কিশোর অপরাধ ও সাইবার বুলিং রুখতে ১৬ বছরের নিচে সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধের দাবি অবিনাশী

Uncategorized অপরাধ আইন ও আদালত জাতীয় ঢাকা বিশেষ প্রতিবেদন রাজধানী সারাদেশ

বিশেষ প্রতিবেদক  :  বাংলাদেশের অমিত সম্ভাবনাময় কোমলমতি শিশুরা আজ এক নীরব কিন্তু মারাত্মক ঝুঁকির মুখোমুখি। দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নিয়ে মা-বাবার চোখে যে রঙিন স্বপ্নের বসবাস, সেখানে এখন প্রতিনিয়ত জমা হচ্ছে শঙ্কার কালো মেঘ। রাত জেগে মোবাইল স্ক্রিনে ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক কিংবা ইনস্টাগ্রাম স্ক্রল করা এখন দেশের সিংহভাগ কিশোর-কিশোরীর নিত্যদিনের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।


বিজ্ঞাপন

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, সামাজিক মাধ্যমের এই লাগামহীন আসক্তি তরুণ প্রজন্মের ঘুম কেড়ে নিচ্ছে, পড়াশোনায় মনোযোগ কমাচ্ছে এবং তাদের ঠেলে দিচ্ছে তীব্র মানসিক চাপ ও উদ্বেগের দিকে।

ডিজিটাল আসক্তির এই ভয়াবহতা থেকে শিশুদের রক্ষা করতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এখন ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে। যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, স্পেন বা নরওয়ের মতো উন্নত দেশগুলো যখন আইনি সুরক্ষাকবচ তৈরি করছে, তখন বাংলাদেশে এখনো তেমন কোনো কার্যকর বা দৃশ্যমান সরকারি উদ্যোগ নেই। ২০২৫ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৬ কোটি, যা দেশের মোট জনসংখ্যার ৩৪ শতাংশ। এর মধ্যে তরুণ ও কিশোরদের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি, যাদের প্রধান পছন্দ ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক ও ইনস্টাগ্রাম।


বিজ্ঞাপন

মনোযোগ ও পারিবারিক বন্ধন ধ্বংসের পথে : সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপপ্রয়োগ এবং লাগামহীন ‘স্ক্রিনটাইম’ দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য মারাত্মক মানসিক ও শারীরিক বিপর্যয় ডেকে আনছে বলে সতর্ক করেছেন বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোরোগবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সালাহউদ্দিন কাউসার বিপ্লব। তিনি জানান, যেকোনো মারাত্মক নেশার মতোই ইন্টারনেট আসক্তিও মানুষের মস্তিষ্কে ডোপামিনের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়, যা স্বাভাবিক স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ নষ্ট করে।


বিজ্ঞাপন

অতিরিক্ত স্ক্রিননির্ভরতার কারণে শিশুদের কল্পনাশক্তি ও সৃজনশীলতা লোপ পাচ্ছে এবং আসক্ত ছেলেমেয়েরা বাস্তব জগৎ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে এক কাল্পনিক ‘ফ্যান্টাসি’র মধ্যে ডুবে থাকছে।
এই ব্যাধিতে আক্রান্ত কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে অন্ধকার ঘরে একা থাকা, ঠিকমতো খাওয়াদাওয়া না করা, গোসল বা ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতায় অনীহার পাশাপাশি চোখের ‘ড্রাই আই’ রোগ দেখা দিচ্ছে।

সবচেয়ে বড় সংকট তৈরি হচ্ছে পারিবারিক সম্পর্কে; সন্তানরা মা-বাবার কাছ থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। এই সংবেদনশীল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পরিবার, রাষ্ট্র ও সমাজকে অবিলম্বে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।

অনুরূপ উদ্বেগ প্রকাশ করে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, মাদকাসক্তির মতোই এই ‘ডিজিটাল আসক্তি’ শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ বিকাশকে রুদ্ধ করছে। উন্মুক্ত এই প্ল্যাটফর্মের ইতিবাচক দিক থাকলেও রেগুলেটরি ফ্রেমওয়ার্ক বা নিয়ন্ত্রক কাঠামোর অভাবে এটি এখন এমন এক খোলা ময়দানে পরিণত হয়েছে, যা তরুণ প্রজন্মের চিন্তা করার ক্ষমতা ও সৃজনশীলতাকে ধ্বংস করছে।

তিনি মনে করেন, বিশ্বের অনেক দেশের মতো বাংলাদেশকেও এখন নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে শিশুদের জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ বা সীমিত করার বিষয়ে কঠোরভাবে ভাবার সময় এসেছে।

গবেষণার উদ্বেগজনক চিত্র :  ‘নেচার অ্যান্ড সায়েন্স অব স্লিপ’ জার্নালে প্রকাশিত বাংলাদেশের ১,১৩৯ জন উচ্চ মাধ্যমিক পাস করা শিক্ষার্থীর ওপর পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আসক্তির মাত্রা যত বাড়ে, ঘুমের মান ততই খারাপ হয়। বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীরা ঘুমের ক্ষেত্রে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, যদিও পুরুষদের মধ্যে মোট আসক্তির হার তুলনামূলক বেশি। যারা দিনে ৪-৫ ঘণ্টার বেশি সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করে, তারা রাতে বারবার জেগে ওঠে এবং অনেকেই মোবাইল হাতে নিয়েই ঘুমিয়ে পড়ে।

এর সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে দিনের কর্মক্ষমতায়—শ্রেণিকক্ষে মনোযোগহীনতা, পড়া মনে রাখতে সমস্যা, বিরক্তি ও হতাশা বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই মানসিক অস্থিরতা থেকেই অনেক কিশোর আজকাল সহিংস ‘গ্যাং কালচার’-এর দিকে ঝুঁকে পড়ছে।

একইভাবে, আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশ (আইসিডিডিআরবি)-এর সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, ঢাকার শিশুরা প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫ ঘণ্টা ডিজিটাল স্ক্রিন ও গেমিং ডিভাইসে ব্যয় করছে। ফলে এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি শিশু চোখের সমস্যায় এবং ৮০ শতাংশ শিশু প্রায়ই মাথা ব্যথায় ভুগছে। অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহারের কারণে শিশুদের মধ্যে ঘুমের ঘাটতি, স্থূলতা ও মানসিক স্বাস্থ্য জটিলতা জ্যামিতিক হারে বাড়ছে।

বিশ্ব যখন কঠোর, বাংলাদেশ তখন উদাসীন : ক্ষতিকর এই ডিজিটাল জোয়ার রুখতে বিশ্বব্যাপী এখন কড়াকড়ি চলছে। সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য ফেসবুক, টিকটক ও ইনস্টাগ্রাম নিষিদ্ধের ঘোষণা দিয়েছেন। এটি কার্যকর করতে মুখমণ্ডল স্ক্যান বা পরিচয়পত্র জমা দেওয়ার মাধ্যমে ‘হাইলি ইফেকটিভ এজ অ্যাশিওঁর্যান্স’ বা বয়স যাচাই ব্যবস্থা ব্যবহার করা হবে। এর আগে গত ১০ ডিসেম্বর বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়া ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিষিদ্ধ করে। আইন লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকে ৪৯.৫ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার পর্যন্ত জরিমানা করার বিধান রাখা হয়েছে সেখানে।

ফ্রান্স আগামী জানুয়ারি থেকে ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার এবং হাই স্কুলে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধের প্রস্তাব বিবেচনা করছে। ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়াও ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য একই ধরনের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। অস্ট্রিয়া, স্পেন, গ্রিস, ডেনমার্ক, নরওয়ে, পোল্যান্ড ও স্লোভেনিয়াও কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে।

অন্যদিকে, ব্রাজিল নিষেধাজ্ঞা না দিলেও অভিভাবকের তত্ত্বাবধানে অ্যাকাউন্ট খোলার বাধ্যবাধকতা চালু করেছে। আর চীন ‘মাইনর মোড’ চালু করে ১৪ বছরের কম বয়সীদের জন্য দৈনিক ৪০ মিনিট এবং ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য দুই ঘণ্টা স্ক্রিন টাইম নির্দিষ্ট করে দিয়েছে।

পাশাপাশি রাত ১০টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত নাবালকদের অনলাইন গেমিং ও সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে চীন। ইউরোপীয় ইউনিয়নও ‘ডিজিটাল সার্ভিসেস অ্যাক্ট’-এর আওতায় শিশুদের অনলাইন সুরক্ষায় কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে। বিশ্ব যখন এত কঠোর, বাংলাদেশের নীতিনির্ধারকরা তখনো কোনো সদুত্তর দিতে পারছেন না।

আইনি শূন্যতা ও অপরাধের বিস্তার  :  বাংলাদেশে শিশুদের জন্য সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারে কোনো বয়সভিত্তিক নিষেধাজ্ঞা নেই। ‘শিশু আইন ২০১৩’-এ অনলাইন নিরাপত্তা নিয়ে কোনো নির্দিষ্ট বিধান নেই এবং ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮’ সাইবার অপরাধ দমনে তৈরি হলেও শিশুদের ডিজিটাল সুরক্ষায় অকার্যকর।

এমনকি ২০২৫ সালের মে মাসে প্রণীত ‘সাইবার নিরাপত্তা অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এও শিশুদের জন্য সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারে বয়সভিত্তিক নিষেধাজ্ঞার কোনো ধারা রাখা হয়নি। অথচ ইউনিসেফের জরিপে দেখা গেছে, বাংলাদেশের প্রায় ২৯ হাজার তরুণের মধ্যে ৪৫ শতাংশই সাইবার বুলিংয়ের শিকার হয়েছে এবং দুই-তৃতীয়াংশ তরুণ ক্ষতিকর আচরণ বন্ধে কঠোর আইনি নীতির পক্ষে। গত মাসে সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী ১৬ বছর পর্যন্ত শিশু-কিশোরদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধের দাবি জানিয়ে সরকারকে আইনি নোটিশও পাঠিয়েছেন।

এই আইনি ও সামাজিক শিথিলতার সুযোগে কিশোররা অপরাধের দিকে পা বাড়াচ্ছে। র্যাবের তথ্যানুযায়ী, গত ছয় বছরে দেশে মোট ১,১২৬ জন কিশোর গ্যাং সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার একটি বিশাল অংশ ধরা পড়েছে ২০২১ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে। গ্রেপ্তার হওয়া এসব কিশোরদের মোবাইল ফোন বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, তারা ফেসবুক, মেসেঞ্জার, টিকটক ও বিভিন্ন অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে গ্যাংয়ের নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করত।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ ও করণীয়  :  তথ্য-প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ সুমন আহমেদ সাবির নীতিগতভাবে ১৬ বছরের নিচে শিশুদের জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যবহার নিষিদ্ধ করাকে সমর্থন করে বলেন, আইনের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে শিশু ও অভিভাবকদের সচেতনতা বাড়ানো এবং শিশুদের জন্য খেলাধুলা ও সুস্থ বিনোদনের ব্যবস্থা করা জরুরি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক এবং সমাজবিজ্ঞানী ড. মো. তৌহিদুল হক উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশে প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরাও সহজেই অ্যান্ড্রয়েড ফোন ও উচ্চগতির ইন্টারনেট পাচ্ছে, যা তাদের আচরণে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তারা স্বাভাবিক যোগাযোগের দক্ষতা হারাচ্ছে এবং বুদ্ধিবৃত্তিক বিকলাঙ্গতার ঝুঁকিতে পড়ছে।

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সাবেক সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর বলেন, দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বাড়লেও ডিজিটাল সচেতনতা বাড়েনি। সমীক্ষায় দেখা গেছে, দেশের ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ শিশু-কিশোর সামাজিক মাধ্যমে অতিরিক্ত আসক্ত এবং সাইবার বুলিং ও অনলাইন শোষণের শিকার হচ্ছে। তাই বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও শিশুদের জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিকাঠামো তৈরি করা জরুরি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য ৫টি জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন  : ১. ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারে বয়সভিত্তিক নিষেধাজ্ঞা আইনে অন্তর্ভুক্ত করা। ২. সামাজিক মাধ্যম কোম্পানিগুলোর জন্য বয়স যাচাই প্রক্রিয়া বাধ্যতামূলক করা। ৩. পাঠ্যপুস্তকে ও স্কুল পর্যায়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা ও সাইবার বুলিং মোকাবেলার বাধ্যতামূলক পাঠ্যক্রম চালু করা। ৪. অভিভাবকদের সচেতনতা বাড়াতে গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা চালানো। ৫. ‘সাইবার নিরাপত্তা অধ্যাদেশ, ২০২৫’ সংশোধন করে শিশুদের বিশেষ সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং অপরাধী কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর জরিমানার বিধান রাখা। সরকারি অবস্থান থেকে কিছুটা আশার কথা শুনিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা। তিনি জানান, বিদেশে ১৬ বছর বা তার কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে যে ধরনের আইনি কড়াকড়ি বা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হচ্ছে, তা আমাদের দেশেও নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনার মধ্যে রয়েছে।

বৈশ্বিক অভিজ্ঞতার আলোকে বাংলাদেশেও দ্রুতই এসংক্রান্ত আইনি কাজ শুরু হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তিনি আরও জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের দায়িত্বশীল ও নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করতে সরকারের পক্ষ থেকে জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা (এনসিএসএ) এবং আইসিটি খাতের সংশ্লিষ্ট অন্য দপ্তরগুলো সার্বক্ষণিক নজরদারি ও ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা’ বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে।

👁️ 30 News Views

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *