
মোঃ সাইফুর রশিদ চৌধুরী : আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জ-২ আসনে প্রার্থীদের দাখিলকৃত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হয়েছে। আজ শনিবার জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে যাচাই-বাছাই শেষে মোট ১৩ জন প্রার্থীর মধ্যে ৬ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ এবং ৭ জনের মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, দলীয় প্রার্থীদের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কে এম বাবর, গণফোরামের শাহ মফিজ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের তসলিম হোসাইন সিকদার, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের শুয়াইব ইব্রাহিম, জাকের পার্টির মাহমুদ হাসান এবং গণ অধিকার পরিষদের দ্বীন মোহাম্মদের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে গণ্য হয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে একমাত্র এম এইচ খান মঞ্জুর প্রার্থিতা বৈধ বলে ঘোষণা করা হয়েছে।
অন্যদিকে, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে নির্বাচনী এলাকার মোট ভোটারের ১ শতাংশ সমর্থনের স্বাক্ষর জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকলেও অধিকাংশ বাতিল হওয়া প্রার্থীর ক্ষেত্রে সেই তথ্যে গরমিল পাওয়া গেছে। ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনে অসংগতি থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুজ্জামান ভূইয়া, শিপন ভূইয়া ও সিরাজুল ইসলামের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

স্বতন্ত্র প্রার্থী রনি মোল্লার ক্ষেত্রে ১ শতাংশ ভোটারের তথ্যে গরমিলের পাশাপাশি হলফনামায় মিথ্যা তথ্য প্রদানের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তার প্রার্থিতা অবৈধ হয়। এছাড়া প্রয়োজনীয় নথিপত্রের ঘাটতি থাকায় মশিউর রহমান এবং ঋণ খেলাপির অভিযোগে উৎপল বিশ্বাসের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে তারা আগামী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপিল করার সুযোগ পাবেন। আপিল নিষ্পত্তি শেষে চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করা হবে। গোপালগঞ্জ-২ আসনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের এই সিদ্ধান্তের পর নির্বাচনী এলাকায় নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ শুরু হয়েছে।
