
বিশেষ প্রতিবেদক : গণঅভ্যুত্থানের প্রায় দুই বছর অতিবাহিত হলেও সরকারি প্রতিষ্ঠান বিসিক ফ্যাসিবাদের দোসর মুক্ত হয়নি। ফ্যাসিবাদের দোসররা ভোল পাল্টে এখনো অনেকে গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত রয়েছেন। তারা এতটাই শক্তিশালী যে শিল্প মন্ত্রী এবং শিল্প সচিবের লিখিত নির্দেশনা অবলীলায় গায়েব করে দেয়ার ক্ষমতা রাখেন। যেমনটি ঘটেছে শিল্প মন্ত্রীর ০১/০৬/২০২৬ তারিখের লিখিত নির্দেশনা মোতাবেক তদন্ত কাজ সম্পাদন করে ১০/০৬/২০২৬ তারিখে মন্ত্রীকে অবহিত করার ক্ষেত্রে। তারা শক্তিশালী সিন্ডিকেট গঠন করে নিজেদের অধীনে রেখেছেন। তাদের ব্যাপারে ব্যাবস্থা উদ্যোগ নিলে তা ভন্ডুল বা বাতিল করার ক্ষমতা তাদের রয়েছে- যা বার বার প্রমাণ তারা দিয়ে যাচ্ছেন এভাবেই চলছে বিসিক এ ফ্যাসিবাদের দোসরদের সীমাহীন দৌরাত্ম।

পিডি মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান : মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান বিসিক ক্যামিকেল শিল্প পার্ক, মুন্সীগঞ্জ প্রকল্পের পূর্ণকালীন প্রকল্প পরিচালক হিসাবে নিয়োগপ্রাপ্ত বিধায় তিনি সার্বক্ষণিক প্রকল্প এলাকায় অবস্থানের এবং অন্য কোন দায়িত্ব প্রদান না করার বিষয়ে সরকারী নির্দেশনা আছে। তাছাড়া তার বিরুদ্ধেএকাধিক তদন্ত কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না করে ভুয়া বিল ভাউচার দাখিলের মাধ্যমে প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ, টেন্ডারে অনিয়ম, ভুয়া বিল ভাউচারের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা সরকারী অর্থ আত্মসাৎ, স্বীয় অপকর্ম আড়াল করার জন্য প্রকল্পের হিসাব সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বহি, ক্যাশ বহি, ডেবিট/ক্রেডিট ভাউচার, জাবেদা ভাউচার হিসাব রক্ষকের পরিবর্তে নিজের হাতে লিখা, এখতিয়ার বহির্ভুত কার্যক্রমের মাধ্যমে/ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রকল্প বিভাগের ভারপ্রাপ্ত মহাব্যবস্থাপক রাশেদুর রহমান এর সহায়তায় বিসিক টাংগাইল শিল্প পার্কের মাটি ভরাট কাজ নিজের পছন্দের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মতিন কনষ্ট্রকশনকে পাইয়ে দেয়ার বিনিময়ে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ গ্রহণ,অবৈধভাবে অর্থ উপার্জনের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ ভিত্ত ভৈববের মালিক হওয়ার, নারী ঘটিত কেলেংকারী, প্রকল্পের গাড়ী নারী বান্ধবীর ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার, ফ্যাসিবাদের দোসরদেরকে এখনও অর্থ সহায়তা প্রদান, সাবেক ডিবি প্রদান হারুন ষ্টাইলে দক্ষতা ও প্রযুক্তি বিভাগে হাফিজ ভাতের হোটেল চালু করণ এবং সরকারী দপ্তরে অসন্তোষ সৃষ্টির মতো গুরুতর অভিযোগ থাকার পরেও বিসিক চেয়ারম্যান সরকারী আইন অমান্য করে তাকে প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বিসিকের দক্ষতা ও প্রযুক্তি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত মহাব্যবস্থাপকের দায়িত্বে নিয়োজিত রেখেছেন। ভারপ্রাপ্ত মহাব্যবস্থাপকের দায়িত্বে নিযুক্তি লাভের পর দক্ষতা ও প্রযুক্তি বিভাগকে করেছেন কর্মচারী শুন্য বিভাগে। অনুমোদিত সেটআপ অনুযায়ী উক্ত বিভাগে কর্মরত থাকার কথা ৩য় শ্রেনীর ১২ জন এবং চতুর্থ শ্রেনীর ৫ জন কর্মচারী। বর্তমানে ১৭ জনের বিপরীতে কর্মরত আছে ৪র্থ শ্রেনীর একজন কর্মচারী। মহাব্যবস্থাপকের দায়িত্ব প্রাপ্তির পর বিসিক চেয়ারম্যানকে ম্যানেজ করে ২ জন ৩য় শ্রেনীর কর্মচারীকে একটি আদেশে বদলীর আদেশ জারী করিয়ে বদলীর আদেশ জারীর তারিখে অব্যাহতি আদেশ প্রদান করেন। তার এ ধরনের কাজে সুস্পষ্টভাবে প্রমাণ করে তিনি একজন কর্মচারী বিদ্বেষী মনোভাবাপন্ন কর্মকর্তা এবং দাপ্তরিক কাজ সম্পাদনে তার অসৎ উদ্দ্যেশ্য রয়েছে। নিষিদ্ধ ঘোষিত ফ্যাসিবাদী দলের সমর্থক এবং দোসর হিসাবে প্রমাণস্মরূপ একাধিক স্থির চিত্র এবং ফেইসবুক পোষ্টের কপি বিসিক চেয়ারম্যান এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবরে দাখিল করা হলেও ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না।
জিএম প্রকল্প মোহাম্মদ রাশেদুর রহমান : মোহাম্মদ রাশেদুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত জিএম প্রকল্প বাস্তবায়ন ও ব্যবস্থাপনা বিভাগ, বিসিক, ঢাকা ছাত্রলীগ বুয়েট শাখা এর সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালনকারী ফ্যাসিবাদের অন্যতম সমর্থক, বিসিকের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর টেন্ডার সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রক, ফ্যাসিবাদের অন্যতম দোসর, প্রকল্প বিভাগের ভারপ্রাপ্ত মহাব্যবস্থাপক রাশেদুর রহমান এর সহায়তায় বিসিক টাংগাইল শিল্প পার্কের মাটি ভরাট কাজ নিজের পছন্দের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মতিন কনষ্ট্রকশনকে পাইয়ে দেয়ার বিনিময়ে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ গ্রহণ,এখতিয়ার বহির্ভুত কার্যক্রমের মাধ্যমে/ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ ভিত্ত ভৈববের মালিক হওয়ার, ফ্যাসিবাদের দোসরদেরকে এখনও অর্থ সহায়তা প্রদান এবং সরকারী দপ্তরে অসন্তোষ সৃষ্টির মতো গুরুতর অভিযোগ থাকা এবং ভারপ্রাপ্ত মহাব্যবস্থাপকের দায়িত্বে নিযুক্তি লাভের পর প্রকল্প বাস্তবায়ন ও ব্যবস্থাপনা বিভাগকে করেছেন কর্মচারী শুন্য বিভাগে।

অনুমোদিত সেটআপ অনুযায়ী উক্ত বিভাগে কর্মরত থাকার কথা ৩য় শ্রেনী ও ৪র্থ শ্রেনীর কর্মচারী কর্মরত থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে উক্ত বিভাগে শুধুমাত্র দুইজন ৪র্থ শ্রেনীর কর্মচারী কর্মরত আছে, ৩য় শ্রেনীর কোন কর্মচারী কর্মরত নেই। তার এ ধরনের কাজে সুস্পষ্টভাবে প্রমাণ করে তিনি একজন কর্মচারী বিদ্বেষী মনোভাবাপন্ন কর্মকর্তা এবং দাপ্তরিক কাজ সম্পাদনে তার অসৎ উদ্দ্যেশ্য রয়েছে। নিষিদ্ধ ঘোষিত ফ্যাসিবাদী দলের সমর্থক এবং দোসর হিসাবে প্রমাণস্মরূপ একাধিক স্থির চিত্র এবং ফেইসবুক পোষ্টের কপি বিসিক চেয়ারম্যান এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবরে দাখিল করা হলেও ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না।

ভারপ্রাপ্ত নিয়ন্ত্রক মোঃ মাহবুবুর রহমান : মোঃ মাহবুবুর রহমান ভারপ্রাপ্ত নিয়ন্ত্রক, হিসাব ও অর্থ ফ্যাসিবাদের অন্যতম সমর্থক, অধীনস্থ ডিসিএ বিল মারুফ হাসান এবং এসিএ বিল আরিফ আলমগীরের মাধ্যমে অবৈধভাবে অর্থ সংগ্রহ করার মাধ্যমে বিসিকের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদেরকে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করে আসছেন।
ইংরেজী সাহিত্যে মাষ্টার্স ডিগ্রীধারী ব্যক্তিকে হিসাব ও অর্থ বিভাগের নিয়ন্ত্রকের দায়িত্বে নিয়োজিত রাখার কারণে তিনি নিজে থেকে কোন বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত দেয়া বা নেয়ার ক্ষমতা রাখেন না। তিনি নির্ভর করেন অধীনস্থ ডিসিএ বিল মারুফ হাসান এবং এসিএ বিল আরিফ আলমগীরের উপর। এ দুইজনের মতের বাইরে তিনি কোন কাজ করার ক্ষমতা সংরক্ষণ করেন না। তাছাড়া ফ্যাসিবাদের দোসরদের সাথে যোগাযোগ এবং অর্থ সহযোগিতা প্রদানের অভিযোগ রয়েছে। নিষিদ্ধ ঘোষিত ফ্যাসিবাদী দলের সমর্থক এবং দোসর হিসাবে প্রমাণস্মরূপ একাধিক স্থির চিত্র
প্রধান নিরীক্ষা কর্মকর্তা মোঃ সাবধান আলী : মোঃ সাবধান আলী বিসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নিরীক্ষা কর্মকর্তা, যিনি ফ্যাসিবাদের অন্যতম সমর্থক এবং দোসর। যিনি সরকারী বিধি বিধান অগ্রাহ্য করে কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণকে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করণ এবং সরকারী নিয়ম নীতির ভুল ব্যাখ্যা, অপব্যাখ্যা প্রদানের মাধ্যমে ইচ্ছাকৃতভাবে সরকারী দপ্তরে অসন্তোষ সৃষ্টির সার্বক্ষণিক অপচেষ্টায় লিপ্ত। তার বিরুদ্ধে অবসর গ্রহণকারী, মৃত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের চূড়ান্ত দেনা পাওনা পরিশোধে মাত্রাতিরিক্ত কালক্ষেপনের মাধ্যমে মানসিক অশান্তি তৈরী এবং অমানবিক আচরণের অভিযোগ রয়েছে। ২০২৪ সালের জানুযারী মাসে মৃত ব্যক্তির মনোনীত ব্যক্তিরা (সন্তানরা) অদ্যাবধি সিপিএফ এবং গ্রাচুইটির প্রাপ্য অর্থ পাননি। ২০২৪ সালে অবসরে গমনকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তাদের সিপিএফ এবং গ্রাচুইটির অর্থ পাননি। তার নিয়োগ লাভের ক্ষেত্রে পরীক্ষায় পাস মার্ক না পাওয়ার পরেও ফ্যাসিবাদের ক্ষমতাসীন সময়ের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তি মাহবুবুল আলম হানিফের প্রভাবে চাকুরী লাভ, চাকুরীতে যোগদান বিষয়ে বিতর্ক বিরাজমান। এখতিয়ার বহির্ভুতভাবে সরকারের জারীকৃত এস,আরও, সরকারী প্রজ্জাপন, সরকারী আদেশ, বিসিক পরিচালক পর্ষদের সভার সিদ্ধান্ত অবমাননা করা বা অগ্রাহ্য করা তার নিত্য নৈমিত্তিক অভ্যাসে পরিণত হয়ে দেখা দিয়েছে। উক্ত ব্যক্তির কর্মকান্ডের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার এবং ফ্যসিবাদী মনোভাব পোষণের বিষয়ে প্রতিনিয়ত বিসিক কর্তৃপক্ষ তথা বিসিক চেয়ারম্যানের কাছে এবং মন্ত্রণালয়ের উর্ধতন কর্মকর্তার কাছে মৌখিক এবং লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়ে আসছে এমনকি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে স্বৈরাচারী কায়দায় কর্মকর্তা ও কর্মচারীদেরকে ক্ষতিগ্রস্থ করণের বিষয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।
ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপক মোঃ মেরাজ উদ্দিন : মোঃ মেরাজ উদ্দিন, ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপক (মূল পদবীঃ উপ-ব্যবস্থাপক) ঢাকা (সাংবাদিকের লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য শিল্প মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা বাস্তবায়নের অংশ হিসাবে বিসিক জেলা কার্যালয় টাংগাইলে সদ্য যোগদানকৃত) ২০২৪ সালের গণআন্দোলনে পতিত ফ্যাসিবাদী দলের অন্ধ সমর্থক, ফ্যাসিবাদের দোসর অন্যতম সাবেক ডিবি প্রধান হারুন ঘনিষ্ঠ হওয়ার সুবাদে হেন অপকর্ম নেই যা তিনি করেননি। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে আর্থিক শৃংখলা ভংগ (বিসিকের আবাসন কোয়ার্টারে অবস্থান করে বাসা ভাড়া বকেয়া রেখে যথারীতি বেতন বিলের সাথে বাড়ী ভাড়া ভাতা গ্রহণ করেছেন। বকেয়া আবাসন কোয়ার্টার এর ভাড়া বাবদ প্রাপ্য অর্থের পরিমাণ প্রায় ১৪ লক্ষ টাকা, অফিস চলাকালীন সময়ে অফিসে খেলাধুলার আয়োজন করা (বিষয়টির ব্যাপারে সংবাদ পত্রে বহু আগে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, পরবর্তীতে ১৮ জুন ২০২৬ তারিখে তিনি ফেইসবুকে পোষ্ট দিয়ে বিষয়টি স্বীকার করেছেন), ডিজিটাল হাজিরা জালিয়াতি, অনিয়মিত অফিসে উপস্থিতি, সাংবাদিক সমাজকে কটাক্ষ করে ফেইসবুক পোষ্ট দেয়া, ফেইস বুক পোষ্টের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ফিরে আসার ব্যাপারে ইংগিতপূর্ণ পোষ্টের মাধ্যমে ভয়ভীতি প্রদর্শন। বে-আইনী কার্যক্রমের বিষয়ে একাধিকবার সংবাদ পত্রের সংবাদ শিরোনাম হয়েছেন।
আইন কর্মকর্তা মোঃ আকতার হোসেন দিদার : মোঃ আকতার হোসেন দিদার, আইন কর্মকর্তা, আইন সেল, বিসিক ঢাকা ফ্যাসিবাদের অন্যতম অন্ধ সমর্থক এবং দোসর পিতা শেখ মুজিবের কবর জিয়ারত, পিতার প্রতিকৃতিতে ফুল দান, ধানমন্ডি ৩২ এ ফুল প্রদানের ছবিতে চিহ্নিত ব্যক্তি, ২০১৮ সাল থেকে বিসিকের আইন সেলে কর্মরত থেকে অবৈধভাবে অর্থ উপার্জন করে ঢাকা শহরে প্রতিটি কোটি টাকার উপরে মুল্যের দুইটি ফ্ল্যাট ক্রয় করেছেন। আদালতের আদেশ ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে বিসিক এবং বিসিকের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদেরকে ক্ষতিগ্রস্থ করে অবৈধ অর্থ উপার্জনের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে ফ্যাসিবাদী রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সমর্থক বিসিক আইনজীবি প্যানেলের আইনজীবিদের সাথে বর্তমানেও নিবিড় যোগাযোগ আছে, আরো অভিযোগ আছে ফ্যাসিবাদের সমর্থকদের সাথে এখনো নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে চলার অভিযোগ রয়েছে।
মাহবুব আলম আইনসেল কর্মকর্তা : মাহবুব আলম, আইন কর্মকর্তা, আইন সেল, বিসিক ঢাকা ফ্যাসিবাদের অন্যতম একজন ফ্যাসিবাদী রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সময়কালের সাবেক শিল্প মন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুনের সুপারিশে/তদবীরে চাকুরী লাভ করেছেন। ফ্যাসিবাদের অন্যতম অন্ধ সমর্থক এবং দোসর পিতা শেখ মুজিবের কবর জিয়ারত, পিতার প্রতিকৃতিতে ফুল দান, ধানমন্ডি ৩২ এ ফুল প্রদানের ছবিতে চিহ্নিত ব্যক্তি, ২০২১ সাল থেকে বিসিকের আইন সেলে কর্মরত আছেন। আদালতের আদেশ ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে বিসিক এবং বিসিকের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদেরকে ক্ষতিগ্রস্থ করে অবৈধ অর্থ উপার্জনের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে ফ্যাসিবাদী রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সমর্থক বিসিক আইনজীবি প্যানেলের আইনজীবিদের সাথে বর্তমানেও নিবিড় যোগাযোগ আছে, আরো অভিযোগ আছে ফ্যাসিবাদের সমর্থকদের সাথে এখনো নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে চলার অভিযোগ রয়েছে।
বিসিকের কর্মকৌশল নির্ধারিত হয় বিসিক প্রধান কার্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদ এবং বিভাগীয় প্রধানদের গৃহীত নীতি নির্ধারণের মাধ্যমে। নিষিদ্ধ ঘোষিত ফ্যাসিবাদী রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের চিহ্নিত ফ্যাসিবাদের দোসরদেরকে বিসিক প্রধান কার্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ/শাখায় বহাল তবিয়তে রেখে ক্ষমতাসীন বিএনপি-র নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বিসিক সংশ্লিষ্ট অংশ বাস্তবায়ন কোনমতেই সম্ভব নয়। নিষিদ্ধ ঘোষিত ফ্যাসিবাদী রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের চিহ্নিত দোসররা বিসিক প্রধান কার্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ/শাখায় বহাল তবিয়তে থেকে সঠিক কর্মকৌশল নির্ধারণের বেলায় নেতিবাচক ভুমিকায় অবতীর্ণ হয়ে ক্ষমতাসীন বিএনপি-র নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বিসিক সংশ্লিষ্ট অংশ বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা তৈরী করে সরকারের কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টায় লিপ্ত আছে এবং আগামীতে থাকবে-এটাই বাস্তবতা।
ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকারের নির্বাচনী ইস্তেহারে উল্লিখিত প্রতিশ্রুতির বিসিক সংশ্লিষ্ট অংশ বাস্তবায়নকল্পে ফ্যাসিবাদের চিহ্নিত দোসরকে অনতিবিলম্বে বিসিক প্রধান কার্যালয় হতে ঢাকার বাইরে বদলী করে বিসিক প্রধান কার্যালয়ে ফ্যাসিবাদমুক্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়টি সময়ের দাবী।
