
নিজস্ব প্রতিবেদক : “বাংলাদেশ আমার অহংকার”- এই স্লোগান নিয়ে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রতিষ্ঠাকাল থেকে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ নির্মূল ও মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে চাঞ্চল্যকর অপরাধে জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে জনগণের সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও শীর্ষ সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের জন্য র্যাব দেশব্যাপী সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করছে।
এরই ধারাবাহিকতায়, গত ২ ফেব্রুয়ারি, ভোর রাতে র্যাব-৪ এর একটি আভিযানিক দল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকা মহানগরীর তুরাগ থানাধীন হরিরামপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে শীর্ষ সন্ত্রাসী সোয়েব হোসেন মুন্না ভাগিনা মুন্না (৫৩) ‘কে বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদসহ গ্রেফতার করে।

র্যাব-৪ এর একটি আভিযানিক দল সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে পল্লবী এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী সোয়েব হোসেন মুন্না ভাগিনা মুন্না অস্ত্রসহ নাশকতা করার জন্য এলাকায় প্রবেশ করেছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-৪ এর আভিযানিক দল পল্লবী থানাধীন ইস্টার্ন হাউজিং এলাকায় অভিযান চালিয়ে সোয়েব হোসেন মুন্নাগ ভাগিনা মুন্না (৫৩)’কে গ্রেফতার করে।

পরবর্তীতে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায় তার অবৈধ অস্ত্র তুরাগ থানাধীন হরিরামপুরে নিজ বাংলো বাড়ীতে লুকানো আছে। এর প্রেক্ষিতে আসামির দেয়া তথ্যমতে উক্ত বাংলোয় অভিযান পরিচালনা করে ০১টি অবৈধ বিদেশি পিস্তল, ১৭ রাউন্ড তাঁজা গুলি এবং ০২টি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, উদ্ধারকৃত অবৈধ অস্ত্র সে রাজধানীর তুরাগ, মিরপুর, কাফরুল, পল্লবী, ভাষানটেক এবং ক্যান্টনমেন্ট থানাসহ আশেপাশের এলাকায় চাঁদাবাজি, আধিপত্য বিস্তারসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করতো। পাশাপাশি, উক্ত অস্ত্র বিভিন্ন পেশাদার অপরাধীদের ভাড়ায় সরবরাহ করতো যা দিয়ে তারা খুন, চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে ব্যবহৃত করতো।
গ্রেফতারকৃত শীর্ষ সন্ত্রাসী মুন্নার বিরুদ্ধে প্রাথমিক তদন্তে বিভিন্ন থানায় ৩০টির অধিক মামলা ও ১৭টি গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে মর্মে জানা যায়। গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে সংশ্লিষ্ট থানায় প্রেরণ করা হয়েছে।
