গবেষণা না করে তথ্য প্রকাশ করে টিআইবি: তথ্যমন্ত্রী

জাতীয়

নিজস্ব প্রতিবেদক: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) বেশিরভাগ ক্ষেত্রে গবেষণা না করে তথ্য প্রকাশ করে যেটি কাঙ্খিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, যেসব দেশ তাদের অর্থায়ন করে তারা সেসব দেশের বিরুদ্ধে কখনোই সমালোচনা করে না।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, টিআইবি বলেছে- একটি সূত্রের ওপর নির্ভরতা নিয়ে তারা প্রশ্ন রেখেছে। বাংলাদেশ একটি সূত্রের ওপর নির্ভর করে না। বাংলাদেশ সব সূত্রের সঙ্গে, যেখান থেকে টিকা পাওয়ার সম্ভবনা ছিল সবার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। কিন্তু ভারত সরকারের নানা বিধিনিষেধের কারণে তারা পরবর্তীতে চুক্তি অনুসারে টিকা সরবরাহ করতে পারিনি। কিন্তু বাংলাদেশ প্রথম থেকেই অন্যান্য দেশের সঙ্গেও যোগাযোগ রেখেছে। সেই যোগাযোগ রাখার কারণে চীন থেকে টিকা আসছে।
মঙ্গলবার ‘করোনাভাইরাস সংকট মোকাবিলা: কোভিড-১৯ টিকা ব্যবস্থাপনায় সুশাসনের চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।
ওই গবেষণায় বলা হয়, ২০২০ সালে সারা দেশে মোট ২৪৭ জন সাংবাদিক আক্রমণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এরমধ্যে করোনাভাইরাসের মধ্যে সরকারের ভূমিকা নিয়ে লেখালেখির কারণে ৮৫ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা এবং একই আইনের মামলায় কারাবন্দী একজন লেখকের মৃত্যু হয়েছে।
এ সময় স্বাস্থ্যখাতের দুর্নীতি নিয়ে ধারাবাহিকভাবে প্রতিবেদন করার আক্রোশে একজন সাংবাদিককে অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট, ১৯২৩-এ মামলা দায়ের ও কারাগারে পাঠানোর প্রসঙ্গও উঠে আসে।
এছাড়া করোনার অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে শৈথিল্য লক্ষ্য করা গেছে মন্তব্য করে টিআইবি পক্ষ থেকে বলা হয়, দুর্নীতিতে জড়িত ব্যক্তিমালিকানাধীন কিছু ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলেও স্বাস্থ্য বিভাগের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আইনের আওতায় আনা হয়নি।
গবেষণাপত্র উপস্থাপনে একটি ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংস্থাটির রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি রিসার্চ ফেলো মো. জুলকারনাইন গবেষণাপত্রটি উপস্থাপন করেন। এ সময় টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান সংবাদ সম্মেলনে সংযুক্ত ছিলেন।