অভাবের তাড়নায় ছাত্রলীগ নেতার আত্মহত্যা : রাজনৈতিক ‘অভিভাবকত্ব’ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে তীব্র আলোচনা

Uncategorized জাতীয় বিশেষ প্রতিবেদন মানবিক খবর রাজনীতি সংগঠন সংবাদ সারাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক  :  অভাব ও আর্থিক সংকটের চাপে এক ছাত্রলীগ নেতার মর্মান্তিক আত্মহত্যার ঘটনায় সামাজিক মাধ্যমে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নিহত ব্যক্তি উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।


বিজ্ঞাপন

পরিবার ও স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, নিহত ওই ছাত্রনেতা দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক সংকটে ভুগছিলেন। অভাবের তাড়নায় শেষ পর্যন্ত তিনি তার ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীসহ আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

জানা গেছে, নিহত ছাত্রনেতা রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী এক নেতার ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। এমনকি ঘটনার কিছুদিন আগেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ওই নেতার ছবি দিয়ে “প্রিয় অভিভাবক” উল্লেখ করে পোস্ট করতে দেখা গেছে তাকে।


বিজ্ঞাপন

এদিকে এই মৃত্যুর ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন – রাজনৈতিকভাবে ঘনিষ্ঠতা থাকা সত্ত্বেও একজন কর্মী কেন চরম অভাবের মধ্যে পড়ে আত্মহত্যা করতে বাধ্য হলেন? কেউ কেউ এটিকে রাজনৈতিক ‘অভিভাবকত্ব’ সংস্কৃতির ব্যর্থতা বলেও মন্তব্য করছেন।


বিজ্ঞাপন

সচেতন মহলের মতে, রাজনৈতিক কর্মীরা সংকটে পড়লে বাস্তবে অনেক সময়ই একা হয়ে পড়েন। সুদিনে কর্মীদের প্রয়োজন হলেও দুর্দিনে তাদের খোঁজ নেওয়ার নজির খুব কম।

এই ঘটনা রাজনৈতিক অঙ্গনে আত্মসমালোচনার দাবি জোরালো করেছে। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ঘটনার বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

👁️ 25 News Views

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *