আইনকে অপব্যবহার করে নারীরা পুরুষদের করছে নির্যাতন

সারাদেশ

ফাঁসাচ্ছে মিথ্যা মামলায়

 

 

মো:রফিকুল ইসলাম,নড়াইল : দেশে নারী নির্যাতন আইনকে অপব্যবহার করে নারী”রা পুরুষদের করছে অমানুষিক নির্যাতন হতে হচ্ছে পুরুষদের মিথ্যা মামলার শিকার, কেউবা কাদঁছে নিরবে মূখ লুকিয়ে কেউবা দিচ্ছে প্রান।
নারীদের কথা অনেক সময় না মানলে পুরুষদের নির্যাতনসহ বিভিন্ন মামলার শিকার হতে হচ্ছে তবুও পুরুষরা পাচ্ছে না সন্মান।
অনেক সময় দেখা যায় সংসারে একটু ১৯-২০ হলেই যৌতুক মামলা, নির্যাতন মামলা, ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলাসহ বিভিন্ন অনয়তীক মামলার শিকার হতে হয় পুরুষদের,যেটা সে কোন দিনও করেনি।
সুধু কি পুরুষেরাই দায়ী সংসার করতে গেলে খুঁটিনাটি ঝামেলা হতেই পারে বা হয় আবার মিমাংশাও হয়ে যায়।
এবার যদি স্ত্রীর আম্মাজান একটু স্বামী-স্ত্রীর সংসারের ঝামেলায় নাক গলান তাহলেই সংসার হয়ে যাচ্ছে দুইটা।
কিন্তু এক্ষেত্রে সবাই বা সবার পরিবার এক নয়।
দেখা যাচ্ছে যারাই বিদেশে যাচ্ছেন বা গিয়েছিলেন তাদের মদ্ধে যারা বিদেশে গিয়ে কষ্টের উপার্যনের টাকা স্ত্রী বা সশুরের নামে পাঠিয়েছেন তাদের বেশির ভাগ অভাগার কপালেই নেমে আসে দুর্ভোগ।
সেই সব অভাগারা বিদেশ থেকে বাড়িতে এসে দেখে রেখে যাওয়া স্ত্রীর অজানা ভয়ংকর রুপ।
অনেকের স্ত্রীরিকে দেখা যায় পরকীয়ায় আশক্ত হয়ে পড়েছে,এর ধারাবাহীকতায় সংসারে নেমে আশে চরম অশান্তি।
কষ্টে অর্জিত টাকা পয়সা সোনা গয়নার নেই কোন হদিছ,হিসাব জান্তে চাইলেই সুরু হয় অশান্তি,সুরু হয় স্বামীসহ স্বামীর পরিবারের সদস্যদের নামে বিভিন্ন নাটকীয় মিত্থা মামলা।
এর কি কোন সমাধান নেই নাকী এভাবেই সর্বশান্ত হয়ে যাবে দেশের প্রবাসী যোদ্ধা”রা।
এর একটাই কারন দেশে নারী নির্যাতন আইনের মারপ্যাচে নিরিহ পুরুষদের যেতে হচ্ছে জেলে বা দিতে হচ্ছে প্রান।
এদিকে দেখা গেছে নাটকীয় স্বামীর নামে মহাম্মান্য আদালতে নারী নির্যাতন মামলা করে সেই মামলায় বাদী স্ত্রী নিজে মিত্থা প্রমানিত হয়ে মহাম্মান্য আদালত তাকেই জেলা হাজতে পাঠান এবং জরিমানা করেন।
তার পরেও এমন অহর অহর মিত্থা মামলায় হাজারও পুরুষ বিনা দোষে জেলের ঘানি টানছেন এবং জেল থেকে বের হয়ে ধুকে ধুকে নিশার জগতে জড়ীয়ে পড়ছেন,কেউ বা আবার মুখ লুকাতে কিটনাশক সহ বিভিন্ন কৌশলে আন্তহত্যা করছেন।
আজ দেশে যদি নারী নির্যাতন আইনের পাশাপাশি পুরুষ নির্যাতন আইন চালু হত তাহলে হয়তোবা এমন মিত্থা বানোয়াট নাটকীয় মামলায় নির্যাতিত পুরুষদের সন্মান হানি হত না বা প্রান দিতে হত না।
এই অভিযোগটা সকলের জন্য সত্য নয়,কিছু কিছু নারী পুরুষের জন্য।