
মো হাবিবুর রহমানা, (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) : ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জনসভায় যাওয়ার পথে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত ছোয়াব মিয়ার মৃত্যুতে শোকাহত পরিবারকে সমবেদনা জানিয়েছে বিএনপি। শনিবার দুপুরে তারেক রহমানের নির্দেশে জেলার নাসিরনগর উপজেলার গোয়ালনগর ইউনিয়নের রামপুর গ্রামে তার বাড়িতে গিয়ে পরিবারকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ সমবেদনা জানান। নিহত ছোয়াব মিয়া জুলাই যোদ্ধা শহীদ ইমরানের বাবা ছিলেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অর্থনীতি বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, সিনিয়র সহসভাপতি জহিরুল হক খোকন, নাসিরনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এম এ হান্নান, সহসভাপতি আনিসুর রহমান মঞ্জু, যুগ্ম সম্পাদক আলী আজ্জম, সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান শাহীন, প্রচার সম্পাদক মো. মাহিন, সহসাংগঠনিক সম্পাদক নাসির আহমেদ, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিম মাহমুদ, সহসভাপতি মো. হানিফ মিয়া প্রমুখ।
বিএনপির নেতৃবৃন্দ প্রথমে শহীদ ইমরান ও তার বাবা নিহত ছোয়াব মিয়ার কবর জিয়ারত করে রুহের মাগফেরাত কামনা করেন। পরে তাদের বাড়িতে যান৷ সেখানে শহীদ ইমরানের মা, দাদা ও ভাইয়ের সাথে দেখা করে পরিবারকে সমবেদনা জানান। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের শোক বার্তা পৌঁছে দেন এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।

এই বিষয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় অর্থনীতি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল বলেন, আমাদের দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে আমরা শহীদ ইমরানের বাড়িতে এসেছি এবং দু:খ প্রকাশ করে সমবেদনা জানিয়েছি। তিনি বলেন, বিএনপি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর শহীদ পরিবারের পাশে সবসময় ছিল। আমরা তাদের পাশে দাঁড়াবো।

যেহেতু শহীদ ইমরানের বাবা আমাদের আমন্ত্রনে জনসভায় যাচ্ছিলেন। আমরা আমাদের দায়বদ্ধতা আরও বেশি মনে করছি। চেয়ারম্যান সাহেব আমাদের অভিভাবক, তিনি বলেছেন তার পরিবারের যে কোন প্রয়োজনে বিএনপি থাকবো।
উল্লেখ্য, গত ২২ জানুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সেই সভায় জুলাই শহীদের পিতা হিসেবে উপস্থিত হতে যাওয়ার সময় সরাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন শহীদ ইমরানের বাবা ছোয়াব মিয়া।
