
নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে বিদেশি প্রভাব ও অভ্যন্তরীণ নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক। বিশেষ করে বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন নেতাকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে ও রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উত্থাপিত হচ্ছে।

অভিযোগ উঠেছে—একাধিক নেতা অতীতে ক্ষমতায় থাকার সময় রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত আর্থিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন, যার স্বচ্ছতা নিয়ে আজও জনমনে সংশয় রয়ে গেছে।
এমনকি কিছু পুরনো অভিযোগের বিচারিক নিষ্পত্তি এখনও দৃশ্যমান নয় বলে সমালোচকরা দাবি করছেন। একইসঙ্গে, বিদেশি রাজনৈতিক শক্তির সঙ্গে অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠতার অভিযোগও সামনে এসেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কোনো দল যদি জনগণের স্বার্থের বদলে বহির্দেশীয় প্রভাবের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, তবে তা গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্বের জন্য উদ্বেগজনক বার্তা বহন করে।
বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের বহু কর্মীও প্রশ্ন তুলছেন—দলটির সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় কারা প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রাখছেন? আদর্শিক রাজনীতি নাকি ভিন্ন কোনো এজেন্ডা?


সচেতন নাগরিক সমাজ বলছে—সব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত দরকার এবং অর্থনৈতিক অনিয়মের বিচারিক নিষ্পত্তি জরুরি, রাজনৈতিক নেতৃত্বের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।
তারা মনে করেন, দেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতি নির্ভর করবে জনগণের সচেতনতা, তথ্যভিত্তিক আলোচনা এবং আইনের শাসনের ওপর — কোনো ব্যক্তি বা দলের অন্ধ অনুসরণে নয়।
শেষ কথা : বাংলাদেশের জনগণ চায় স্বচ্ছ নেতৃত্ব, সার্বভৌম সিদ্ধান্ত এবং বিদেশি প্রভাবমুক্ত রাজনীতি।
এখন সময় এসেছে—স্লোগান নয়, সত্য যাচাইয়ের; গুজব নয়, জবাবদিহিতার।
