পূর্ব সুন্দরবনে বনরক্ষীদের অভিযান অবৈধ শুঁটকির টংঘরসহ  ধ্বংস : বিপুল পরিমাণ শুঁটকি চিংড়ি ও‌ ২ লিটার কীটনাশক উদ্ধার

Uncategorized অপরাধ আইন ও আদালত খুলনা গ্রাম বাংলার খবর জাতীয় প্রশাসনিক সংবাদ বিশেষ প্রতিবেদন সারাদেশ

নইন আবু নাঈম তালুকদার (শরণখোলা)  :  পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের চরাপুটিয়া বনাঞ্চলে বনরক্ষীদের অভিযানে তিনটি অবৈধ শুঁটকির মাছা (টংঘর) ধ্বংস করা হয়েছে। এ সময় বিপুল পরিমাণ শুঁটকি চিংড়ি, কাঁচা চিংড়ি, জাল, নৌকা, কীটনাশক ও অন্যান্য সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।


বিজ্ঞাপন

বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পূর্ব সুন্দরবন বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের এসিএফ দীপন চন্দ্র দাসের নেতৃত্বে বনরক্ষীরা বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সন্ধ্যায় চরাপুটিয়া টহল ফাঁড়ির আওতাধীন কাগা খাল, ইন্দুরকানী খাল ও হরমাল খাল সংলগ্ন দুর্গম বনাঞ্চলে অভিযান চালায়।

এসময় বনরক্ষীরা তিনটি অবৈধ শুঁটকি মাছা (টংঘর) শনাক্ত করেন। হরমাল খালের ভেতরে একটি টংঘর থেকে ২ বস্তা শুকনা চিংড়ি এবং ৫ বস্তা শুঁটকি তৈরির জন্য রাখা তাজা চিংড়ি জব্দ করা হয়। এছাড়া ২টি জেলে নৌকা, ২টি টানা জাল, ২ লিটার বিষাক্ত কীটনাশক এবং ৩ বস্তা চালসহ বিভিন্ন সামগ্রী উদ্ধার করা হয়।
বনরক্ষীদের উপস্থিতি টের পেয়ে জেলেরা সুন্দরবনের গভীরে পালিয়ে যায়। পরে বনরক্ষীরা অবৈধ টংঘরগুলো ভেঙে ধ্বংস করে দেয়।


বিজ্ঞাপন

ওই অভিযানের পর সুন্দরবনের একটি খাল থেকে কাঁকড়া ধরার কাজে ব্যবহৃত একটি অবৈধ চারু-বোঝাই নৌকা জব্দ করে বনরক্ষীরা। নৌকায় থাকা জেলেরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও নৌকা থেকে ৯৫টি চারু উদ্ধার করা হয়।


বিজ্ঞাপন

পূর্ব সুন্দরবন বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, বর্তমানে সুন্দরবনে তিন মাসের জন্য মাছ আহরণে নিষেধাজ্ঞা বলবৎ রয়েছে। কিন্তু এক শ্রেণির অসাধু জেলে গোপনে সুন্দরবনের দুর্গম এলাকায় প্রবেশ করে অনৈতিকভাবে মাছ ধরার কার্যক্রম চালাচ্ছিল।

তিনি আরও জানান, সুন্দরবনে অবৈধভাবে প্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

👁️ 13 News Views

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *