প্রথমবার নৌপথে ভারতে খাদ্যপণ্য রপ্তানি উদ্বোধন

জাতীয়

নিজস্ব প্রতিবেদক : ভারতে পণ্য রপ্তানিতে নতুন দ্বার উন্মোচন করলো বাংলাদেশ। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে মঙ্গলবার দুপুরে নরসিংদীর ঘোড়াশাল জেটি থেকে প্রথমবারের মতো নৌপথে খাদ্যপণ্য রপ্তানির উদ্বোধন করা হয়। এ সময় ঝামেলামুক্ত ও সাশ্রয়ী পণ্য রপ্তানির আশার কথা জানিয়ে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, অর্থনৈতিকভাবে আরো এক ধাপ এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ।
এক একটি খাদ্যপণ্যের কার্টন যেন জানান দিচ্ছে নৌপথে রপ্তানি বাণিজ্যের নতুন সম্ভবনা। নৌপথে এতোদিন ভারত থেকে বাংলাদেশে শত শত জাহাজ ভর্তি পণ্য আনার রীতি থাকলেও রপ্তানি এটাই প্রথম। বিশেষ করে নৌ প্রটোকল চুক্তির আওতায় এতোদিন লাল সবুজের পতাকাবাহী খালি জাহাজ ভারতে গিয়ে ফ্লাইএ্যাশ নিয়ে দেশে ফিরতো। নরসিংদীর ঘোড়াশাল জেটি থেকে ভারতগামী খাদ্য পণ্যবাহী জাহাজ উদ্বোধনের মধ্যে দিয়ে স্বাধীনতার ৫০ বছর পর সেই খরা কাটলো।
প্রথম চালানে এম ভি আলিফ লাফ মিম জাহাজে বাংলাদেশ থেকে ২৫ হাজার কোমল পানীয় রফতানি করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ও ভারতের পতাকাবাহী জাহাজটি খুলনা আংটিহারা নৌ বন্দরে কাস্টমসে আনুষ্ঠানিকতা শেষে কলকাতা গিয়ে পৌছাতে সময় লাগবে তিনদিন।
বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক বলেন, আমরা সব সময় চেষ্টা করেছি পৃথিবীকে বাংলাদেশে নিয়ে আসার জন্য। একই সঙ্গে বাংলাদেশে পণ্যগুলোকে পৃথিবীতে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য চেষ্টা করেছি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাণিজ্য সচিব ও নৌ প্রতিমন্ত্রী বলেন, নৌ পথে রপ্তানি শুরুর মাধ্যমে পরিবহন ব্যয় অনেক কমে যাবে। ধীরে ধীরে নৌ পথে আরো রপ্তানি বাড়ানোর মাধ্যমে ভারতের সাথে বাণিজ্য ঘাটতি কমে আসবে বলেও প্রত্যাশা করেন তারা।
নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, নতুন দিগন্ত উন্মোচন হলো। আমরা ভবিষ্যতে এই নৌপথ ব্যবহার করে শুধু কোলকাতা নয়, আসাম, ভুটানসহ আশেপাশের দেশগুলোতে পণ্য পাঠাতে চাই।