আসামির কাাছ  থেকে টেলিভিশন উপহার নেয়া ঘুসকান্ডে জড়িত ওসি আমিনুলের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন

Uncategorized অপরাধ আইন ও আদালত গ্রাম বাংলার খবর প্রশাসনিক সংবাদ বিশেষ প্রতিবেদন সারাদেশ সিলেট

নিজস্ব প্রতিনিধি  (প্সিলেট)  :  সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে আসামির নিকট থেকে টেলিভিশন উপহার নেয়া মাদক সহ চোরাচালান খনিজ বালি পাথর লুট সহ নানা ঘুসকান্ডে জড়িত থানার ওসি আমিনুলের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) পুলিশ হেডকোয়ার্টারের দায়িত্বশীল সুত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেন।


বিজ্ঞাপন

পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স সুত্র জানায়, তিন সদস্য তদন্ত কমিটিতে সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশের একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সহকারি পুলিশ সুপার (তাহিরপুর- জামালগঞ্জ) সার্কেল, জেলা পুলিশের একজন পুলিশ পরিদর্শক সহ তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করে দেয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, হবিগঞ্জ ডিবি পুলিশে থাকা অবস্থায় প্রতিপক্ষের নিকট থেকে মোটা অংকের ঘুস নিয়ে একজন প্রবীণ মুরুব্বীকে কয়েক’শ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট দিয়ে ফাঁসিয়ে দেন তাহিরপুর থানার বর্তমান ওসি আমিনুল ইসলাম।


বিজ্ঞাপন

তদন্তে পুলিশ অফিসার ওই মামলাটি চুড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করলে আদালত প্রবীণ মুরুব্বীকে ইয়াবা মামলা থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন। এরপর সংক্ষুদ্ধ প্রবীণ মুরুব্বী পুলিশ হেডকোয়ার্টারে আইজিপি বরাবর অভিযোগ করলে ওসি আমিনুলের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়েরকরা হয়।


বিজ্ঞাপন

অপরদিকে তহিরপুর থানায় যোগদানের পর একাধিক মামলার আসামির ভাইয়ের মাধ্যমে আরো মামলায় জড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে একটি রঙিন টেলিভিশন উপহার নেন ওসি আমিনুল।
থানার এসআই পংকজ দাস, দীপক চন্দ্র দাস, টেকেরঘাট অস্থাযী পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ এসআই রিপন, বাদাঘাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এএসআই মালেক, মোটরসাইকেল চালক চোরাকারবারি উজ্ঝল, পুলিশের কথিত সোর্স মাদক কারবরি বাবলুকে দিয়ে একটি চাঁদাবাজি সিন্ডিক্যাট হড়ে তুলেন ওসি।

ওই সিন্ডিক্যাট চোরাচালানের মাধ্যমে নিয়ে আসা বিদেশি মাদক, ইয়াবা,গাজা, ভারতীয় বিড়ির হাট, কয়লা, চুনাপাথর, কসমমেটিকস ,খাদ্য সামগ্রী, থান কাপড়,মসলা সহ নানা চোরাচালান পণ্যের বিপরীতে চোরাকারবারিদেও নিকট থেকে মাসোহারা আদায় কওে আসছেন।

ইজারাবিহিন পাটলাই,মাহারাম নদীর উ]স মুখে পরিবেশধ্বংসী সেইভ ড্রেজার মেশিনে , নদীর তীর কেটে, জাদুকাটা নদীতে রাত দিন তীর কাটা সেইভ , ড্রেজারে খনিজ বালি পাথর লুট করানো সহ বালি খেকো চক্রের নিকট থেকে কমপক্ষে ১৫ লাখ টাকা আগাম ঘুস নেন সোর্সদের মাধ্যমে। ঘুসকান্ডে ওসির মাসোহারা প্রায় অর্ধকোটি টাকা ছড়িয়ে গেলেও নৌ পথে বিভিন্ন খাত থেকে চাঁদাবাজিতে লেলিয়ে দেন ওসি তার অনুগত কিছু অসৎ পুলিশ অফিসার,সোর্সদের।

মঙ্গলবার সন্ধায় তাহিরপুর থানার ওসি আমিনুলের নিকচ জানতে চাইলে তিনি বলেন,শুনেছি আমার বিরুদ্ধে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। যে সব অভিযোগ আনা হয়েছে সবই মিত্যা দাবি করে ওসি বলেন , আমি তাহিরপুর থানায় চেয়ারে থাকা অবস্থায় কেউ মুখ খোলার সাহস করবে না, কারন আমি এসববের সাথে জড়িত নই।

তদন্ত কমিটির সদস্য সহকারি পুলিশ সুপার (তাহিরপুর-জামালগঞ্জ) সার্কেল প্রণয় রায় বলেন,কমিটি মঙ্গলবার থেকেই তদন্ত কাজ শুরু করেছে,তদন্ত প্রতিবেদন শ্রীঘ্রই পুলিশ সুপার মহোদয় সহ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে পাঠানো হবে।

👁️ 121 News Views

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *