
যশোর প্রতিনিধি : যশোরের ঝিকরগাছা পৌরসভার অভ্যন্তরে ৫ নং ওয়ার্ডের কীর্তিপুর গ্রামে জামায়াতে ইসলামীর মহিলা নেত্রীরা ভোট চাইতে গেলে হামলা চালিয়ে নেত্রীদের আহত করেছে বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীরা।

জানা যায় রবিবার দুপুর ১২:০০ ঝিকরগাছা পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ড কীর্তিপুর গ্রামে জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা নেত্রীরা দাঁড়িপাল্লার পক্ষে ভোট চাইতে গেলে উপজেলা যুবদলের সাধারন সম্পাদক আরাফাত রহমান কল্লোল, পিতা-আবুল হোসেননেতৃত্বে, ,আহনাফ পিতা- আরমান, আতিকুজ্জামান টিটো,পিতা- রওশন,ইনামুল রাজীব সবুজ ওরফে ডিস সবুজ, পিতা- আলী,সাফুয়ান,পিতা-আবুল খায়ের,সেতু,পিতা-তফিজুলস সোহাগ,পিতা-অজ্ঞাত সর্বসাং-কৃত্তীপুর,ঝিকরগাছা
যশোর,সহ১৫/২০ জনের একটি দল মহিলা জামাতের কর্মীদের উপর অতর্কিত হামলা করে আহত করে ও মোবাইল ভাঙচুর করে মোবাইল ছিনিয়ে নেয়।

এবিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা জামায়াতের মহিলা নেত্রী বলেন পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের কীর্তিপুর গ্রামে আমাদের মহিলা কর্মী রাফিজা, নাসিমা, কামরুন্নাহার,তুলি, বিলকিস,জোসনা সহ ১০ জনের একটি মহিলা টিম ১০দলীয় জোট মনোনীত সংসদ পদপ্রার্থী ডাক্তার মোসলেহ উদ্দিন ফরিদের দাঁড়িপাল্লার পক্ষে ভোট চাইতে গেলে সেখানে যুবদল নেতা আরাফাত রহমান কল্লোল এর নেতৃত্বে আমাদের কর্মীদের মেরে আহত করেছে ,জোসনা ও কামরুন্নাহার ডাক্তারের পরামর্শে বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

জোসনার মোবাইল ভাঙচুর করে নিয়ে গেছে ও কামরুননাহারের কাছে থাকা ভেনেটি ব্যাগ ছিনতাই করে নিয়ে গেছে।
এ ঘটনায় ঝিকরগাছা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহজালাল আলম যানান খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে উপস্থিত হয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে, পরে এ বিষয়ে ভিকটিমদের উপস্হিথিতে যশোর প্রেসক্লাবে যশোর -২(চৌগাছা -ঝিকরগাছা) আসনের সাংসদ সদস্য প্রার্থী ডা:মসলেহ উদ্দিন ফরিদ।
