ভাষা সংগ্রামীদের নামের তালিকা করে সম্মানিত করা দেশ ও রাষ্ট্রের দায়িত্ব

রাজধানী

নিজস্ব প্রতিবেদক : আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও বাঙালিদের ভাষাদিবস ২০২১ পালন উপলক্ষে ভাষা সংগ্রামী ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, এডভোকেট কাজী গোলাম মাহবুব, বিচারপতি আব্দুর রহমান চৌধুরী, এডভোকেটর ধীরেন্দ্র নাথ দত্ত, প্রিন্সিপাল আবুল কাশেম, এডভোকেট গাজীউল হক, অলি আহাদ, আব্দুল মতিন, বাহাউদ্দিন চৌধুরী ও রওসন আরা বাচ্চু এই ভাষা সংগ্রামীদের স্মরণে বাংলাদেশ জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের উদ্যোগে রোববার বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সভাপতি এম.এ জলিল।
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেপি মহাসচিব বীরমুক্তিযোদ্ধা সাদেক সিদ্দিকী।
বক্তব্য রাখেন বীরমুক্তিযোদ্ধা জাতীয় বীর মো. হারুন অর রশীদ জীবন বীরপ্রতীক, বাংলাদেশ ন্যাপের সাধারণ সম্পাদক এম গোলাম মোস্তফা ভূইয়া, পিপলস ডেমোক্রটিক পার্টির সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান, বরিশাল বিভাগ সমিরিত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ.স.ম মোস্তফা কামাল, বাংলাদেশ জাসদ শাহবাগ থানা সভাপতি ইসমাইল হোসেন, বাংলাদেশ জাসদ নেতা হুমায়ুন কবির, মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের সাধারণ সম্পাদক রোকন উদ্দিন পাঠান, কনজারভেটিভ পার্টির সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান দেশ, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক মুক্তি আন্দোলনের সভাপতি আশরাফ আলী হাওলাদার, কেএসপি’র সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর কেন্দ্রের সভাপতি মুশফিকুর রহমান মিন্টু, কাজী আরেফ ফাউন্ডেশনের সভাপতি কাজী মাসুদ আহমেদ, কবি মির্জা শেলী ও নারী নেত্রী এলিজা রহমান প্রমুখ।
প্রধান অতিথির ভাষণে সাদেক সিদ্দিকী বলেন, মাতৃভাষা বাংলার জন্য ও রাষ্ট্রভাষা প্রতিষ্ঠার জন্য যারা ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ থেকে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ভাষার জন্য সংগ্রাম করেছে তাদের নামের তালিকা সঠিকভাবে প্রণয়ন করে তাদের রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য সরকারের কাছে জোর আবেদন জানাচ্ছি। সাথে সাথে বলতে চাই ভাষা সংগ্রামীদের যে আদর্শ ছিল দেশ হবে অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক, আইনের শাসনের ক্ষুধা দারিদ্র্যমুক্ত। আমরা তাদের সেই আদর্শ বাস্তবায়ন করতে পারি নাই। সেটা আমাদের লজ্জা। তাই আজকে আমরা বলতে চাই ভাষা সংগ্রামীদের আদর্শ বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ সঠিক পথে চলবে।
বীরমুক্তিযোদ্ধা জাতীয় বীর হারুন অর রশীদ জীবন বলেন, জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর হত্যার সাথে জড়িত ছিল। তাই তার বীরউত্তম পদবী প্রত্যাহার করে মরণোত্তর বিচারের দাবি করছি।
সভাপতির ভাষণে এম.এ জলিল বলেন, ভাষা সংগ্রামীরা যে স্বপ্ন দেখেছিল সেই স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে হলে আজকের মত তাদেরকে স্মরণ করতে এবং আগামীদিনে তাদের আদর্শ বাস্তবায়ন করার জন্য পণ করতে হবে।