
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার জিরি ইউনিয়নের মালিয়ারা গ্রামে জাল জালিয়াতি মামলায় জামিনে এসে এক প্রবাসীর পরিবারকে হুমকীর অভিযোগ উঠছে মামলার প্রধান আসামি ইলিয়াসের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে প্রবাসী আলমের ছোট ভাই শফি আলম বাদী হয়ে পটিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি দায়ের করেছেন। শফি জানান, আমার ভাই মোঃ আলম একজন প্রবাসী, স্থানীয় জমির দালাল ইলিয়াস আমার ভাইয়ের সাথে জমি নিয়ে জাল জালিয়াতি প্রতারণা করে প্রায় ১৮ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয় সু কৌশলে এ বিষয়ে নিয়ে আমার ভাই পটিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সি আর ৭২৩ /২৫ দায়ের করেন। তিনি প্রবাসী হওয়ার কারনে জীবিকার তাগিদে প্রবাসে গেলে মামলা পরিচালনার জন্য আমাকে দায়িত্ব দেন। সে মামলায় ওয়ারেন্ট জারি হলে মামলায় জামিনে এসে ১ নং আসামী ইলিয়াস ও তার ছেলে সংঘবদ্ধ হয়ে আমাকে বিভিন্ন চাপ প্রয়োগসহ প্রাণনাশের হুমকী দিচ্ছে। এতে আমি এবং আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছি।

মামলার ১ নং আসামী ইলিয়াস একজন স্বীকৃত টাউট প্রকৃতির লোক আমার ভাইসহ আমাদের গ্রামে বহু লোকের সাথে প্রতারণা করে আসছেন । এতো প্রতরণা করার পর তার ভূল তথ্যের আইডি অনুযায়ী বয়স ৭০ বছেরের বেশী দেখিয়ে আদালত থেকে সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন প্রতারণা মূলক কাজ বার বার সংগঠিত করছেন।
উপরোক্ত মামলায় ২, ৪ নং আসামি নুরুল আজিম, ও কালা মুন্সি বলেন ইলিয়াস আমাদেরকে শো করে ভূল তথ্য দিয়ে আমাদেরকে দিয়ে রেজিষ্ট্রে করিয়ে সব টাকা আত্মসাৎ করে আমাদের মাএ ৩ হাজার টাকা করে দেয়। তার জন্য আমরা আজ মামলার আসামি । মামলায় ৭ নং আসামি আবদুল মোজাফ বলেন, এ জায়গার বিষয়ে আমি কিছুই জানি না ইলিয়াস আমার নামটা ব্যবহার করায় আমাকে আজ আসামি হতে হয়েছে।
সাইদার গ্রামের ব্যবসায়ী মোঃ আজগর বলেন ইলিয়াস আমাকে জায়গা দিবে বলে আমার সাথে প্রতারণা করে টাকা আত্মসাৎ করছে, এ বিষয়ে আমিও তার বিরুদ্ধে মামলা করেছি মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।

এছাড়াও অভিযুক্ত ইলিয়াস বিরুদ্ধে তার বাবা, চাচার জমি ১৯৭০ সালের জাল দলিল তৈরি করে আপন চাচাতো ভাইয়ের পরিবারকে প্রাণনাশসহ ঘরবাড়ি ভেঙ্গে আগুন দিয়ে তাদের পৈত্রিক বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করার হুমকি ও হয়রানির অভিযোগে ৮২২/২৪ মামলা হয়েছে ।

এবিষয়ে ভুক্তভোগী ইলিয়াসের চাচাতো ভাই মো মনসুর বলেন ইলিয়াসের বাবা আমার চাচা আবদুল মালেক ১৯৬৮ সালে মারা যান মৃত্যুের দুই বছর পর ১৯৭০ সালের জাল দলিল বানিয়ে আমাদের পত্রিক ভিটা বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করে আত্মসাধের করতে প্রতারনা ও জাল জালিয়াতি করে। আমারা অবগত হয়ে মামলা করলে সি আই ডি তদন্তে ইলিয়াসের জাল জালিয়াতির প্রমান পাই। তাতে আদালত তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি করেন। সে মামলায় তার বয়স বিবেচনায় শর্ত সাপেক্ষে জামিনে আছেন।
স্থানীয় ফিরোজ বলেন ইলিয়াস এগুলো ছাড়াও মসজিদ টাকা নিয়ে প্রতারনাসহ অসংখ্য মানুষের সাথে প্রতারণা করছেন। এমনকি তার আপন বোনকে তার পিতার সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করেছেন। ইলিয়াসের বয়স ৭০ বছর না হলেও তার বয়স বেশি দেখিয়ে তার অপরাধের প্রাপ্য শাস্তি থেকে সুযোগ নিচ্ছে। আওয়ামী নেতা ইলিয়াস এতো অপরাধ করার পরও বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
ভুক্তভোগী প্রবাসী আলম বলেন আমি একজন রেমিট্যান্স যোদ্ধা ইলিয়াস আমার সরলতার সুযোগ নিয়ে প্রতারণা পূর্বক বেজাল জমি রেজিষ্ট্রি করে দিয়ে আমার থেকে ধাপে ধাপে ১৮ লক্ষ টাকা নেয় বিপরীতে জায়গার মুখ আমি এখনো দেখিনি।আমি তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং আমার পরিবারের নিরাপত্তার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
