প্রকাশিত অভিযোগের পরও নীরব গণপূর্ত ! নির্বাহী প্রকৌশলী তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগে তদন্ত কোথায় ?

Uncategorized অনিয়ম-দুর্নীতি অপরাধ আইন ও আদালত জাতীয় ঢাকা বিশেষ প্রতিবেদন রাজধানী সারাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক  :  গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সচিব এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে এর আগে গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম-এর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল। প্রতিবেদনে সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়ন, ঠিকাদারি কার্যক্রম, কমিশন বাণিজ্য এবং প্রশাসনিক প্রভাব খাটানোর অভিযোগসহ একাধিক বিষয় তুলে ধরা হয়।


বিজ্ঞাপন

কিন্তু প্রতিবেদন প্রকাশের পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও অভিযোগগুলো তদন্তে কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের তথ্য পাওয়া যায়নি। এতে সরকারি দপ্তরে জবাবদিহি ও সুশাসন নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, প্রকাশিত প্রতিবেদনে যেসব অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছিল, সেগুলোর বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত হলে প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসতে পারত। কিন্তু অভিযোগগুলোর বিষয়ে দীর্ঘ নীরবতা জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখার পরিবর্তে প্রশাসনিক নীরবতা বজায় থাকায় অনেকেই জানতে চাইছেন—কোনো অদৃশ্য প্রভাব কি তদন্ত প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে?


বিজ্ঞাপন

বিশ্লেষকদের মতে, কোনো সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ প্রকাশিত হলে দুটি পথ খোলা থাকে—অভিযোগ মিথ্যা হলে তদন্তের মাধ্যমে তাঁকে দায়মুক্ত ঘোষণা করা, আর অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া। কিন্তু কোনোটিই না হওয়ায় বিতর্ক আরও গভীর হচ্ছে।


বিজ্ঞাপন

অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার ছিল প্রশাসনে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিশ্চিত করা। সেই প্রেক্ষাপটে গণপূর্ত অধিদপ্তরের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের একজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত অভিযোগগুলো দীর্ঘদিন অমীমাংসিত থাকা সরকারের ঘোষিত অবস্থানের সঙ্গেও সাংঘর্ষিক বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ অবস্থায় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক নেতৃত্বের প্রতি সংশ্লিষ্ট মহলের আহ্বান—পূর্বে প্রকাশিত অভিযোগগুলো অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্তের আওতায় আনা হোক। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক, আর অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে সেটিও আনুষ্ঠানিকভাবে জনসমক্ষে প্রকাশ করা হোক। কারণ নীরবতা কখনোই জবাবদিহির বিকল্প হতে পারে না; বরং তা জনমনে সন্দেহ ও অবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে তোলে।

👁️ 43 News Views

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *