প্রতিষ্ঠানে আবারও অবদান, আজীবন দাতা সদস্য হলেন সৈয়দা শারমিন আক্তার

Uncategorized ইতিহাস ঐতিহ্য গ্রাম বাংলার খবর বিশেষ প্রতিবেদন সংগঠন সংবাদ সারাদেশ সাহিত্য-সংস্কৃতি

প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের, (নোয়াখালী)  : নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বাতাকান্দি আদর্শ স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার মানোন্নয়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের সাবেক সভাপতি ও এসএফ গ্রুপের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর সৈয়দা শারমিন আক্তার প্রতিষ্ঠানটির আজীবন দাতা সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।


বিজ্ঞাপন

আজীবন দাতা সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্তির আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে নির্ধারিত তিন লাখ টাকা অনুদানের চেক সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশনের সদস্যদের উপস্থিতিতে হস্তান্তর করা হয়। এ অনুদান প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ব্যবহৃত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

সৈয়দা শারমিন আক্তার সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা, টপস্টার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং লায়ন সৈয়দ হারুন এমজেএফ-এর জ্যেষ্ঠ কন্যা। তিনি এর আগে বাতাকান্দি আদর্শ স্কুল অ্যান্ড কলেজের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। দায়িত্ব পালনকালে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রম ও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক উদ্যোগে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।


বিজ্ঞাপন

স্থানীয় শিক্ষা অঙ্গনে নারী নেতৃত্বের ক্ষেত্রেও সৈয়দা শারমিন আক্তারের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। সেনবাগ তথা নোয়াখালীর শিক্ষা ব্যবস্থায় একটি কলেজের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী অগ্রগণ্য নারী নেতৃত্বের একজন হিসেবে তিনি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে সম্পৃক্ত রয়েছেন। তাঁর নেতৃত্ব ও সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রমে গতিশীলতা এসেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।


বিজ্ঞাপন

সৈয়দা শারমিন আক্তারের আজীবন দাতা সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্তির মধ্য দিয়ে বাতাকান্দি আদর্শ স্কুল অ্যান্ড কলেজের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা আরও দৃঢ় হলো। একই সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে ব্যক্তি ও পরিবারের দীর্ঘমেয়াদি অংশগ্রহণের একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত তৈরি হয়েছে।

উল্লেখ্য, সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশনের আজীবন দাতা সদস্য কার্যক্রমের আওতায় সমগ্র সেনবাগে মোট চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একই পরিবারের ছয়জন সদস্য ইতোমধ্যে আজীবন দাতা সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে একটি পরিবারের একাধিক সদস্যের ধারাবাহিক ও স্বতঃস্ফূর্ত আর্থিক সহযোগিতা স্থানীয়ভাবে একটি অনুকরণীয় উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন শুধু প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ কিংবা শিক্ষকদের একার দায়িত্ব নয়। শিক্ষার্থী, অভিভাবক, প্রাক্তন শিক্ষার্থী, সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি এবং সংশ্লিষ্ট পরিবারের সদস্যদের সম্মিলিত অংশগ্রহণের মাধ্যমেই একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আরও সমৃদ্ধ ও কার্যকর করে তোলা সম্ভব।

সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শিক্ষার মানোন্নয়ন, প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের জন্য উন্নত ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং তাদের ভবিষ্যৎ গঠনে ব্যক্তি ও পরিবারের দায়িত্বশীল অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের উদ্যোগ সমাজের অন্যান্য ব্যক্তি, পরিবার ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদেরও নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করবে।

ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, সেনবাগের শিক্ষা ব্যবস্থার সামগ্রিক উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে তাদের শিক্ষাবান্ধব কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

সংশ্লিষ্ট মহল আশা করছে, সৈয়দা শারমিন আক্তারের মতো ব্যক্তি ও পরিবারের ধারাবাহিক সহযোগিতার মাধ্যমে বাতাকান্দি আদর্শ স্কুল অ্যান্ড কলেজসহ সেনবাগের অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও শিক্ষার পরিবেশ, অবকাঠামো ও শিক্ষার্থীবান্ধব কার্যক্রম আরও সমৃদ্ধ হবে।

👁️ 12 News Views

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *