
নামাজ পড়া নিয়ে বিরোধ, ভেঙে ফেলা হলো পুরাতন মসজিদ
মসজিদ ভাঙার দৃশ্য।

মো হাবিবুর রহমান (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় নতুন ও পুরাতন দুটি মসজিদে নামাজ আদায়কে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে মতবিরোধের জেরে পুরাতন মসজিদ ভেঙে ফেলেন গ্রামের নতুন মসজিদের পক্ষের লোকজন।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) জুমার নামাজের পর উপজেলার মনিয়ন্দ ইউনিয়নের আইড়ল গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গ্রামের নবনির্মিত ও পুরাতন দুটি মসজিদে নামাজ আদায়কে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। শুক্রবার গ্রামের উভয় পক্ষ দুটো মসজিদে পৃথকভাবে জুমার নামাজ আদায় করেছেন।

নামাজের পর নতুন মসজিদের পক্ষের লোকজন উত্তেজিত হয়ে পুরাতন মসজিদটি ভেঙে ফেলে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এর আগে আইড়ল গ্রামের পশ্চিমপাড়ার নতুন মসজিদের পক্ষের লোকজন পূর্বপাড়ার পুরাতন মসজিদের পক্ষের লোকজনের ওপর হামলা চালায়। হামলায় অন্তত কয়েকজন আহত হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কায় এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
আরও পড়ুন : দুর্গাপূজার মেলায় গিয়ে অতিরিক্ত মদ্যপান, ২ জনের মৃত্যু
দুর্গাপূজার মেলায় গিয়ে অতিরিক্ত মদ্যপান, ২ জনের মৃত্যু
খবর পেয়ে পুলিশের পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসন ও রাজনৈতিক ব্যক্তিরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সদস্য খন্দকার বিল্লাল আহমেদ সাংবাদিককে জানান, এটা মুসলিম হয়ে অমুসলিমের মতো আচরণ করা হয়েছে। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মসজিদ ভাঙা মানে আল্লাহর ঘর ভাঙা, এটা মেনে নেওয়া যায় না।
আখাউড়া থানার ওসি মো. জাবেদ উল ইসলাম জানান, দুপক্ষের মতবিরোধ থাকতে পারে। কিন্তু আল্লাহর ঘর মসজিদে হাত দিয়ে যারা ভেঙেছে, তাদের হাত ভেঙে দেওয়া হবে। আইনগত ব্যবস্থা চলমান। অপরাধীদের স্থান কারাগারে হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।
আখাউড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কফিল উদ্দিন মাহমুদ যুগান্তরকে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। তবে মসজিদ ভেঙে দেওয়াটা ঠিক হয়নি।মো হাবিবুর রহমান।
