
নিজস্ব প্রতিবেদক : গৃহায়ন ও গণপূর্ত অধিদপ্তর—যে প্রতিষ্ঠান রাষ্ট্রের অবকাঠামো উন্নয়নের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হওয়ার কথা, সেই প্রতিষ্ঠানকেই ঘিরে এখন ভেসে উঠছে ভয়ংকর এক অন্ধকার জগতের চিত্র।

টেন্ডার সিন্ডিকেট, কমিশন বাণিজ্য, নিয়োগ কারসাজি, রাজনৈতিক প্রভাব, গৃহপালিত সাংবাদিক চক্র এবং শত শত কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগে তোলপাড় প্রশাসনিক অঙ্গন।
দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) জমা পড়া অভিযোগপত্র, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের গোপন বক্তব্য, ভুক্তভোগী ঠিকাদারদের অভিযোগ এবং বিভিন্ন নথিপত্র ঘেঁটে উঠে এসেছে এক ভয়াবহ চিত্র।

অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী, সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ শামীম আখতার, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. বদরুল আলম খান, গণপূর্ত কাঠের কারখানা স্পেশাল ইউনিটের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জাহাঙ্গীর আলম, গণপূর্ত বিভাগ-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবীব এবং বিভাগ-৪ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাসুদুর রহমান।

অভিযোগকারীদের ভাষায়—“গণপূর্ত এখন উন্নয়নের প্রতিষ্ঠান নয়, বরং প্রভাব, কমিশন আর ভাগ-বাটোয়ারার নিয়ন্ত্রিত করপোরেট সাম্রাজ্যে পরিণত হয়েছে।”

“সুপারসিড’ করে প্রধান প্রকৌশলী, তারপর সিন্ডিকেটের উত্থান : বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরীর নিয়োগ নিয়েও রয়েছে বিস্তর বিতর্ক। অভিযোগ রয়েছে, সিনিয়র পাঁচ কর্মকর্তাকে ডিঙিয়ে তাকে প্রধান প্রকৌশলী করা হয়। অতীতে উচ্চশিক্ষার জন্য ভুয়া সনদ ব্যবহারের অভিযোগ উঠলেও রহস্যজনকভাবে তিনি দায়মুক্তি পান।
গণপূর্তের একাধিক কর্মকর্তার দাবি, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই খালেকুজ্জামান চৌধুরীকে ঘিরে গড়ে ওঠে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট, যার মূল সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করেন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. বদরুল আলম খান।
এই চক্রের নিয়ন্ত্রণে ছিল টেন্ডার বণ্টন, বদলি, পদায়ন, ঠিকাদার নিয়ন্ত্রণ এবং রাজনৈতিক যোগাযোগ। অভিযোগ রয়েছে, জাতীয় নির্বাচনের আগে বিভিন্ন প্রকৌশলী ও কর্মকর্তাদের কাছ থেকে প্রায় ৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হয়।
সেই অর্থ বিশেষ একটি রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী কার্যক্রমে ব্যবহৃত হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

বদরুল আলম খানের ‘অদৃশ্য সাম্রাজ্য’ : দুদকে জমা দেওয়া অভিযোগপত্রে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. বদরুল আলম খানের বিরুদ্ধে আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদের বিস্তর তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। ঢাকায় একাধিক ফ্ল্যাট ও প্লট, গ্রামের বাড়িতে বিলাসবহুল বাংলো, খামারবাড়ি, বিপুল ব্যাংক ব্যালেন্স—সব মিলিয়ে তিনি যেন সরকারি চাকরিজীবী নন, বরং কোনো শিল্পগোষ্ঠীর মালিক।
অভিযোগ রয়েছে, তিনি আয়কর নথিতে প্রকৃত সম্পদের তথ্য গোপন করে কর ফাঁকি দিয়েছেন। একই সঙ্গে ভোলা, চট্টগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লাভিত্তিক কিছু ঠিকাদারকে নিয়ে গড়ে তুলেছেন শক্তিশালী টেন্ডার সিন্ডিকেট ।
গণপূর্তের অভ্যন্তরীণ সূত্রগুলোর দাবি, বদরুল আলম খানের অনুমতি ছাড়া বড় কোনো কাজ অনুমোদন হতো না। নিয়োগ ও বদলি বাণিজ্যেও ছিল তার সরাসরি প্রভাব। জনপ্রতি ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা নিয়ে চাকরি দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

সাংবাদিক কাম দালাল’ : দুর্নীতি রক্ষার নতুন অস্ত্র ! সবচেয়ে আলোচিত ও ভয়ংকর অভিযোগগুলোর একটি হচ্ছে—গণপূর্তকে ঘিরে গড়ে ওঠা কথিত “গৃহপালিত সাংবাদিক কাম দালালচক্র”। গণপূর্তের একাধিক কর্মকর্তা দাবি করেছেন, এক ব্যক্তি নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিলেও বাস্তবে তিনি প্রভাবশালী কর্মকর্তাদের হয়ে দালালি করেন। অভিযোগ রয়েছে, গণপূর্তে তার নিয়মিত অফিস রয়েছে।
তিনি প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্আজামান চৌধুরী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী বদরুল আলম খান, নির্বাহী প্রকৌশলী হসান হাবীব এবং নির্বাহী প্রকৌশলী মো : মাসুদুর রহমানসহ কয়েকজন কর্মকর্তার হয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে দেনদরবার করেন, দুর্নীতির সংবাদ ঠেকানোর চেষ্টা করেন এবং বিভিন্ন অনলাইন পোর্টাল থেকে প্রতিবেদন সরিয়ে ফেলতে চাপ সৃষ্টি করেন।
তিনি কখনো নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবীব এর চাচাতো ভাই আবার কখনো মো: মাসুদুর রহমান এর মামাতো ভাই পরিচয় দিয়ে থাকেন।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের একাধিক সুত্রের দাবি তিনি নিয়ম করে কখন আহসান হাবীব এর রুমে আবার কখন মো : মাসুদুর রহমান এর রুমে নিয়মিত অফিস করছেন।
সূত্রগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী, কোনো অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে প্রথমে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিককে ভয়ভীতি দেখানো হয়, পরে অর্থের প্রস্তাব দেওয়া হয়। ব্যর্থ হলে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে হুমকি দেওয়া হয়।

ফেসবুকে একটি পোস্ট কে কেন্দ্র করে তোলপাড় ! এই চক্রকে ঘিরে নতুন বিতর্ক ছড়ায় আখতারুজ্জামান খান রকির এর ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে।
তিনি লেখেন— “গণপূর্ত অধিদপ্তরে এক সাংবাদিক নাকি কক্ষ দখল করে নিয়মিত অফিস করছেন। প্রধান প্রকৌশলীসহ অন্যান্যদের নিউজ না করার তদবির (হুমকি) করছেন সেই অফিসে বসে।” বিএনপির নাম না ভাঙালে তিনি কিছু বলতেন না, ” পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে গণপূর্তের অভ্যন্তরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
নারী সাংবাদিককে ঘিরেও বিস্ফোরক অভিযোগ :
অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, একটি ইলেকট্রনিক মিডিয়ার এক নারী সাংবাদিকের সঙ্গে বদরুল আলম খানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, তত্তাবধায়ক প্রকৌশলী মো : বদরুল আলম খান ওই সাংবাদিককে ব্যবহার করে বিভিন্ন কর্মকর্তা ও ঠিকাদারকে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায় করেছেন । তবে এ অভিযোগের স্বাধীন যাচাই সম্ভব হয়নি এবং সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

কাঠের কারখানা স্পেশাল ইউনিট : ‘কমিশন ছাড়া কাজ নয়’ : সবচেয়ে ভয়াবহ অভিযোগ উঠেছে গণপূর্তের কাঠের কারখানা স্পেশাল ইউনিটকে ঘিরে। অভিযোগের কেন্দ্রে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জাহাঙ্গীর আলম।
ভুক্তভোগী ঠিকাদারদের ভাষ্য, এই ইউনিটে এখন টেন্ডার মানেই “অগ্রিম কমিশনের খেলা”। অভিযোগ রয়েছে, কাজের এস্টিমেট আগেই পছন্দের ঠিকাদারদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হয়। বিনিময়ে নেওয়া হয় ৩ থেকে ৪ শতাংশ অগ্রিম কমিশন। এক ঠিকাদারের ভাষায়— “এখানে টেন্ডার শুধু কাগজে-কলমে হয়।
আগে টাকা, পরে কাজ।” অভিযোগ রয়েছে, জাহাঙ্গীর আলম নির্দিষ্ট কিছু ফার্নিচার কোম্পানির সঙ্গে কমিশনভিত্তিক চুক্তিতে কাজ করেন। এর মধ্যে হাতিল, পশ ফার্নিচার, রিগেল ফার্নিচার, আকতার ফার্নিচার এবং ডট ফার্নিচারের নাম উল্লেখ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
৩০০ কোটি টাকার কাজ ভাগ-বাটোয়ারার অভিযোগ :
গণপূর্তের নির্ভরযোগ্য সূত্রের দাবি, পিপিডব্লিউডি উড ডিভিশনে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার কাজ আসার পর নির্বাহী প্রকৌশলী জুবায়েরকে হুমকি ধমকি দিয়ে তত্তাবধায়ক প্রকৌশলী মো : বদরুল আলম খান মোটা অঙ্কের ঘুষের বিনিময়ে ১,৫০ কোটি টাকার কাজ জাহাঙ্গীর আলমকে গণপূর্ত কাঠের কারখানা স্পেশাল ইউনিটে বরাদ্দ দেওয়া হয়।
অভিযোগ রয়েছে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ডিপিপির আওতায় আসা প্রকল্পের কাজ কৌশলে দুই ভাগে ভাগ করা হয়, যাতে আলাদা প্রক্রিয়ায় সুবিধাভোগী ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দেওয়া যায়। এ প্রক্রিয়ায় জাহাঙ্গীর আলম ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী বদরুল আলম খান—দুজনই মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
‘খালেকুজ্জামানের ভাইয়ের নামেও টাকা তোলা’ : অভিযোগ আরও ভয়ংকর দিকে মোড় নেয় যখন সংশ্লিষ্ট সূত্র দাবি করে—বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরীর ছোট ভাই মামুনের নাম ব্যবহার করেও বিভিন্ন ঠিকাদারের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে স্বাধীনভাবে তথ্য যাচাই সম্ভব হয়নি।
শাস্তিমূলক বদলি, তারপরও ‘প্রাইজ পোস্টিং ’ ! গণপূর্তের কর্মকর্তাদের দাবি, অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে এর আগেও জাহাঙ্গীর আলমকে রাজশাহীতে শাস্তিমূলক বদলি করা হয়েছিল। কিন্তু সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ শামীম আখতারের বিশেষ আশীর্বাদে মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই তিনি আবার ঢাকায় “প্রাইজ পোস্টিং” পান।
অভিযোগ রয়েছে, শামীম আখতার ও জাহাঙ্গীর আলম একই রাজনৈতিক বলয়ের ঘনিষ্ঠ ছিলেন। সে সময় নিজেকে ছাত্রলীগের প্রভাবশালী নেতা পরিচয় দিয়ে জাহাঙ্গীর আলম উচ্চপর্যায়ে প্রভাব বিস্তার করেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
কোটি টাকার কাজ এক প্রতিষ্ঠানের ঝুলিতে : অনুসন্ধানে উঠে এসেছে ফার্নিচার কনসেপ্ট এন্ড ইন্টেরিয়র লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানের নাম। অভিযোগ অনুযায়ী, গত দুই অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটি মডেল মসজিদসহ একাধিক প্রকল্পে কোটি কোটি টাকার কাজ পেয়েছে।
নথি অনুযায়ী— ২০২৫/১৩ নং লট : ৩ কোটি ৫৩ লাখ ৪৫ হাজার ৮০২ টাকা, ২০২৫/৩ নং লট : ৩ কোটি ৩৭ লাখ ৩৭ হাজার ৯০২ টাকা, ২০২৫/৪ নং লট : ৩ কোটি ৩৭ লাখ ৩৭ হাজার ৯০২ টাকা, এছাড়া ২০২৫–২৬ অর্থবছরে— রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে ২৭ লাখ টাকা, শহীদ নায়েব সুবেদার আশরাফ আলী খান বীরবিক্রম লাইব্রেরিতে ১.৮২ কোটি টাকা, পাবলিক লাইব্রেরি বহুমুখী ভবনে প্রায় ১.৯৩ কোটি টাকার কাজ পায় প্রতিষ্ঠানটি।
বিশেষজ্ঞদের প্রশ্ন—মূল ভবনের কাজ শেষ হওয়ার আগেই কীভাবে ফার্নিচার সরবরাহের চুক্তি সম্পন্ন হয়?
তদন্ত চলমান, তবুও টেন্ডার অনুমোদন ! গণপূর্তের কয়েকজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে একটি, গণপূর্ত অধিদপ্তরে একটি এবং দুদকে একটি তদন্ত চলমান রয়েছে।
তাদের প্রশ্ন— “একজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একাধিক তদন্ত চলমান থাকার পরও তিনি কীভাবে দেড়শ কোটি টাকার টেন্ডার পরিচালনার দায়িত্ব পান?”
এ বিষয়ে সংস্থাপন শাখার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সরোয়ার জাহান বিপ্লব বলেন—“রিপোর্টটি আগেই দেওয়ার কথা ছিল। কেন দেওয়া হয়নি জানি না। আমি আবার চিঠি দেব দ্রুত রিপোর্ট দেওয়ার জন্য।”

বক্তব্য মেলেনি অভিযুক্তদের : অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. বদরুল আলম খান, নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবীব, মো. মাসুদুর রহমান এবং নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি।
তবে এর আগে প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেছিলেন— “এসব অভিযোগ সঠিক নয়। আমাকে সবাই চেনে।”
প্রশাসনিক অন্দরে বড় প্রশ্ন : প্রশাসন বিশ্লেষকদের মতে, গণপূর্ত অধিদপ্তরের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে যদি টেন্ডার সিন্ডিকেট, কমিশন বাণিজ্য, রাজনৈতিক প্রভাব ও সাংবাদিক দালালচক্রের অভিযোগ সত্য হয়ে থাকে, তবে তা শুধু প্রশাসনিক অনিয়ম নয়—রাষ্ট্রীয় উন্নয়ন কাঠামোর জন্যও মারাত্মক হুমকি।
তাদের মতে, অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ ও উচ্চপর্যায়ের তদন্ত ছাড়া প্রকৃত সত্য উদঘাটন সম্ভব নয়। এখন প্রশ্ন উঠছে—গণপূর্ত অধিদপ্তর কি উন্নয়নের প্রতিষ্ঠান, নাকি ক্ষমতা, কমিশন আর দুর্নীতির নিয়ন্ত্রিত সাম্রাজ্য?
