হোটেল-রেস্তোরাঁয় ফুড হাইজিন ও নিরাপদ খাদ্য

জাতীয়

নিজস্ব প্রতিনিধি : প্লানিং :নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে সমস্যা চিহ্নিত করা,সেই অনুযায়ী প্লান তৈরী করে তা বাস্তবায়ন করা।
পরিবর্তন: নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানত ২ ধরনের পরিবর্তন দরকার। আচরণগত ও অবকাঠামোগত ।

ক. আচরণগত পরিবর্তন : নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক অভ্যাস,আচরণ পরিবর্তন করা প্রথমে
কাজটা একটু কঠিন। সভা, সেমিনার, ট্রেনিং, ডায়লগ ইত্যাদির মাধ্যমে সকলকে পারসোনাল হাইজিন, পরিস্কার -পরিচ্ছন্নতা, ভোক্তাদের সাথে সঠিক ব্যবহার, ডকুমেন্টস মেইনটেইন, ফুড সেফটি এন্ড হাইজিন, খাদ্য রান্না ও সংরক্ষনের নিয়ম,নিরাপদ খাদ্য আইন -২০১৩ ইত্যাদি বিষয়ে প্রশিক্ষন প্রদান করা।

খ. অবকাঠামোগত পরিবর্তন : নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে কিচেনে এবং পরিবেশনের জন্য ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি হবে স্টেইলনেস স্টিলের, নিরাপদ পানির লাইন ও ড্রেইনেজ ব্যবস্থা,আধুনিক মানের আসবাবপত্র, তৈজসপত্র, মেঝে, দেয়াল,ফ্রিজার,চিলার,ফুড গ্রেড কনটেইনার,ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা,পরিস্কার পরিচ্ছন্ন টয়লেট ইত্যাদি বিষয়ে অবকাঠামো তৈরি করা।

মনিটরিং : সবসময় চেক করা এবং কোন কোন জায়গায় সমস্যা আছে তা চিহ্নিত করে সংশ্লিস্ট সকলের সমন্বয়ের মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিবর্তন করা।

মূল্যায়ণ করা: সঠিক ডকুমেন্টটেশন,লাইসেন্স,পরিস্কার -পরিচ্ছন্নতা,কিচেনের সার্বিক পরিবেশ, স্বাস্থ্য বিধি, পারসোনাল হাইজিন,সংরক্ষণের নিয়ম,খাদ্য ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি বিষয়ের উপর মূল্যায়ণ করা।

ক. রিওয়ার্ড প্রদান : যেসকল হোটেল -রেস্তোরাঁ নিরাপদ খাবার নিশ্চিতে পরিবর্তন আনবে ওনাদের রিওয়ার্ড প্রদান করা, “মডেল সেফ ফুড রেস্টুরেন্ট” গড়ে তোলা যাদের দেখে অন্যরাও সেরকম মডেল সেফ ফুড রেস্টুরেন্ট তৈরী করতে চাবে। প্রতিযোগিতায় টিকে থেকে নিরাপদ খাদ্য ভোক্তাদের নিকট বিক্রি করবে।

খ. শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ : এত কার্যক্রম পরিচালনা করা হলেও কিছু লোক অধিক মুনাফা লাভের আশায় নিরাপদ খাদ্য আইন বিরোধী কার্যক্রম পরিচালনা করবে।কিছুই করার থাকবে না তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

ফলাফল : নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা- অধিকাংশ রেস্তোরাঁয় নিরাপদ খাবার তৈরী ও বিক্রিয় হবে।ভোক্তাদের আস্থা ও বিশ্বাস বাড়বে নিরাপদ খাবার ক্রয়ে ।খাদ্য ব্যবসায়ীরাও নিরাপদ খাদ্য বিক্রি করে লাভবান হবে।