দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে আলীবান্দা ইকো-ট্যুরিজম স্পট  : হরিণ রাখার বেষ্টনীতে রাখা হয়েছে পাঁচটি মায়াবি চিত্রল হরিণ

Uncategorized খুলনা গ্রাম বাংলার খবর জাতীয় বিশেষ প্রতিবেদন সারাদেশ

নইন আবু নাঈম তালুকদার (শরণখোলা)  : সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের আলীবান্দায় গড়ে তোলা হয়েছে আলীবান্দা ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্র। আলীবান্দা ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্রে দর্শনার্থীদের জন্য বেষ্টনীর মধ্যে ছাড়া হয়েছে পাঁচটি মায়াবী চিত্রল হরিণ। হরিণ ছাড়ার মধ্যে দিয়ে আলীবান্দা ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্র পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বনবিভাগ ।


বিজ্ঞাপন

বনবিভাগ সূত্রে জানা যায়, শরণখোলা রেঞ্জের আলীবান্দায় ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্রে পর্যটকদের সুন্দরবনের সৌন্দর্য দেখার জন্য নির্মাণ করা হয়েছে দৃষ্টি নন্দন সুউচ্চ ওয়াচ-টাওয়ার এবং এক কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের কংক্রীটের ফুটট্রেইল। হরিণের অভাবে এতোদিন ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্রটি পুরোপুরি চালু করা যায়নি। ২৯ নভেম্বর (শুক্রবার) দুপুরে আলীবান্দা ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্রের হরিণ রাখার বেষ্টনীতে পাঁচটি মায়াবী চিত্রল হরিণ ছাড়া হয়েছে। হরিণ ছাড়ার খবরে দর্শণার্থীদের মধ্যে ব্যপক উউসাহ – উচ্ছাস দেখা দিয়েছে।

অপরদিকে স্থানীয় টুরিস্ট বোর্ড মালিকরা বলেন, আলীবান্দায় যেতে জনপ্রতি অতিরিক্ত তিনশত টাকা হারে রাজস্ব নির্ধারণ করায় পর্যটকরা আলীবান্দায় যেতে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন। পর্যটকরা করমজলের মতো ৪০ টাকা হারে রাজস্ব নির্ধারণের জন্য বনবিভাগের প্রতি দাবী জানিয়েছেন।


বিজ্ঞাপন

সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মোঃ রেজাউল করীম চৌধুরী বলেন, শুক্রবারে মায়াবী চিত্রল হরিণ ছাড়ার মধ্যে দিয়ে আলীবান্দা ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্র পর্যটকদের জন্য পুরোপুরি খুলে দেওয়া হয়েছে। রাজস্ব কমানোর জন্য পর্যটকদের দাবীর প্রেক্ষিতে বন মন্ত্রণালয়ের সাথে যোগাযোগ করা হবে বলে ডিএফও জানিয়েছেন।


বিজ্ঞাপন

উল্লেখ্য ২০২২-২৩ অর্থবছরে শুরু হওয়া এই প্রকল্পে নির্মিত হয়েছে এক কিলোমিটার দীর্ঘ ফুটট্রেইল, যেখানে হাঁটতে হাঁটতে দুপাশে সারি সারি সুন্দরী গাছের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য উপভোগ করা যাবে। এছাড়া রয়েছে ৫০ ফুট উঁচু ওয়াচ টাওয়ার, যেখান থেকে এক নজরে দেখা যাবে সুন্দরবনের নয়নাভিরাম দৃশ্য।

প্রকৃতিপ্রেমীদের সুন্দরবন ভ্রমণ আরও আকর্ষণীয় করতে আলীবান্দা ইকো ট্যুরিজম কেন্দ্রটি গড়ে তোলা হয়েছে। শরণখোলা উপজেলা সদর থেকে নদীপথে মাত্র ৪০ মিনিটের দূরত্বে হওয়ায় এটি দ্রুতই জনপ্রিয় গন্তব্য হয়ে উঠবে বলে আশা করছে বন বিভাগ ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

👁️ 34 News Views

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *