প্রসংঙ্গ : হিংসা ও বিদ্বেষ

বিবিধ

কামাল মাহমুদ : হিংসা বলা চলে দুই অক্ষরের ছোট্ট শব্দ। কিন্তু এর ভয়াবহতা অনেক বেশি। হিংসার সমার্থক শব্দ হচ্ছে ইর্ষা, বিদ্বেষ, পরাশ্রীকাতরতা।

অপরের সুখ, ধন-সম্পদ দেখে রোষে জ্বলে মরা এবং ঐ সুখ নিজের হোক বা না হোক তা ধ্বংস কামনা করার নাম হিংসা-বিদ্বেষ’।

আমাদের সমাজে বর্তমানে হিংসা বিদ্বেশ মারাক্তকভাবে বেড়েছে গেছে। হিংসুকের সংখ্যা সর্বত্র বিদ্যমান।

কারো ভাল বা উন্নতি সহ্য করার মন মানসিকতা সম্পন্ন লোকের বড়ই অভাব। কেউ ভাল কিছু করলে হিংসার দহনে প্রজ্জ্বলিত হতে থাকে সারাক্ষণ।

অফিস আদালত, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সর্বত্র এই হিংসার আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। অথচ হিংসা হিংসুককেই বেশী দহন করে।

তাই হিংসা করা হতে বিরত থাকতে হবে। নচেৎ সমাজকে এগিয়ে নিবে কারা?

হিংসা-বিদ্বেষ এমন একটি নিকৃষ্ট স্বভাব যা মানুষকে ক্ষিপ্ত করে অহেতুক শত্রুতা বাড়িয়ে দেয়।

হিংসা মানুষের অন্তর্জালা বাড়িয়ে দেয়। হিংসার দহনে হিংসুক জ্বলতে থাকে সারাক্ষণ।

হিংসুক ব্যক্তি অন্যের সফলতায় হিংসার বশবর্তী হয়ে ক্ষতিকর কাজে লিপ্ত হতে সামান্যতম দ্বিধাবোধ করে না।

মানব চরিত্রে যেসব খারাপ অভ্যাস আছে, তারমধ্যে হিংসা ও বিদ্বেষ খুবই ক্ষতিকারক।

ব্যক্তি জীবন, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে পারস্পরিক হিংসা-বিদ্বেষ, ঈর্ষাকাতরতা, দ্বন্দ্ব ও কলহ-বিবাদ মানুষের শান্তিপূর্ণ জীবনকে অত্যন্ত বিষময় ও দুর্বিষহ করে তোলে।

হিংসা একটি ভয়ানক ধ্বংসাত্মক সংক্রামক ব্যাধি। একজন ভালো মানুষের মনে কখনো হিংসা থাকতে পারে না। হিংসা সর্বাবস্থায় পরিত্যাজ্য।

আসুন হিংস্যা পরিহার করে অন্যের ভালে কাজে তাকে সহযোগীতা করি। সমাজ রাষ্ট্র দেশকে এগিয়ে নেই।