বদলি বাণিজ্য, রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়া ও ড্রাইভার নেতৃত্বের প্রভাব : সড়ক ও জনপথ বিভাগে নতুন বিতর্ক

Uncategorized অনিয়ম-দুর্নীতি অপরাধ আইন ও আদালত জাতীয় ঢাকা বিশেষ প্রতিবেদন রাজধানী রাজনীতি সংগঠন সংবাদ সারাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক : সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরে (সওজ) কর্মরত এক প্রভাবশালী ড্রাইভার নেতাকে ঘিরে সম্প্রতি নানা অভিযোগ ও আলোচনা শুরু হয়েছে। বিভাগ সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীর দাবি, বিগত সরকারের আমলে তিনি প্রভাব খাটিয়ে বদলি-বাণিজ্য ও প্রশাসনিক সুবিধা আদায়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।


বিজ্ঞাপন

অভিযোগ রয়েছে, সরকার পরিবর্তনের পরও ওই ব্যক্তি নিজের অবস্থান ধরে রাখতে নতুন রাজনৈতিক পরিচয়ে সক্রিয় হয়েছেন। এমনকি নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বের সঙ্গে প্রকাশ্যে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময়ের ঘটনাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত হয়েছে।

সমালোচকদের প্রশ্ন—এটি কি শুধুই সৌজন্য, নাকি ক্ষমতার ধারাবাহিকতা রক্ষার কৌশল ? বিভাগের কয়েকজন সাধারণ ড্রাইভার নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, “প্রভাবশালী নেতৃত্বের কারণে অনেক সময় সাধারণ কর্মীরা প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের বাইরে থেকে যান। বদলি বা পদায়নের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা না থাকলে ক্ষোভ তৈরি হয়।”


বিজ্ঞাপন

তবে অভিযুক্ত ড্রাইভার নেতার ঘনিষ্ঠ সূত্র দাবি করেছে, তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাদের ভাষ্য, “তিনি দীর্ঘদিন শ্রমিক রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতায় সৌজন্য সাক্ষাৎ করা অপরাধ নয়।”


বিজ্ঞাপন

প্রশাসনিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সরকারি দপ্তরগুলোতে বদলি ও পদায়ন প্রক্রিয়া পুরোপুরি ডিজিটাল ও নীতিনির্ভর না হলে এ ধরনের বিতর্ক থেকেই যাবে। তারা বলছেন, অভিযোগ থাকলে তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা উচিত।

 

বড় প্রশ্ন : বদলি ও পদায়নে স্বচ্ছতা কতটা নিশ্চিত ? শ্রমিক বা কর্মচারী সংগঠনের নেতারা প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে কতটা প্রভাব ফেলতে পারেন ? সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক পরিচয় বদলের সংস্কৃতি কেন বারবার আলোচনায় আসে?

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।

👁️ 74 News Views

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *