মসলিনের পুনর্জন্ম

অর্থনীতি এইমাত্র জাতীয় জীবন-যাপন বানিজ্য

নিজস্ব প্রতিনিধি : আংটির ভেতর দিয়ে গলে যায় আস্ত একটি শাড়ি- সেই মসলিনের শাড়ি বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও ইতিহাসের স্মারক। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক ইচ্ছার ফলশ্রুতিতে মসলিনের পুনর্জন্ম ঘটাতে বেশ ক’বছর ধরে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলাদেশের কয়েকজন গবেষক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। চলছে একটি প্রকল্প। হস্তচালিত তাঁতে শাড়ি ও ওড়না ইতোমধ্যে তৈরি করা সম্ভব হয়েছে। ঢাকাই মসলিনের শেষ প্রদর্শনী হয়েছিল লন্ডনে ১৮৫০ সালে। এর ১৭০ বছর পরে আবার বোনা হলো সেই ঐতিহ্যবাহী ঢাকাই মসলিন কাপড়ের শাড়ি। কারিগরদের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার উন্নয়নের সাথে এই শাড়ির মান নির্ভরশীল। মসলিন বোনার জন্য ‘ফুটি কার্পাস’ তুলার গাছ থেকে অসম্ভব ধৈর্যের সাথে সূতা কাটা হয়। পরে তাঁতিদের হাতে কাটা এই ৫০০ কাউন্টের সুতাই ব্যবহার করা হয়েছে এই শাড়ি তৈরি করতে। প্রচলিত আছে, মসলিন শিল্পীদের আঙুল কেটে দেওয়ার পরে ঢাকাই মসলিন তৈরি বন্ধ হয়ে যায়। তাই এই মসলিন পুনরুদ্ধারের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন আগ্রহী কারিগর তথা মসলিন শিল্পী।

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সম্মানিত সচিব মো. আবদুল মান্নান এ খাতের বিকাশের জন্য সরেজমিন প্রকল্প এলাকার একটি সাইট পরিদর্শন করেন এবং তাঁতি ও সংশ্লিষ্টদের সাথে আলোচনা করেন। সর্বোত্তম মানের মসলিন তৈরির জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।