করে। কিছুদিন পূর্বে স্থানীয় থানা পুলিশ খালিদ মোল্লাকে ইয়াবাসহ গ্রেফতার করে, বর্তমানে খালিদ মোল্লা জামিনে থাকায় মির্জাপুরে আবারও ইয়াবার প্রভাব বিস্তার করছে। এলাকাবাসী জানায়, সৌদি আরব প্রবাসী মির্জাপুর গ্রামের মৃত মফিজুর রহমানের ছেলে সেনটুর সাথে অভয়নগর এর লেবুগাতি গ্রামের শহিদুল ইসলাম আকন্দের একাধিকবার বিবাহিত বড় মেয়ে বাদী জুলিয়া বেগমের সাথে বিয়ে হয় গত ৭ জুলাই ২০১৩ সালে। এরপর ১০ আগস্ট ২০১৪ সালে একটা ছেলে সন্তান হবার ৫ মাস পরে সেন্টু সৌদি আরব পাড়ি জমায়। সেন্টু সৌদি আরব পাড়ি জমানোর পর শুরু হয় জুলিয়া বেগমের উচ্ছৃঙ্খল জীবন যাপন। জুলিয়া বেগমের নিজ গ্রামের একাধিক প্রতিবেশী বিবাহিত লোকজনের সঙ্গে বিশেষ সম্পর্ক গড়ে তোলে। এবিষয়ে সৌদি আরব প্রবাসী সেন্টুর ভাই বোন বাধা দিলে তাদর সাথে জুলিয়া বেগমের বিরোধ গড়ে উঠে বিরোধের একপর্যায়ে ফুফু সুফিয়া বেগম, মাতা মনোয়ারা বেগম এবং পিতা শহীদুল ইসলাম আকন্দের পরামর্শে প্রবাসী সেন্টুর পরিবারকে শায়েস্তা করতে জুলিয়া বেগম বাদি হয়ে যশোর চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ আইনে মিথ্যা মামলা দায়ের করে। উক্ত মামলায় সেন্টুর বড় ভাই সাংবাদিক আমিনুর রহমান বাদশাহ এবং তার স্ত্রী হাওয়া বেগম, নান্টু মৃধা ও সবুজ মৃধাকে আসামি করা হয়। উক্ত পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ আইনে মিথ্যা মামলাটি থেকে জুলিয়া বেগম নিজের ইচছায় হাওয়া বেগম এবং সবুজ মৃধাকে মামলাটি থেকে অব্যহতি দেয়ার জন্য আদালতে জবানবন্দি দেয় ফলে আদালত হাওয়া বেগম এবং সবুজ মৃধাকে উক্ত মামলাটি থেকে অব্যহতি দেয় এবং আসামি হিসেবে আমিনুর রহমান বাদশাহ এবং নান্টু মৃধাকে বহাল রাখা হয়। মামলার পরবর্তী শুনানির দিনে আদালত পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ আইনে মিথ্যা মামলাটি খারিজ করে দেন। এরপর নড়াইল সদর আদালতের মামলাটি বিগত এক বছর ধরে চলতে থাকে সর্বশেষ গত ১৭/০১/২০২১ তারিখের মামলাটি ও আদালত খারিজ করে দেন। উল্লেখ থাকে যে আমিনুর রহমান বাদশাহ ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) এবং বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) এর সম্মানিত একজন সদস্য ও সুনামধন্য একজন সিনিয়র সাংবাদিক হিসেবে সর্ব মহলে সুপরিচিত, এ ছাড়াও তিনি ঢাকা থেকে প্রকাশিত নিউজ পোর্টাল আজকের দেশ ডটকম অনলাইন নিউজ পোর্টাল এর সম্পাদক এবং প্রকাশক। তিনি সপরিবারে ঢাকাতে বসবাস করেন।