
মোঃ মিঠু মিয়া, (গাইবান্ধা) : দৃষ্টিহীনতা বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি গাইবান্ধার তরুণ উদ্যোক্তা শরিফুল ইসলামের অদম্য পথচলায়। প্রবল ইচ্ছাশক্তি, মেধা ও কঠোর পরিশ্রমে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করে তিনি এখন নিজেই একজন উদ্যোক্তা। পাশাপাশি অসহায় পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হিসেবে পরিবারের হালও ধরেছেন তিনি।

ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব স্মল অ্যান্ড কটেজ ইন্ডাস্ট্রিজ অব বাংলাদেশ (নাসিব)-এর সদস্য শরিফুল গড়ে তুলেছেন ‘শরিফুল পেপার হাউস’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান। সেখানে পরিবেশবান্ধব খাতা ও কাগজের তৈরি কলমসহ বিভিন্ন পণ্য তৈরি করছেন তিনি।
তার এই উদ্যোগকে উৎসাহিত করতে এবং দেশীয় পরিবেশবান্ধব পণ্যের বাজার সম্প্রসারণে পাশে দাঁড়িয়েছে গাইবান্ধা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি। চলতি বছরের গাইবান্ধা চেম্বার বাণিজ্য মেলায় শরিফুল ইসলামকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে একটি স্টল বরাদ্দ দিয়েছে চেম্বার কর্তৃপক্ষ।

এতে মেলায় আসা দর্শনার্থী ও ক্রেতাদের কাছে তার পণ্যের পরিচিতি ও বিপণনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিনামূল্যে স্টল পেয়ে শরিফুল ইসলাম চেম্বার কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

শরিফুল ইসলাম বলেন, “অসহায় পরিবারের একমাত্র অবলম্বন হিসেবে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর লড়াইয়ে গাইবান্ধা চেম্বার যেভাবে আমার পাশে দাঁড়িয়েছে, তা আমার আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। ফ্রি স্টলের মাধ্যমে আমার পণ্য প্রচারের একটি বড় সুযোগ তৈরি হয়েছে।”
গাইবান্ধা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নেতৃবৃন্দ বলেন, শরিফুল ইসলামের মতো উচ্চশিক্ষিত ও অদম্য উদ্যোক্তা সমাজের জন্য অনুপ্রেরণা। ক্ষুদ্র ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন উদ্যোক্তাদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে চেম্বার ভবিষ্যতেও সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।
মেলায় শরিফুল পেপার হাউসের স্টলটি দর্শনার্থীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। তার তৈরি পরিবেশবান্ধব কাগজের কলম ও খাতা কিনে অনেকেই তার উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন।চাইলে এটিকে আরও শক্তিশালী জাতীয় দৈনিকের রিপোর্টিং স্টাইলে, অর্থাৎ শিরোনাম, উপশিরোনাম ও আরও আকর্ষণীয় লিডসহ সাজিয়ে দিতে পারি।
