
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এর উত্তরসুরী এবং আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পুত্র ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।–ছবি সংগীত।

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় দেশের সামুদ্রিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা, সমুদ্রতথ্য আদান-প্রদান এবং সুনীল অর্থনীতির বিকাশে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
বার্তায় বলা হয়, বর্তমান বিশ্বে সমুদ্র শুধু ভৌগোলিক সীমারেখার অংশ নয়; বরং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, জ্বালানি নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, পরিবেশগত ভারসাম্য এবং কৌশলগত সক্ষমতার অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

আন্তর্জাতিক হাইড্রোগ্রাফিক সংস্থার (IHO) নির্ধারিত এবারের প্রতিপাদ্য ‘Transforming How Ocean Data is Shared’ বা ‘সামুদ্রিক তথ্য আদান-প্রদানের ধারণায় আমূল পরিবর্তন’কে সময়োপযোগী উল্লেখ করে বলা হয়েছে, আধুনিক ও নিরাপদ তথ্য ব্যবস্থাপনা সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

বক্তব্যে বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ সমুদ্রসীমাকে দেশের অর্থনৈতিক শক্তি, সার্বভৌমত্ব এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে নিরাপদ নৌপথ নিশ্চিতকরণ, সমুদ্রতলের মানচিত্র প্রণয়ন এবং উপকূলীয় উন্নয়নে হাইড্রোগ্রাফিক কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, ডিজিটাল হাইড্রোগ্রাফি, জিওস্পেশাল ডাটা ব্যবস্থাপনা এবং স্বয়ংক্রিয় তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বাংলাদেশের সামুদ্রিক খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করতে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, দক্ষ জনবল গড়ে তোলা, গবেষণা সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এ খাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এছাড়া সুনীল অর্থনীতির সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগ, প্রযুক্তিগত আধুনিকায়ন এবং তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সমুদ্রসম্পদ ব্যবস্থাপনা, বন্দর উন্নয়ন, নিরাপদ নৌ-চলাচল এবং সামুদ্রিক তথ্য অবকাঠামোর উন্নয়ন আগামী দিনের অর্থনৈতিক কৌশলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। এ কারণে হাইড্রোগ্রাফিক তথ্য ও প্রযুক্তির আধুনিকায়ন শুধু একটি কারিগরি বিষয় নয়; বরং এটি জাতীয় উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তার সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
