তাসনিম খলিলের গুজব ও ব্যর্থতার উপাখ্যান সেনাবাহিনী ও জাতিসংঘকে নিয়ে মিথ্যাচার

অপরাধ আন্তর্জাতিক

আজকের দেশ ডেস্ক : তাসনিম খলিল হচ্ছে সেই ব্যক্তি, যে কিনা নিজে কখনো মূলধারার সাংবাদিকতাই করেনি। অথচ সুইডেনে গিয়ে আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থার টাকায় একটি আন্ডারগ্রাউন্ড ওয়েব পোর্টালের সম্পাদক সেজে বসে আছে।

সাংবাদিকতার ছদ্মবেশে কথায় কথায় বস্তুনিষ্ঠতার বুলি কপলায় সে। অথচ বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে হেয় প্রতিপন্ন করতে প্রতিনিয়ত মিথ্যাচার করে যাচ্ছে। এমনকি দেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীকে নিয়েও নোংরা খেলায় মেতে ওঠে সে।

প্রোপাগান্ডা মেশিন নেত্র নিউজের পাশাপাশি নিজের ফেসবুক ও ইউটিউব থেকেও সেনাবাহিনী ও জাতিসংঘ মিশন নিয়েও নিয়মিত গুজব ছড়ায় সে।

জাতিসংঘ মুখপাত্রের বরাত দিয়ে তাসনিম খলিল তার ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইল এবং নেত্র নিউজে লেখে যে, ‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দুর্নীতি এবং অবৈধ কার্যাবলী নিয়ে পূর্ণ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ।’

কিন্তু বাস্তব অর্থে জাতিসংঘের কোনো মুখপাত্র বিষয়টি নিয়ে কোনো কিছুই বলেনি। জাতিসংঘ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিষয়ে বা জাতিসংঘ মিশনে বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর কার্যক্রম নিয়ে কোনো তদন্তের কথা বলেননি।

বরং বিষয়টি নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে জাতিসংঘের মুখপাত্র বিষয়টিকে ‘বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়’ এবং কোনো অভিযোগ থাকলে তা ‘বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট বিভাগের তদন্ত করা উচিত’ বলে মন্তব্য করেছেন।

এমনকি সেনাবাহিনীকে নিয়ে আরো বিভ্রান্তিমূলক পোস্ট করেছে সে ফেসবুকে। একটি ফেসবুক পোস্টে সে লিখেছে: ‘জেনারেল আজিজকে কভার করতে গিয়ে যে জাতিসংঘের সাথে ঝামেলা লাগায় দিলা সেইটা কি ভাল হল?

তাসনিম খলিল যে অপকৌশলে খেলার চেষ্টা করেছে, তা হলো- সেনাবাহিনীর ভেতরেই একটা অস্থিরতা সৃষ্টি করার চেষ্টা।

অথচ বাংলাদেশকে নিয়ে একটা টু শব্দও করেনি জাতিসংঘ। এমনকি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনেও বাংলাদেশের কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবেই চলছে।

জাতিসংঘের পর্যবেক্ষরা আল জাজিরায় করা তাসনিম খলিলদের বানোয়াট ও আক্রোশমূলক সংবাদ সম্পর্কে ঠিকই বুঝতে পেরেছে। সে কারণেই বিষয়টি নিয়ে তারা আলোচনার প্রয়োজন অনুভব করেনি।

ফলে ব্যর্থ হয়ে বিষয়টি নিয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, মার্কিন সিনেট এবং আরও বেশ কিছু স্থানে নিজে থেকেই আল জাজিরার সেই থ্রিলার সরবরাহ করে সে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হালে পানি পায়নি সে।

তার এই অব্যাহত অপচেষ্টার মধ্যেই মার্কিন সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠকে যোগ দেন জেনারেল আজিজ।

ফলে সর্বক্ষেত্র দেখা যায়, আল-জাজিরার প্রতিবেদন বা নেত্র নিউজ এবং তাসনিম খলিল ও ডেভিড বার্গম্যান বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিয়ে কোনো নেতিবাচক ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়।