পূর্বাচল প্লট দুর্নীতির মামলায় আসামিরা নির্বিঘ্নে পুলিশের নাকের ডগায় ঘুরে বেড়াচ্ছে: *হাসিনা, : টিউলিপ,জয় ও আজমিনা সহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে যুক্তিতর্কের শুনানি ১৩ জানুয়ারি

Uncategorized অনিয়ম-দুর্নীতি অপরাধ আইন ও আদালত জাতীয় ঢাকা প্রশাসনিক সংবাদ বিশেষ প্রতিবেদন রাজধানী রাজনীতি সংগঠন সংবাদ সারাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক  :  রাজউকের প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিকসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে করা মামলায় যুক্তিতর্কের শুনানির জন্য আগামী ১৩ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।


বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক রবিউল আলমের আদালত এই তারিখ ধার্য করেন।

দুদকের কৌঁসুলি জহিরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, এ মামলাটির আসামিদের পক্ষে সাফাই সাক্ষীর জন্য দিন ধার্য ছিল। এ মামলায় কারাগারে থাকা একমাত্র আসামি খুরশীদ আলমের পক্ষে সাফাই সাক্ষী দেন। তবে অন্য আসামিরা পলাতক থাকায় সেই সুযোগও পাননি।


বিজ্ঞাপন

আগামী ১৩ জানুয়ারি যুক্তিতর্কের শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন আদালত। এ মামলায় ৩১ জনের সাক্ষী সবাই আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেছেন।


বিজ্ঞাপন

ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়মের মাধ্যমে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ১০ কাঠা প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে গত বছরের ১৩ জানুয়ারি আজমিনা সিদ্দিকের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদকের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া।

মামলায় টিউলিপ ও শেখ হাসিনাসহ ১৬ জনকে আসামি করা হয়। তদন্ত শেষে গত বছরের ১০ মার্চ আরও দুই আসামিসহ মোট ১৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন আফনান জান্নাত কেয়া।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সহকারী সচিব পুরবী গোলদার, অতিরিক্ত সচিব অলিউল্লাহ, সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যানের পিএ মো. আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক সদস্য মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, তন্ময় দাস, মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, মেজর (ইঞ্জি.) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী (অব.), সাবেক পরিচালক মো. নুরুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক মাজহারুল ইসলাম, পরিচালক কামরুল ইসলাম, উপ-পরিচালক নায়েব আলী শরীফ, পরবর্তীতে যুক্ত হওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন এবং সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ।

গণমাধ্যম সহ বিভিন্ন সংস্থার অনুসন্ধানে প্রতিবেদনে জানা যায় যে প্রত্যেক আসামি এতটাই বেপরোয়া ও দুর্নীতি পরায়ণ ছিল যে তাদের ক্ষমতার দাপটে সবাই ছিল অসহায়। নামে বেনামে তারা সম্পদের পাহাড় গড়েছেন দেশে ও দেশের বাহিরে।

তাদের অর্জিত এই কালো টাকার প্রভাব খাটিয়ে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মামলা থেকে অব্যাহতি পাওয়ার জন্য চেষ্টা ও তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন।

👁️ 29 News Views

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *