প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা  :আওয়ামী লীগ নেতা মির্জা আজমের ভাগ্নে মো: শাহাজামান খান তুহিনকে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক পদে বসানোর পাঁয়তারা চলছে ! 

Uncategorized অনিয়ম-দুর্নীতি অপরাধ আইন ও আদালত জাতীয় ঢাকা বিশেষ প্রতিবেদন রাজধানী রাজনীতি সংগঠন সংবাদ সারাদেশ

বিশেষ প্রতিবেদক  :  প্রাণিসস্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের দায়িত্বে আছেন বর্তমান গ্রেডেশন তালিকায় ১ নম্বরে থাকা কর্মকর্তা ড. মো: আবু সুফিয়ান । তত্বাবধায়ক সরকারের সময় ডিজির পদে নিয়ে়াগ প্রাপ্ত ড. মো: আবু সুফিয়ান পুর্বের ডিজি ডা: মোহাম্মদ রিয়়াজুল হক জসিমের অবসর জনিত কারণে শুন্য হওয়া পদের বিপরীতে সিনিয়র হিসাবে দায়িত্ব পেয়েছিলেন।


বিজ্ঞাপন

বিগত ১২/০২/২৫ ইং তারিখে নির্বাচনের পর বিএনপি সরকার গঠন করলে সাবেক ছাত্রদল নেতা সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে মৎস্য ও প্রাণিসস্পদ মন্ত্রণাালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব প্রদান করে বিএনপি সরকার।

নির্বাচনের ২/৩ দিন পূর্বে টুকুর নির্বাচনী এলাকায় সরকারী গাড়ীতে করে ধানের শীষ প্রতিকের কয়েকশত গেঞ্জি ও নগদ টাকা নিয়ে ক্যাস্পিং এ যান অধিদপ্তরের বিএনপিপন্থী কর্মকতা ডা: মো: আব্দুর রহিম, ডা: কবির আহম্মদ ও পরিচালক শাহাজাহান খান তুহিন।


বিজ্ঞাপন

টুকু মন্ত্রাণালয়ের দায়িত্ব নেয়ার দিন হতেই বেড়ে যায় পরিচালক তুহিনের ব্যস্ততা। তিনি বিভিন্ন পর্যায়ে তদবির শুরু করে দেন এবং সার্বক্ষনিক প্রতিমন্ত্রী টুকুর সাথে সময় দেয়া শুরু করেন। একই সাথে টুকুর ঘনিষ্ট লোকজনদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে নিজেকে ডিজি পদের জন্য উপযুক্ত প্রমাণে মরিয়া হয়ে উঠেন।


বিজ্ঞাপন

এই তুহিনের নেতৃত্বে অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয়ে় একটি সিন্ডিকেট গড়ে উঠে এবং বর্তমান ডিজিকে শিবিরের/ জামাতের লোক বলে সমাধিক প্রচার প্রচারনা শুরু করে দেয়। তাতে সফল হন তুহিন সিন্ডিকেট ।

তিনি প্রতিমন্ত্রীকে বুঝাতে সক্ষম হয়েছে যে, বর্তমান ডিজি জামাতপন্থী এবং তাকে ডিজির চেয়ারে রাখা যাবে না।অথচ: গোয়েন্দা সংস্থার রিপোট অনুযায়ী এই তুহিন পরিচালক পদে পদোন্নতির কালে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রিয় নেতা মির্জা আজমের ডিও লেটার নিয়েছিল এবং সেখানে পরিস্কারভাবে লেখা ছিল যে, তুহীন আওয়়ামী পরিবারের সদস্য। যা এসএসবির নথিতে সুস্পষ্ট উল্লেখ রয়ে়ছে। অন্যদিকে ডিজি পদের দাবীদার অপর বিএনপিপন্থী কর্মকতা বর্তমান পরিচালক প্রশাসন ডা: বয়জার রহমান। তিনি জানান, যদি ডিজি পরিবর্তন হয় তাহলে তিনিই ঐ পদের দাবীদার ।

সুত্রমতে, ডিজি পদের জন্য দৌড়ঝাপকারী তুহিনের নামে বিগত ১৫/০৩/২৬ তারিখে তার দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট কিছু অভিযোগ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর নিকট জমা দিয়েছিলেন জনৈক ঠিকাদার। উভয় অভিযোগ প্রতিমন্ত্রীর টেবিলে পড়ে রয়েছে। তিনি দীর্ঘ ২০ দিনেও সে অভিযোগটির বিষয়ে় কোন ব্যবস্থা নেন নি। পরিচালক তুহিন প্রতিমন্ত্রীকে ম্যানেজ করে নিয়েছেন বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।

প্রাণিসস্পদ অধিদপ্তরের বর্তমান গ্রেডেশন অনুযায়ী ডিজি পদের দাবীদার বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের অন্যতম সহযোগী শাহাজাহান খান তুহিন একজন জুনিয়র পরিচালক । তার উপরে আরো ২০/২২ জন কর্মকতা রয়েছেন। তবে সকলের ধারনা নির্বাচনী প্রচারে আর্থিক ভাবে সহযোগিতার বিষয়়টি বিবেচনায় নিয়ে় প্রতিমন্ত্রী হয়তো তুহিনকেই ডিজির দায়িত্বে বসাতে পারেন। উল্লেখ্য যে, গ্রেডেশন অনুযায়ী বর্তমান ডিজি-৯০১ নং সিরিয়ালে আর শাহাজামান খান তুহিন ৯৩৬ নম্বর সিরিয়ালে।

প্রাণিসস্পদ অধিদপ্তর এবং মন্ত্রনালয়ের একাধিক কর্মকতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সব সম্ভবের দেশ বাংলাদেশ। যেখানে টাকার বিনিময়ে যোগ্যতা পরিমাপ করা হয় সেখানে তুহিনের মত একজন জুনিয়র দুর্নীতি বাজ কর্মকতাকে ডিজির দায়িত্বে বসালে অবাক হওয়ার কিছুই থাকবে না।

কয়েকদিন পুর্বে ফ্যাসিস্ট সরকারের অন্যতম সহযোগী ৪ঠা আগস্টের কথিত শান্তি মিছিলের নেতৃত্ব দানকারী দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত এই তুহিনের বিষয়ে কয়ে়কটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায়় সুনির্দিষ্ট দুর্নীতির অভিযোগ প্রকাশিত হলেও মন্ত্রণালয় অজ্ঞাত কারণে কোন তদন্তের উদ্যোগ গ্রহন করেনি। এতই প্রমাণ হয় যে, ‘ডালমে কুচ কালা হায়’।

প্রাণিসস্পদ অধিদপ্তরের জাতীয়তাবাদী ঘরাণার কর্মকর্তা ও কর্মচারিরা এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

👁️ 36 News Views

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *