মার্চ ফর জাস্টিস’-এর সেই অগ্নিকন্যা নুসরাত—এক বছর পর কোথায় তিনি, কেমন আছে তার স্বপ্নের বাংলাদেশ ?

Uncategorized ইতিহাস ঐতিহ্য জাতীয় ঢাকা বিশেষ প্রতিবেদন রাজধানী রাজনীতি সারাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক  :  ৩১ জুলাই, ২০২৪। দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও উত্তাল ছাত্র আন্দোলনের দিনগুলোতে ‘মার্চ ফর জাস্টিস’-এর মিছিল থেকে ছড়িয়ে পড়া একটি ছবি মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসে। স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সেমিস্টারের এক তরুণী শিক্ষার্থী—নুসরাত।


বিজ্ঞাপন

অনেকেই তাকে তখন ‘অগ্নিকন্যা’ নামে অভিহিত করেছিলেন। তার দৃঢ় অবস্থান, প্রতিবাদী উপস্থিতি ও নির্ভীক অভিব্যক্তি অসংখ্য মানুষের কাছে প্রতিরোধের প্রতীক হয়ে ওঠে।

এক বছর পেরিয়ে গেছে। সময় বদলেছে, রাজনীতির প্রেক্ষাপটও পরিবর্তিত হয়েছে। কিন্তু সেই ছবির মেয়েটিকে ঘিরে মানুষের কৌতূহল আজও কমেনি। প্রশ্ন উঠছে—নুসরাত এখন কোথায় ?


বিজ্ঞাপন

কেমন আছেন তিনি? সেই উত্তাল দিনের স্মৃতি আজও কি তাকে তাড়িয়ে বেড়ায়? নাকি নতুন স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে চলেছেন?


বিজ্ঞাপন

সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, আন্দোলনের সময় অসংখ্য তরুণ-তরুণী নিজেদের নিরাপত্তার কথা না ভেবেই রাজপথে নেমেছিলেন।

তাদের মধ্যে নুসরাতের ছবিটি বিশেষভাবে মানুষের মনে দাগ কেটেছিল। তার চোখেমুখে ছিল প্রতিবাদের ভাষা, আর হাসিতে ছিল অদম্য আত্মবিশ্বাস।

বর্তমানে তিনি PUSAB-এর কেন্দ্রীয় সদস্য হিসেবে পরিচিত। তবে আন্দোলনের সেই দিনগুলোর অভিজ্ঞতা, ব্যক্তিগত সংগ্রাম কিংবা বর্তমান কার্যক্রম নিয়ে তিনি কী ভাবছেন—তা জানার আগ্রহ এখনো অনেকের।

বিশ্লেষকদের মতে, গণআন্দোলনের ইতিহাসে কিছু ছবি সময়ের সীমানা অতিক্রম করে প্রতীকে পরিণত হয়। নুসরাতের সেই ছবিও অনেকের কাছে ঠিক তেমনই একটি প্রতীক—যা সাহস, প্রতিবাদ এবং তরুণ প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষার প্রতিনিধিত্ব করে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবছর ৩১ জুলাই ফিরে এলে আবারও ভেসে ওঠে সেই ছবি। নতুন প্রজন্মের অনেকে জানতে চান—সেদিন তার মনে কী চলছিল? ভয়কে কীভাবে জয় করেছিলেন? কোথা থেকে এসেছিল সেই সাহস?

এক বছর পর আবারও ক্যামেরার সামনে হাসিমুখে দাঁড়ানোর একটি নতুন ছবি যেন পুরোনো স্মৃতিকে নতুন করে জাগিয়ে তুলেছে। তবে এই হাসি শুধু একজন তরুণীর ব্যক্তিগত হাসি নয়—অনেকের কাছে এটি একটি স্বপ্ন, একটি প্রত্যাশা এবং একটি প্রশ্নের প্রতিচ্ছবি।

প্রশ্নটি আজও রয়ে গেছে—যে বাংলাদেশকে ঘিরে এত স্বপ্ন, এত ত্যাগ আর এত সাহসের গল্প লেখা হয়েছিল, সেই বাংলাদেশ কি তার সন্তানদের এই হাসিমুখ ধরে রাখতে পারবে?

সময়ের উত্তর সময়ই দেবে। কিন্তু ইতিহাসের পাতায় ৩১ জুলাইয়ের সেই ছবিটি নিঃসন্দেহে তরুণদের সাহস, প্রতিবাদ এবং পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষার একটি স্মারক হয়ে থাকবে। :

👁️ 72 News Views

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *