ফরিদপুর-৪ আসনের সতন্ত্র প্রার্থীকে দু’দফায় লাঞ্চিত : অভিযোগ বিএনপি নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে

Uncategorized অপরাধ আইন ও আদালত গ্রাম বাংলার খবর জাতীয় বিশেষ প্রতিবেদন রাজনীতি সংগঠন সংবাদ সারাদেশ

ফরিদপুর প্রতিনিধি  : আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর হুমকি দিয়ে ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা-সদরপুর-চরভদ্রাসন) আসনের সতন্ত্র প্রার্থী এম এম হোসাইন ও তার সমর্থকদের দু’দফায় মারধরসহ লাঞ্চিত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে বিএনপি নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। শনিবার বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পৌরসভার কোর্টপাড় এলাকার ঘটনা।


বিজ্ঞাপন

এ ঘটনায় সতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক এনায়েত মুন্সী থানায় একটি এজাহার দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে সোস্যাল মিডিয়াসহ বিভিন্ন মহলে ব্যাপক সমালোচনা চলছে।

সতন্ত্র প্রার্থী এমএম হোসাইন জানান, সকালে ভাঙ্গা কোর্টপাড় এলাকায় অনিলদাসের মিষ্টির দোকানে মিষ্টি কিনতে যাচ্ছিলেন তিনি ও তার নেতাকর্মীরা। এসময় স্থানীয় উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক কুতুবউদ্দিন স্মরণ ও তার সহযোগী ১৫ থেকে ২০ জন বিএনপির সমর্থীত নেতাকর্মীরা তাদের ঘিরে ফেলে। পরে তারা ওই এলাকায় কোন ভোট চাইতে নিষেধ করে বিভিন্ন হুমকি দেয়। একপর্যায়ে তাকে কলার টেনে ধরে হেনস্থা করা হয়। এতে তার গায়ের জামা ছিড়ে যায়। এতে তার নেতাকর্মীরা প্রতিবাদ করলে
তাদেরকে দু’দফায় মারধর করেন বিএনপির নেতাকর্মীরা।


বিজ্ঞাপন

সতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচন কর্মী এনায়েত মুন্সী জানায়, তার নেতাকে লাঞ্চিত করার পর তাদের কয়েকজনকে বেধড়ক মারধর করেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দিয়েছেন তিনি। বিষয়টির আইনগত বিচার দাবি করেন তিনি।


বিজ্ঞাপন

অন্যদিকে অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক কুতুবউদ্দিন স্মরণ তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, স্থানীয় জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে এনায়েত মুন্সীর সঙ্গে তার ভাইদের সঙ্গে বিরোধ চলছে। সেই জেরেই সামান্য ভূলবুঝা বুঝি হয়েছে।

উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলী মোল্লা জানান, ঘটনাটি সামান্য ভূলবুঝাবুঝি ছিল মাত্র। তবে নির্বাচনের সময়তো, অনেকেই বিষয়টিতে রঙ মাখানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন।

ফরিদপুর-৪ আসনে খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান মোল্লা জানান, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির কাছে তারা কেউই নিরাপদ নয়। এ ঘটনায় নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করে জানিয়ে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত বিচার দাবি করেন।

থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুল আলিম জানান, অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টির তদন্তকার্য চলছে।

👁️ 277 News Views

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *