
দেবাশীষ রায় মধু : রাজনীতি মানে কেবল পদ-পদবি নয়; রাজনীতি মানে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়া। রাজশাহী-৬ আসনের বাঘা ও চারঘাটের প্রতিটি ধূলিকণায় আজ একটাই প্রতিধ্বনি শোনা যাচ্ছে—তৃণমূলের প্রাণপ্রিয় নেতা দেবাশীষ রায় মধু-কে আমরা বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বে দেখতে চাই।

সংগ্রাম ও সাহসিকতা: দীর্ঘ সময় ধরে জাতীয়তাবাদী আদর্শকে বুকে ধারণ করে রাজপথের প্রতিটি লড়াইয়ে তিনি ছিলেন প্রথম সারিতে। হামলা-মামলা আর শত প্রতিকূলতা যাকে দমাতে পারেনি, তিনিই তো প্রকৃত জননেতা।
সাধারণ কর্মীরা যখনই বিপদে পড়েছেন, ছায়ার মতো পাশে দাঁড়িয়েছেন দেবাশীষ রায় মধু। ড্রয়িংরুম পলিটিক্স নয়, বরং মাঠের কর্মীদের সুখ-দুঃখে একাত্ম হওয়াই তার রাজনীতির মূল ভিত্তি।

রাজশাহী-৬ আসনের তরুণ সমাজ আজ নতুন ভোরের স্বপ্ন দেখে তার হাত ধরে। একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সাহসী নেতৃত্বের যে অভাব, তা পূরণে তিনি এক অনন্য নাম।
নেতৃত্বের নতুন দিগন্ত রাজশাহীর পবিত্র মাটি থেকে উঠে আসা এই লড়াকু সৈনিককে যখন দল যোগ্য সম্মান দেবে, তখন শুধু ব্যক্তি দেবাশীষ রায় মধু নয়, বরং জয়ী হবে বাঘা-চারঘাটের প্রতিটি নিবেদিতপ্রাণ কর্মী।। নেতৃত্ব মানে আদেশ দেওয়া নয়, নেতৃত্ব মানে আগলে রাখা। আর দেবাশীষ রায় মধু আমাদের আগলে রাখার এক অতন্দ্র প্রহরী।”
>
তৃণমূলের এই দাবি আজ সময়ের দাবি। দেশনায়ক তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে এবং জাতীয়তাবাদী শক্তির পুনর্জাগরণে রাজশাহীর রাজনীতিতে তাঁর মতো ত্যাগী ও আদর্শবান নেতার কোনো বিকল্প নেই। এগিয়ে যান প্রিয় নেতা, বাঘা-চারঘাটের প্রতিটি কর্মী আপনার সাথে আছে।

