
নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রফেশনাল ফটোগ্রাফি মানেই শুধু প্রফেশনাল ক্যামেরা এই ধারণা বদলে দিতে সবসময় এগিয়ে থাকে ভিভো। মোবাইল ফটোগ্রাফিতে নতুনত্ব আনার ধারাবাহিকতায় এবার আসছে ফ্ল্যাগশিপ ভিভো এক্স৩০০ গ্রো, যা টেলিফটো ইমেজিংকে নিয়ে যাবে নতুন উচ্চতায়। দূরের ছবি ঝাপসা হওয়া, কম আলোতে ডিটেইল হারানো, কিংবা সামান্য হাতের মুভমেন্টে ফ্রেম নষ্ট হওয়ার মতো সীমাবদ্ধতা দূর করতে জাইসের সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি হয়েছে এর শক্তিশালী টেলিফটো লেন্স।

ভিভো এক্স৩০০ প্রো-তে প্রধান আকর্ষণ হিসেবে আসছে ২০০ মেগাপিক্সেল জাইস এপিও টেলিফটো ক্যামেরা। এতে ব্যবহৃত হাই-এন্ড প্রফেশনাল এপিও লেন্স কালার বিভ্রান্তি বা ঝাপসা হওয়া নিয়ন্ত্রণ করে স্বচ্ছতা বাড়ায় এবং দূরের দৃশ্যেও দেয় পরিষ্কার, শার্প ডিটেইল। ফলে ট্রাভেল, ওয়াইল্ডলাইফ, পোট্রেট বা স্পোর্টস যে কোনো পরিস্থিতিতেই ছবিতে থাকবে নিখুঁত শার্পনেস ও স্বাভাবিক রঙ।
ভিভো এক্স৩০০ প্রো-তে থাকছে উন্নত স্ট্যাবিলাইজেশন প্রযুক্তি এবং একটি ডুয়াল প্রো ইমেজিং চিপ। এই বিশেষ সমন্বয় টেলিফটো শুটিংয়ে দারুণ স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করবে। ফলে, সামান্য হাতের নড়াচড়াতেও ফ্রেম নষ্ট হবে না। কারণ উন্নত স্ট্যাবিলাইজেশন সিস্টেম ক্যামেরাটিকে স্থিরভাবে ধরে রাখবে। লেন্সের বিশেষ কোটিং অতিরিক্ত আলো কমিয়ে আরও পরিষ্কার আউটকাম এনে দেবে। পাশাপাশি, ক্যামেরার সেন্সর ও প্রসেসর দ্রুত ফোকাস এবং মুভমেন্ট দক্ষতার সঙ্গে হ্যান্ডল করে চলন্ত শটের মুহূর্তগুলোও নিখুঁতভাবে তুলে ধরবে।

ভিভো এক্স৩০০ প্রোতে থাকবে নতুন ও আপগ্রেডেড অরিজিন ৬এস ৬, যা প্রতিদিনের কাজকে করবে আরও সহজ এবং মুখ। নতুন এই অপারেটিং সিস্টেমে দ্রুত ও মসৃণ পারফরম্যান্সের জন্য থাকবে স্কুথ ইঞ্জিন, উন্নত ইউজার ইন্টারফেস সুবিধা।

প্রিমিয়াম ফিল পাওয়া যাবে ফোনের ডিজাইনেও। ৭.৯৯ মিমি এর মিনিমালিস্ট, সিমেট্রিক ও আধুনিক ডিজাইনে ডিউন ব্রাউন ও ফ্যান্টম ব্ল্যাক- এই দুই প্রিমিয়াম কালারে বাজারে আসছে এক্স৩০০ প্রো।
সব মিলিয়ে, ভিভো এক্স৩০০ প্রো -কে ঘিরে প্রত্যাশা বেড়েই চলেছে আর অপেক্ষার পালাও প্রায় শেষ।। ভিভো বলছে, এটি শুধু একটি নতুন ফ্ল্যাগশিপ নয় বরং মোবাইল ইমেজিংয়ের নতুন মানদন্ড স্থাপন করবে। এক কথায়, ভিভোর এই নতুন উদ্ভাবন প্রতিটি ব্যবহারকারীকে দিবে তাদের সবচেয়ে আকর্ষণীয় গল্পটি আরও নিখুঁতভাবে তুলে ধরার সুযোগ।
ভিভো প্রসঙ্গে : ভিভ্যে একটি প্রযুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠান যা মানুষের চাহিদাকে প্রাধান্য দিয়ে স্মার্ট ডিভাইস ও ইন্টেলিজেন্ট সার্ভিসের মাধ্যমে পণ্য উৎপাদন করে। মানুষ আর ডিজিটাল ওয়ার্কের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করাই প্রতিষ্ঠানটির উদ্দেশ্য। অনন্য সৃজনশীলতার মাধ্যমে ভিভো ব্যবহারকারীদের হাতে যথোপযুক্ত স্মার্টফোন ও ডিজিটাল আনুষাঙ্গিক তুলে দিচ্ছে। প্রতিষ্ঠানের মূল্যবোধকে অনুসরণ করে ভিভো টেকসই উন্নয়ন কৌশল বাস্তবায়ন করেছে। সমৃদ্ধ ও দীর্ঘস্থায়ী বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান হওয়াই যার ভিশন।
স্থানীয় মেধাবী কর্মীদের নিয়োগ ও উন্নয়নের মাধ্যমে শেনজেন, ডনগান, নানজিং, বেজিং, হংঝ, সাংহাই, জিয়ান, তাইপে, টোকিও এবং সান ডিয়াগো এই ১০টি গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্রে (আরএন্ডডি) কাজ করছে ভিভো। যা সেট-অফ-দ্য-আর্ট কনজ্যুমার টেকনোলজির উন্নয়ন, ফাইভজি, আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডিজাইন, ফটোগ্রাফি এবং আসন্ন প্রযুক্তির ওপর করে যাচ্ছে। চীন, দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় ভিভোর পাঁচটি প্রোডাকশন হাব আছে (ব্র্যান্ড অথোরাইজড ম্যানুফ্যাকচারিং সেন্টারসহ। যেখানে বছরে প্রায় ২০০ মিলিয়ন স্মার্টফোন বানানোর সামর্থ্য আছে। এখন পর্যন্ত ৬০টিরও বেশি দেশে বিক্রয়ের নেটওয়ার্ক আছে ভিভোর এবং বিশ্বজুড়ে ৫০০ মিলিয়নের বেশি ভিভো স্মার্টফোন ব্যবহারকারী রয়েছে।
