
নিজস্ব প্রতিবেদক : বিগত সরকারের আমলে শেখ হাসিনার সহযোগীরা দেশের ব্যাংকিং সেক্টর কার্যত ধ্বংস করে গিয়েছিল। শেখ হাসিনা পালিয়ে গেলেও নির্বাহী প্রকৌশলী কামরুল হাছানের মতো তার প্রেতাত্মারা এখনো রয়ে গেছে। তারা এখনো দেশের ব্যাংকিং সেক্টর স্থিতিশীল হতে দিতে চায়না।

পূবালী ব্যাংকের একটি বিশ্বস্ত সূত্রের মাধ্যমে জানা গেছে, গত ০৭/১২/২০২০ তারিখে হাতিয়া মডেল মসজিদ নির্মাণ কাজের জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান KE-OG-DESH (JV) এর সঙ্গে নোয়াখালী গণপূর্ত বিভাগের ১৪ কোটি ৯২ লক্ষ টাকা র চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। কাজ বাস্তবায়নে ঠিকাদার ওসমান গণি পূবালী ব্যাংক, দত্তেরহাট শাখায় ওয়ার্ক অর্ডারের বিপরীতে ঋণ আবেদন করেন।
সরকারি প্রকল্পে ঋণ অনুমোদনের ক্ষেত্রে অন্যতম শর্ত হচ্ছে কাজের বিপরীতে বিল পরিশোধের অর্থ সরাসরি ব্যাংকের নির্ধারিত লোন একাউন্টে আসবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর চিঠির মাধ্যমে নিশ্চয়তা দেয় এবং চেকের গায়েই নির্দিষ্ট ব্যাংক-একাউন্ট নম্বর, ব্যাংকের নাম ও শাখার নাম লিখে দেওয়া হয় যাতে অই চেক অন্য কোনো একাউন্টে নগদায়ন করা না যায়। এ ক্ষেত্রেও ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১ তারিখে নোয়াখালী গণপূর্ত বিভাগ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ কামরুল হাছান ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানিয়েছিলেন যে, হাতিয়া মডেল মসজিদ নির্মাণ কাজের বিপরীতে ইস্যুকৃত সকল চেক তিনি পূবালী ব্যাংক, দত্তেরহাট শাখার অধীন KE-OG-DESH (JV) হিসাব নম্বর ০৫১২-৯০১-০৩৫৩৮৭ এর বরাবর ইস্যু করবেন। শুধুমাত্র নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ কামরুল হাছান এর এই নিশ্চয়তার ভিত্তিতেই ব্যাংক কর্তৃপক্ষ মোঃ ওসমান গনির KE-OG-DESH (JV) প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ৭,৪৬৪,৫১৮.১৪ টাকার ব্যাংক গ্যারান্টি এবং ওয়ার্ক অর্ডারের বিপরীতে ৩.০০ কোটি টাকার ঋণ মঞ্জুর করেন।

কামরুল হাছান গত ২৬/০৯/২০২৪ ইং তারিখে নোয়াখালী গণপূর্ত বিভাগে ৩য় বারের মতো একপ্রকার জোর করে পদায়ন নিয়েই শুরু করেন অনিয়ম ও দূর্নীতি। দায়িত্ব নেয়ার নিয়েই কামরুল ঠিকাদার ওসমান গনির ঋণ একাউন্ট বাইপাস করে চেক ইস্যু করা শুরু করেন। একে একে ৪ মাসে তিনি ৬ টি চেক ইস্যু করেন। যার চেক নং স-৯৬২০৮০২, স-৯৬২০৮৬৭, স-৯৬২০৮৮৪, স-৯৬২২৬২৩, স-৯৬২২৬২৪, স-৯৬২২৬৪২ এর মাধ্যমে যথাক্রমে ৬৫৩১৭২৬.০০, ৮১০২৫০০.০০, ৩৮২২৩৬.০০, ১২১৫৩৭৫০.০০, ৩৬৪৬১২৫.০০, ৯৯৪৬০৭.০০ অর্থাৎ ৬টি চেকের মাধ্যমে প্রায় ৩ কোটি ১৮ লক্ষ টাকার চেক ইস্যু করেন যার প্রতিটিই ছিলো ব্যাংকের লোন একাউন্ট বাইপাস করে। বিনিময়ে কামরুল হাছান নিয়েছেন বিপুল অর্থ।

কাজ শেষ না হতেই সুরক্ষা জামানত অবমুক্ত : ঠিকাদারের করা কাজের বিপরীতে প্রদেয় বিলে ৫/১০% সুরক্ষা জামানত সরকারি কোষাগারে জমা রাখার নিয়ম। এ টাকা ঠিকাদার কাজ সম্পূর্ণ শেষ করার এক বছর পরে প্রদান করতে হয়। এখানে ঠিকাদারের এখনো কাজের ৫০% ই শেষ হয়নি অথচ বিলের বিপরীতে রক্ষিত সম্পূর্ণ জামানত অবমুক্ত করেছেন, বিনিময়ে নির্বাহী প্রকৌশলী জনাব কামরুল হাছান হাতিয়ে নিয়েছেন বিপুল অর্থ। জামানত বাবদ রক্ষিত ছিলো ৫১ লক্ষ টাকা এর মধ্যে তিনি তিনটি চেক এর মাধ্যমে ৫০ লক্ষ টাকাই দিয়ে দিয়েছেন। চেক নং স-৯৬২০৮০৯ , স-৯৬২২৬৭৭, স-২৪৫৬২০১ এর মাধ্যমে যথাক্রমে ২৫ লক্ষ, ২০ লক্ষ ও ৫ লক্ষ অর্থাৎ ৫০ লক্ষ টাকার জামানত এর অর্থের চেক তিনি প্রদান করেন লোন একাউন্ট বাদ দিয়ে। জানা গেছে লোন একাউন্ট বাইপাস করে চেক প্রদান করার জন্য কামরুল হাছান ঠিকাদারের থেকে নিয়েছেন ৪২ লক্ষ টাকা।
ব্যাংকের একটি সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে এ কাজের বিপরীতে কামরুল হাছান এর ইস্যুকৃত ৯টি চেক “জালিয়াতির মাধ্যমে” ভিন্ন একাউন্টে নগদায়ন করার ফলে ঠিকাদারের নিকট পূবালী ব্যাংক দত্তেরহাট শাখার অনাদায়ী ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১,৯৫,৭৫,৯১১.৬৫ টাকা এবং সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, এ অনিয়ম ব্যাংককে আরও একটি খেলাপি ঋণের কবলে ফেলেছে।ব্যাংক কর্তৃপক্ষের মতে শেখ হাসিনার আমলে সরাসরি তার তত্ত্বাবধানে ব্যাংকিং সেক্টরে লুটপাট চালিয়ে দেশের অর্থনীতি পংগু করা হয়েছে কিন্তু শেখ হাসিনার পতনের পর এখনো যদি কামরুল হাছানের মতো লোকজনের শাস্তি না হয় তাহলে দেশ ধ্বংস হয়ে যাবে।
“দেশ সংস্কারের এই সময়েও যদি কামরুল হাছানদের মতো লুটেরাদের কঠোর শাস্তি না হয়, তবে ব্যাংকিং সেক্টরের ধ্বংস ঠেকানো অসম্ভব।” — সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্মকর্তা।
কাজ ছাড়াই বিল : এই কাজের বিপরীতে গত ০৯-১০-২০২৪ হতে ১৬-০৩-২০২৫ তারিখ পর্যন্ত প্রদানকৃত বিলের বিপরীতে বাস্তবে কোনো কাজই হয়নি। অর্থাৎ কাজ ছাড়াই বিল দিয়েছেন। ঠিকাদার ওসমান গণি এর একজন ম্যানেজার নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, কামরুল স্যার যখন তিন কোটি টাকার চেক দিয়েছিলেন সেসময় সেই ৩ কোটি টাকার কোনো কাজ মাঠ পর্যায়ে ছিলোনা। গত প্রায় বছরখানেক ধরে এডভান্স বিলের মধ্যে প্রায় এক কোটি টাকার কাজ করা হলেও এখনো তার ২ কোটি টাকার কাজ হয়নি। আর মাঠ পর্যায়ের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী ও উপ সহকারী প্রকৌশলীদের থেকে জোর করে ও ভয় ভীতি দেখিয়ে কিছু বিলে স্বাক্ষর নেয়া হলেও এখনো কিছু বিল স্বাক্ষর বিহীন রয়েছে।
নিম্নমানের কাঠ বাশের সেন্টারিং , আল্লাহর ঘরে নিম্নমানের কাজ ! গত সপ্তাহে হাতিয়া মডেল মসজিদের নির্মাণ কাজ পরিদর্শনে নিম্নমানের কাঠ বাশের সাটার ব্যবহার করে ছেন্টারিং করা হয়েছে। এ বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী কামরুল হাছান অবগত নন বলে জানান এবং দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলীর ওপর ন্যস্ত বলে উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী জানান যে, গত ০৯-০৩-২০২৫ তারিখে স্মারক নং-১৫৩ এর মাধ্যমে ঠিকাদারকে লিখিতভাবে নিম্নমানের কাঠ বাশের সাটার অপসারণ এবং স্টিল সাটার ব্যতীত অন্য কিছু ব্যবহার না করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছিল। পূর্বেও একাধিকবার মৌখিকভাবে সতর্ক করা সত্ত্বেও ঠিকাদার কোনো সংশোধনী ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি এবং বিষয়টি ০৯/০৩/২০২৫ তারিখে স্বারক নং ১৫৪ এর মাধ্যমে নির্বাহী প্রকৌশলী কামরুল হাছানকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে এরপরেও তিনি কেনো অবগত নন বলেছেন সেটা আমার জানা নাই। স্থানীয় লোকমুখে প্রচলিত আছে যে কামরুল হাছান আর ওসমান গনি ব্যাবসায়িক পার্টনার, এতোদিন সেটা বিশ্বাস না করলেও এখন তো মনে হচ্ছে কথা সত্য।
উল্লেখ্য যে, GCC ক্লজ 51.1 অনুসারে কাজ অবশ্যই অনুমোদিত Specifications অনুযায়ী হতে হবে; GCC ক্লজ 27.1(b) অনুযায়ী সাইটের নিরাপত্তার জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ ঠিকাদারের বাধ্যবাধকতা। কাঠ/বাঁশের অনঅনুমোদিত ছেন্টারিং ব্যবহার উভয় ধারারই লঙ্ঘন। আর, নির্দেশ অমান্য করে ত্রুটিপূর্ণ কাজ চালিয়ে যাওয়ায় GCC 55 (Rejection of defective work) ও GCC 56 (Removal and re-execution) অনুযায়ী ঐ কাজ প্রত্যাখ্যান ও অপসারণ/পুনঃকাজের ব্যয়ভার সম্পূর্ণরূপে ঠিকাদারের দায় হবে।
আইন বিশেষজ্ঞ এর মত : প্রচলিত আইন ও বিধিমালা লঙ্ঘন
এ বিষয়ে সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের আইন ও বিধি বিধান বিশেষজ্ঞ সুপ্রিম কোর্টের বিখ্যাত আইনজীবী এডভোকেট সজীব বলেন, আলোচ্য ঘটনায় নির্বাহী প্রকৌশলী কামরুল হাছান সরকারি অর্থ বা সম্পদ রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থেকে তা আত্মসাৎ বা অপব্যবহার করেছেন ফলে দণ্ডবিধি, ১৮৬০ (Penal Code, 1860) এর ধারা ৪০৯ অনুযায়ী সরকারি কর্মচারী কর্তৃক বিশ্বাসভঙ্গ, ধারা ৪২০ (প্রতারণা): ব্যাংকের সাথে করা চুক্তি (ঋণ একাউন্টে চেক দেওয়ার নিশ্চয়তা) ভঙ্গ করে প্রতারণার আশ্রয় নেওয়া, ধারা ৪৬৭/৪৬৮ (জালিয়াতি): বিলের চেকে জালিয়াতি বা স্বাক্ষরবিহীন বিলে অর্থ ছাড় করা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭: সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজের বা অন্য কারো আর্থিক লাভের ব্যবস্থা করা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২: ঘুষের অর্থ (৪২ লক্ষ টাকা) গ্রহণ এবং অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ স্থানান্তর করার দায়ে দায়ী।
এছাড়াও কামরুল হাছান সরকারি চাকরি (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী কর্তৃপক্ষের আদেশ অমান্য করা, দুর্নীতির আশ্রয় নেওয়া এবং পদের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করার জন্য অসদাচরণ (Misconduct), ঘুষ গ্রহণ (৪২ লক্ষ টাকা) এবং সাইটে কাজ না থাকা সত্ত্বেও বিল প্রদান এর জন্য দুর্নীতি (Corruption) এর দায়ে দায়ী হবেন।
আবার আর্থিক বিধিবিধান ও চেক নিরাপত্তা লঙ্ঘন সরকারি অর্থ ব্যয় ও হিসাব রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষেত্রে তিনি গুরুতর আর্থিক বিধি ভঙ্গ করেছেন। গ্যারান্টি ও ঋণের শর্ত লঙ্ঘন (Breach of Assignment) ব্যাংককে দেওয়া লিখিত নিশ্চয়তা (Letter of Comfort/Undertaking) অনুযায়ী চেকগুলো নির্দিষ্ট ঋণ একাউন্টে (হিসাব নং ০৫১২-৯০১-০৩৫৩৮৭) এ জমা হওয়ার কথা ছিল।
এটি অমান্য করে অন্য একাউন্টে চেক নগদায়ন করার ব্যবস্থা করা Account Payee Crossing নীতির সরাসরি লঙ্ঘন। কাজের অগ্রগতি ব্যতীত বিল প্রদান করায় (Advance/Excess Payment) সরকারি আর্থিক বিধি অনুযায়ী, কাজ যতটুকু সম্পন্ন হয়েছে তার ভিত্তিতে বিল পরিশোধ করতে হয়। মাঠ পর্যায়ে কাজ না থাকা সত্ত্বেও ৩/৩.৫ কোটি টাকা বিল প্রদান করা সরকারি অর্থের চরম অপচয় এবং সরাসরি আত্মসাৎ। সাধারণত প্রকল্পের কাজ শেষ না হওয়া এবং ডিফেক্ট লায়াবিলিটি পিরিয়ড পার না হওয়া পর্যন্ত জামানতের টাকা ফেরত দেওয়া যায় না।
কাজ চলাকালীন জামানতের ৫১ লক্ষ টাকার মধ্যে ৫০ লক্ষ টাকা ফেরত দেওয়ায় জামানত (Security Deposit) অবমুক্তকরণে অনিয়মের অভিযোগে অভিযুক্ত হবেন। বিভাগীয় হিসাবরক্ষকের যোগসাজশে স্বাক্ষরবিহীন বিলে অর্থ ছাড় করা এবং চেকে ব্যাংক ও শাখার নাম উল্লেখ না করা CPWA Code (Central Public Works Accounts Code) এর সরাসরি লঙ্ঘনের দায়ে দায়ী হবেন।
ভোল পাল্টানো রাজনীতির ‘খলিফা’ : একসময় সাবেক এমপি একরামুল করিম চৌধুরী ও মোহাম্মদ আলীর ছত্রছায়ায় থাকা ওসমান গণি ৫ই আগস্টের পর ভোল পাল্টেছেন নিমিষেই। ভাইয়ের রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে এখন তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতার সান্নিধ্য পাওয়ার চেষ্টা করছেন।
প্রকৌশলীর বক্তব্য বনাম বাস্তবতা : নির্বাহী প্রকৌশলী কামরুল হাছান এখন ‘কালো তালিকাভুক্ত’ করার ভয় দেখালেও পর্দার আড়ালে তার যোগসাজশের প্রমাণ মিলছে ব্যাংকের নথিতে। পূবালী ব্যাংক দত্তেরহাট শাখা এখন প্রায় ২ কোটি টাকার খেলাপি ঋণের ঝুঁকিতে, কারণ প্রকৌশলী সাহেব ব্যাংকের সাথে করা অঙ্গীকার ভঙ্গ করে চেকগুলো অন্য হাতে তুলে দিয়েছেন।
এ প্রকল্প ঘিরে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগও সামনে এসেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, একাধিক চেক নির্ধারিত ঋণ-একাউন্টের বাইরে নগদায়ন করা হয়েছে, বাস্তব অগ্রগতির তুলনায় বিল দেওয়া হয়েছে, এবং ৫০ শতাংশ কাজ শেষ না হলেও জামানতের অর্থ অবমুক্ত করা হয়েছে। এসব অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা স্বাধীন তদন্ত ছাড়া নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়; তবে অভিযোগের গুরুত্ব এতটাই বেশি যে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষ অনুসন্ধান এখন সময়ের দাবি।
মসজিদটি এখন শুধু একটি নির্মাণাধীন ভবন নয়—এটি ধীরগতি, প্রশ্নবিদ্ধ বাস্তবায়ন এবং জনঅসন্তোষের এক অস্বস্তিকর প্রতীক।হাতিয়ার মানুষের প্রশ্ন একটাই—আর কত বছর ঝুলিয়ে রাখা হবে এই পবিত্র স্থাপনা? নাকি দুর্নীতির এই মহাকাব্য চলতেই থাকবে?
