​ধর্ষণের ৪ ঘণ্টার মধ্যেই শ্রীঘরে আসামি : কেরানীগঞ্জ থেকে অভিযুক্ত রাজু গ্রেফতার

Uncategorized অপরাধ আইন ও আদালত খুলনা গ্রাম বাংলার খবর ঢাকা প্রশাসনিক সংবাদ বিশেষ প্রতিবেদন সারাদেশ

মোঃ সাইফুর রশিদ চৌধুরী  :  গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় ১০ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত আসামি মোরসালিন শেখ ওরফে রাজুকে (২০) মামলার মাত্র ৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।


বিজ্ঞাপন

গত বৃহস্পতিবার (৭ মে) উপজেলার নিজামকান্দি পূর্বপাড়ায় এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। পুলিশি তৎপরতায় আসামি সীমান্ত পাড়ি দেওয়ার আগেই ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে তাকে শিকলবন্দি করা হয়।

​ভিকটিম শিশুটি গোপালগঞ্জ সদর থানার বনগ্রাম এলাকার বাসিন্দা। গত ৩ মে সে কাশিয়ানীর নিজামকান্দি পূর্বপাড়ায় তার খালা জনি বেগমের বাড়িতে বেড়াতে আসে। অভিযুক্ত মোরসালিন শেখ ওরফে রাজু ওই এলাকার কালাম শেখের ছেলে। খালার প্রতিবেশী হওয়ার সুবাদে রাজুর ওই বাড়িতে নিয়মিত যাতায়াত ছিল। গত ৭ মে দুপুর ১২টার দিকে পুকুরে গোসলের প্রলোভন দেখিয়ে রাজু শিশুটিকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর পুকুর সংলগ্ন কাবুলের জমিতে নিয়ে গামছা দিয়ে মুখ বেঁধে ও হত্যার ভয় দেখিয়ে শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে শিশুটি জ্ঞান হারিয়ে ফেললে রাজু তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।


বিজ্ঞাপন

​জ্ঞান ফেরার পর ভিকটিম কোনোমতে খালার বাড়িতে ফিরে এসে ঘটনাটি জানায়। প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে দ্রুত ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল, গোপালগঞ্জে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সেখানে শিশুটির চিকিৎসা চলছে। বিষয়টি পুলিশের নজরে আসার পরপরই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর অবস্থান নেয়। ৯ মে রাত ১১:৩০ মিনিটে কাশিয়ানী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০-এর ৯(১) ধারায় একটি মামলা রুজু করা হয় (মামলা নং-১৪)।


বিজ্ঞাপন

​মামলা হওয়ার পরপরই গোপালগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) মোহাম্মদ জিয়াউল হক পিপিএম-এর দিকনির্দেশনায় বিশেষ অভিযানে নামে পুলিশ। সহকারী পুলিশ সুপার (মুকসুদপুর সার্কেল) নাফিছুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শেখ তাজউদ্দিন আহমেদ ও সাব ইন্সপেক্টর

খায়রুল বাশার প্রযুক্তির সহায়তায় আসামির অবস্থান শনাক্ত করেন। অবশেষে দিবাগত রাত ৩:১৫ মিনিটে ঢাকার কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে রাজুকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানায়, রাজু সীমান্ত দিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিল, কিন্তু পুলিশের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপে তা ব্যর্থ হয়।

​কাশিয়ানী থানা পুলিশ জানায়, অপরাধীর বিরুদ্ধে দ্রুততম সময়ে চার্জশিট দাখিলের প্রক্রিয়া চলছে। এ ধরনের জঘন্য অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করা হয়েছে এবং আসামিকে ইতিমধ্যে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত আসামি মোরসালিন শেখ ওরফে রাজুকে (২০) মামলার মাত্র ৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার (৭ মে) উপজেলার নিজামকান্দি পূর্বপাড়ায় এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। পুলিশি তৎপরতায় আসামি সীমান্ত পাড়ি দেওয়ার আগেই ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে তাকে শিকলবন্দি করা হয়।

​ভিকটিম শিশুটি গোপালগঞ্জ সদর থানার বনগ্রাম এলাকার বাসিন্দা। গত ৩ মে সে কাশিয়ানীর নিজামকান্দি পূর্বপাড়ায় তার খালা জনি বেগমের বাড়িতে বেড়াতে আসে। অভিযুক্ত মোরসালিন শেখ ওরফে রাজু ওই এলাকার কালাম শেখের ছেলে। খালার প্রতিবেশী হওয়ার সুবাদে রাজুর ওই বাড়িতে নিয়মিত যাতায়াত ছিল।

গত ৭ মে দুপুর ১২টার দিকে পুকুরে গোসলের প্রলোভন দেখিয়ে রাজু শিশুটিকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর পুকুর সংলগ্ন কাবুলের জমিতে নিয়ে গামছা দিয়ে মুখ বেঁধে ও হত্যার ভয় দেখিয়ে শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে শিশুটি জ্ঞান হারিয়ে ফেললে রাজু তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

​জ্ঞান ফেরার পর ভিকটিম কোনোমতে খালার বাড়িতে ফিরে এসে ঘটনাটি জানায়। প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে দ্রুত ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল, গোপালগঞ্জে ভর্তি করা হয়।

বর্তমানে সেখানে শিশুটির চিকিৎসা চলছে। বিষয়টি পুলিশের নজরে আসার পরপরই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর অবস্থান নেয়। ৯ মে রাত ১১:৩০ মিনিটে কাশিয়ানী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০-এর ৯(১) ধারায় একটি মামলা রুজু করা হয় (মামলা নং-১৪)।

​মামলা হওয়ার পরপরই গোপালগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) মোহাম্মদ জিয়াউল হক পিপিএম-এর দিকনির্দেশনায় বিশেষ অভিযানে নামে পুলিশ। সহকারী পুলিশ সুপার (মুকসুদপুর সার্কেল) নাফিছুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শেখ তাজউদ্দিন আহমেদ ও সাব ইন্সপেক্টর খায়রুল বাশার প্রযুক্তির সহায়তায় আসামির অবস্থান শনাক্ত করেন।

অবশেষে দিবাগত রাত ৩:১৫ মিনিটে ঢাকার কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে রাজুকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানায়, রাজু সীমান্ত দিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিল, কিন্তু পুলিশের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপে তা ব্যর্থ হয়।

​কাশিয়ানী থানা পুলিশ জানায়, অপরাধীর বিরুদ্ধে দ্রুততম সময়ে চার্জশিট দাখিলের প্রক্রিয়া চলছে। এ ধরনের জঘন্য অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করা হয়েছে এবং আসামিকে ইতিমধ্যে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

👁️ 52 News Views

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *