পাঁচবিবিতে ফলজ গাছ কর্তণ ও উঠানের বেড়া ভেঙে ফেলার অভিযোগ

Uncategorized অপরাধ আইন ও আদালত গ্রাম বাংলার খবর বিশেষ প্রতিবেদন সারাদেশ

জয়পুরহাট প্রতিনিধি  :  জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার আওলাই ইউনিয়নের শিরতা গ্রামে এক ব্যক্তির বসতবাড়ির উঠানের বেড়া ভাঙচুর এবং ফলজ গাছ কেটে ফেলায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে ।


বিজ্ঞাপন

গত ১২ সেপ্টেম্বর (শনিবার) বিকেলে ঘটিত এই ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. শাহজাহান আলী (৩৫) বাদী হয়ে পাঁচবিবি থানায় এই অভিযোগ করেন। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন ১. মো. মজনু মিয়া (৩২), ২. মো. মনোয়ার হোসেন ওরফে মনু (৪৮), উভের পিতা মোঃ আব্দুর রহিম, ৩. মো. আব্দুর রহিম (৬৫), পিতা মৃত নছর উদ্দিন এবং ৪. মোছা. মেরিনা বেগম (৫৫), সামী মোঃ আব্দুর রহিম। অভিযুক্ত সবাই একই গ্রামের বাসিন্দা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১২ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে চারটার দিকে অভিযুক্তরা অনধিকার প্রবেশ করে বাড়ির উঠানের বাঁশের বেড়া ভেঙে ভেতরে ঢোকেন। এ সময় তারা কয়েকটি পেঁপে ও আনারের গাছ কেটে ফেলেন এবং শাহজাহানের পুরোনো বেড়া সরিয়ে সেখানে জোরপূর্বক নতুন বেড়া লাগান। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাধা দিলে তাকে পঙ্গু করা ও প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। পাশাপাশি হামলাকারীরা পরিবারের সদস্যদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন।


বিজ্ঞাপন

স্থানীয় গ্রামবাসীদের তথ্য মতে, অভিযুক্তদের এ ধরনের আচরণ নতুন নয়। এর আগেও পানি ও চলাচলের রাস্তা খোলা রাখার তাগিদ দেওয়া হলেও তারা কারও কথা তোয়াক্কা করেননি। এ বিষয়ে স্থানীয় ওয়ার্ড সদস্য মো. আবু বক্কর বলেন, “আমি ঘটনাটি জানি এবং দুই পক্ষকে ভালো আমিন এনে জায়গা মেপে যার যার সঠিক সীমানা নির্ধারণ করার পরামর্শ দিয়েছি। এবং স্থানীয় বিএনপি নেতা মো. আইনুল বলেন, শাহজাহান অত্যন্ত শান্ত স্বভাবের মানুষ।


বিজ্ঞাপন

তার সাথে যা করা হচ্ছে তা মোটেও কাম্য নয়। আমরা কোনো ঝগড়া-ঝামেলা দেখতে চাই না, এর একটি সঠিক ও ন্যায়সংগত সমাধান চাই।

অভিযোগের বিবরণে মো. রেজাউল করিম ও মো. আলামিন মন্ডল সাক্ষী হিসেবে রায়েছে। ভুক্তভোগী পরিবার এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

এদিকে অভিযুক্ত মোঃ আব্দুর রহিম বলেন আমাদের বাঁশের বেড়া সরানোর সময় তাদের পেঁপে গাছ গুলো পরে যায়।

আজ ১৫ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) পাঁচবিবি থানা পুলিশের এএসআই মো. ফিরোজ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ফলজ গাছ নষ্ট করার বিষয়ে তিনি বলেন, ফলধরা গাছ কর্তন করা একটি অন্যায় কাজ। তিনি বাদী ও বিবাদী উভয় পক্ষকে ডেকে আমিন দিয়ে জায়গাটির সঠিক মাপ নির্ধারণ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

মাপজোক সম্পন্ন হওয়ার পর পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে কেটে ফেলা একটি গাছের অংশ আলামত হিসেবে জব্দ করে থানায় নিয়ে যান।

👁️ 18 News Views

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *