বিআরটিসির ডিপো ব্যবস্থাপক জামিল হোসেনকে ঘিরে বিতর্ক: রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ও পদায়ন নিয়ে প্রশ্ন !

Uncategorized অনিয়ম-দুর্নীতি অপরাধ আইন ও আদালত চট্টগ্রাম জাতীয় বিশেষ প্রতিবেদন সারাদেশ

বিতর্কিত আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকার এর দোসর বিআরটিসির চট্টগ্রাম বাস ডিপো ও ট্রেনিং সেন্টার এর ব্যাবস্থাপক মো : জামিল হোসেন।নিজস্ব প্রতিবেদক  :  বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন (বিআরটিসি)-এর একাধিক কর্মকর্তা ও কর্মচারীর মধ্যে ডিপো ব্যবস্থাপক (অপারেশন) মো. জামিল হোসেনকে ঘিরে নানা আলোচনা ও অভিযোগের সৃষ্টি হয়েছে। তার অতীত রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা, বিভিন্ন সময়ে গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়ন এবং সাম্প্রতিক বদলি নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির ভেতরে প্রশ্ন উঠেছে বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের।


বিজ্ঞাপন

অভিযোগকারীদের দাবি, অতীতে গাবতলী বিআরটিসি বাস ডিপোতে দায়িত্ব পালনকালে জামিল হোসেন প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিদের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, সে সময় তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করতেন। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে স্বাধীন কোনো তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি।

সম্প্রতি বিআরটিসির জারি করা বদলি আদেশে জামিল হোসেনকে নতুন কর্মস্থলে পদায়ন করা হয়েছে। এ পদায়নকে কেন্দ্র করে প্রতিষ্ঠানের ভেতরে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী অভিযোগ করেছেন যে, গুরুত্বপূর্ণ ডিপো ও ইউনিটে পদায়নের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হচ্ছে না।


বিজ্ঞাপন

অভিযোগ রয়েছে, অতীতে বিভিন্ন সময় তিনি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও লাভজনক পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। সমালোচকদের মতে, এসব পদায়নের পেছনে প্রশাসনিক বা রাজনৈতিক প্রভাব কাজ করেছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।


বিজ্ঞাপন

জামিল হোসেনের ব্যক্তিগত পরিচয় সংক্রান্ত নথি অনুযায়ী তিনি গোপালগঞ্জ জেলার স্থায়ী বাসিন্দা। তবে তার ব্যক্তিগত তথ্য ও জাতীয় পরিচয়পত্রের বিস্তারিত প্রকাশ না করে গোপনীয়তা রক্ষা করা প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।

আওয়ামী ফ্যাসিবাদী চক্রের সদস্য গোপালগঞ্জের অধিবাসী জামিল হোসেনের প্রাইজ পোষ্টিং এর অফিস আদেশ।

বিআরটিসির একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে দাবি করেন, সাম্প্রতিক পদায়ন ও বদলি কার্যক্রম নিয়ে প্রতিষ্ঠানের ভেতরে অসন্তোষ রয়েছে। তারা এসব বিষয়ে স্বচ্ছ তদন্ত ও প্রশাসনিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

এ বিষয়ে জামিল হোসেনের বক্তব্য জানার জন্য যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে কোনো কর্মকর্তা সম্পর্কে দুর্নীতি, রাজনৈতিক প্রভাব বা অনিয়মের অভিযোগ উঠলে তা স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা জরুরি। একই সঙ্গে অভিযোগের মুখোমুখি ব্যক্তির আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ নিশ্চিত করাও গণমাধ্যমের দায়িত্ব। বর্তমানে বিআরটিসির সাম্প্রতিক বদলি, পদায়ন এবং সংশ্লিষ্ট অভিযোগগুলো নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও তদন্তের দাবি উঠেছে।

👁️ 40 News Views

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *