
নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বর্তমান বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক নতুন ধারার সূচনা করেছেন। তার নেতৃত্বে দেশ একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত হচ্ছে।

রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের জন্য তিনি যে ৩১ দফা কর্মসূচি পেশ করেছিলেন, তা আজ কার্যকর পদক্ষেপ হিসেবে দৃশ্যমান। বিচার বিভাগ, প্রশাসন এবং নির্বাচন ব্যবস্থার আমূল সংস্কারের মাধ্যমে একটি জবাবদিহিমূলক সরকার গঠনে তিনি বদ্ধপরিকর।
তার রাজনীতির মূল শক্তি হলো তৃণমূলের সাথে নিবিড় যোগাযোগ। সরাসরি মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের সাথে মতবিনিময়ের মাধ্যমে তিনি দলকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় নিয়ে গেছেন।

তরুণ প্রজন্মের কর্মসংস্থান এবং প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তিনি দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছেন।

একটি রাজনৈতিক দল তখনই শক্তিশালী হয়, যখন তার পেছনে মোঃ সারোয়ার হোসেন রুবেলের মতো একনিষ্ঠ ও ত্যাগী কর্মীরা ঢাল হিসেবে দাঁড়িয়ে থাকে।
দলের প্রতিকূল সময়ে, যখন রাজপথ ছিল কণ্টকাকীর্ণ, তখন মোঃ সারোয়ার হোসেন রুবেল ভয়ভীতি উপেক্ষা করে জাতীয়তাবাদী আদর্শকে আঁকড়ে ধরে রেখেছিলেন। হামলা, মামলা ও জেল-জুলুম সহ্য করেও তিনি বিচ্যুত হননি।
তিনি কেবল একজন কর্মী নন, বরং দুর্দিনের এক বিশ্বস্ত সৈনিক। রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে।
জিয়ার আদর্শ ও তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি তার অবিচল আস্থা তাকে আজ রাজনৈতিক মহলে একজন সম্মানিত ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী পরিকল্পনা এবং মোঃ সারোয়ার হোসেন রুবেলের মতো লক্ষাধিক কর্মীর ত্যাগের বিনিময়ে আজকের বাংলাদেশ একটি নতুন পথ খুঁজে পেয়েছে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশকে একটি সমৃদ্ধশালী ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করার যে স্বপ্ন দেখছেন, মোঃ সারোয়ার হোসেন রুবেলের মতো তৃণমূলের কর্মীরাই সেই স্বপ্নের অতন্দ্র প্রহরী।
দল ও দেশের ক্রান্তিলগ্নে এই ত্যাগী কর্মীদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হলে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস আরও সমৃদ্ধ হবে।
