ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ কথা রাখলেন পাঁচ মনোনয়ন প্রত্যাশী

Uncategorized গ্রাম বাংলার খবর জাতীয় বিশেষ প্রতিবেদন রাজনীতি সংগঠন সংবাদ সারাদেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি  :  ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন আটজন। এর মধ্যে সাতজন এক হয়ে ঘোষণা দেন যে, তাঁদের মধ্য থেকে যাকেই মনোনয়ন দেওয়া হবে তাঁর হয়ে ভোটের মাঠে সবাই একসঙ্গে কাজ করবেন।


বিজ্ঞাপন

নানা নাটকীয়তার পর জোট বাঁধা প্রার্থীদের মধ্যে সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মুশফিকুর রহমান চুড়ান্ত মনোনয়ন লাভ করেন। তিনি বাদে যে ছয়জন মনোনয়ন বঞ্চিত হয়েছিলেন তাঁদের মধ্যে পাঁচজন তাঁদের দেওয়া কথা রেখেছেন। ইতিমধ্যেই তাঁরা মুশফিকুর রহমানের পক্ষে কাজ করছেন। তাঁদের সরব উপ¯ি’তি আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জোট বাঁধা ছয়জনের মধ্যে একজন অবশ্য মুশফিকুর রহমানের পক্ষে মাঠে নামেননি। তিনি জোট ভেঙ্গে দলের আরেক মনোনয়ন প্রত্যাশীর প্রতি সমর্থন জানিয়েছিলেন। এখনো তিনি তাঁর সঙ্গে আছেন। পাশাপাশি ঢাকায় ধানের শীষের পক্ষে ভোট চেয়ে  বেড়াচ্ছে।


বিজ্ঞাপন

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উল্লেখিত আসন থেকে মোট আটজন বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন জেলা বিএনপি’র সদস্য কবির আহমেদ ভূঁইয়া, যার নেতৃত্বেই মূলত দল পরিচালিত হতো। তবে কানাডা প্রবাসী মুশফিকুর রহমান দেশে এসে মনোনয়ন দাবি করার পর চিত্র পাল্টে যায়।


বিজ্ঞাপন

মুশফিকুর রহমানের সঙ্গে জোট বাঁধেন কৃষক দলের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা নাসির উদ্দিন হাজারি, বিএনপি নেতা খন্দকার মো. বিল্লাল হোসেন, আবুল মুনসুর মিশন, নাজমুল হোসেন খন্দকার, আখাউড়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোসলেম উদ্দিন, কসবা পৌরসভার সাবেক মেয়র মোহাম্মদ ইলিয়াস।

বিল্লাল খন্দকার বাদে ছয় প্রার্থী ঘোষণা এক আয়োজনে ঘোষণা দেন যে তাদের মধ্য থেকে যে কাউকে মনোনয়ন দিলে কাজ কররেন। বিল্লাল খন্দকারও এ ঘোষণার প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেন। এক পর্যায়ে মুশফিকুর রহমান দলের মনোনয়ন পান। পরবর্তীতে কবির আহমেদ ভূঁইয়াকেও দলের পক্ষ থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

দলীয় নেতা-কর্মীরা জানান, মূলত মুশফিকুর রহমানের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন থাকায় কবির আহমেদ ভূঁইয়াকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। মুশফিকুর রহমানের নাগরিকত্ব নিয়ে জহিরুল হক চৌধুরী সংশ্লিষ্ট আদালতে অভিযোগ করলে বিষয়টি শেষ পর্যন্ত ধোপে টিকেনি। যে কারণে চুড়ান্ত মনোনয়ন তিনিই বাগিয়ে নন।

এরপর মোসলেম উদ্দিন বাদে বাকিরা কথামতো মুশফিকুর রহমানের পক্ষে কাজ শুরু করেন। বিশেষ করে নাছির উদ্দিন হাজারি সার্বক্ষণিক মাঠে থাকাটা আলোচনা বেশি হ”েছ। তিনি ও নাজমুল হোসেন মনোনয়নের অন্যতম দাবিদার ছিলেন। মোসলেম উদ্দিন কথা না রাখায় বেশ সমালোচিত হয়েছেন।

এ বিষয়ে নাছির উদ্দিন হাজারি বুধবার বিকেলে এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘দল তথা দলের প্রধান তারেক রহমানের সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। ওনার সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আমি মুশফিকুর রহমানের পক্ষে কাজ করে যাচ্ছি । আমরা ছয়জন ঘোষণাও দিয়েছিলাম যে দলের সিদ্ধান্ত মেনে কাজ করার প্রত্যায় ব্যাক্ত করেন।

👁️ 53 News Views

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *