!!  মন্তব্য প্রতিবেদন  !!  “আপা ও প্রিয় শিষ্য : ক্ষমতার আয়নায় মির্জা ফখরুলের প্রতিচ্ছবি” !

Uncategorized উপ-সম্পাদকীয়/মতামত জাতীয় ঢাকা রাজনীতি সংগঠন সংবাদ সারাদেশ

বিশেষ প্রতিবেদক  : বাংলাদেশের রাজনীতিতে কিছু সম্পর্ক থাকে প্রকাশ্যে শত্রুতা, আড়ালে মধুর বন্ধন। ঠিক যেমন—একদিকে “আপা”, অন্যদিকে “বিরোধীদলীয় নেতা”। দেখতে লড়াই, ভেতরে নাকি বোঝাপড়া!


বিজ্ঞাপন

গত সতেরো বছরের রাজনৈতিক নাট্যমঞ্চে এক আজব দৃশ্য নিয়মিত দেখা গেছে— মঞ্চে সংলাপ: “স্বৈরাচার পতন চাই!” মঞ্চের পেছনে ফিসফাস: “সব ঠিক আছে তো, আপা?”

রাজনৈতিক অন্দরমহলের কল্পকাহিনীতে শোনা যায়, ক্ষমতার দরবারে বিএনপির ভেতর সবচেয়ে ‘পছন্দের’ চরিত্র ছিলেন এক ভদ্রলোক—নাম মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।


বিজ্ঞাপন

কারণ? তিনি নাকি এমন এক বিরোধীদলীয় নেতা, যার ওপর দিয়ে ঝড় গেলেও চুল নড়ে কম, কিন্তু দলের কর্মীদের ওপর দিয়ে গেলেই ঘূর্ণিঝড়!


বিজ্ঞাপন

এই দীর্ঘ সময়ে অনেক নেতাকর্মী হারিয়েছেন বাড়ি, পরিবার, শরীরের অঙ্গ, এমনকি অস্তিত্ব। কিন্তু ফখরুল সাহেব? তিনি ছিলেন রাজনীতির “টেফলন কোটেড নেতা”— কোনো আঘাতই নাকি স্থায়ী দাগ ফেলতে পারে না!

মাঝে মাঝে জেলে যান— ঠিক যেন রাজনৈতিক রিসোর্টে স্বল্পমেয়াদি বুকিং। কিছুদিন পর সম্মানের সাথে জামিন, ফিরে এসে আবার সংবাদ সম্মেলন “আমরা সংগ্রামে আছি!” এদিকে দলীয় নেত্রী অসুস্থ, নির্বাসিত উত্তরসূরি বিদেশে, কিন্তু দলের হাল ধরা ক্যাপ্টেনের কণ্ঠে আশ্চর্য শান্তি— যেন ঝড়ের মাঝেও এসি রুমের বাতাস! এমনকি সময়ের এক পর্যায়ে শোনা গেল, যিনি একসময় “স্বৈরাচার” বলতেন, তিনিই আবার “আপা” সম্বোধনে সৌজন্য রক্ষা করেন!

রাজনীতিতে এটাকে বলে— শত্রুর সঙ্গে শিষ্টাচার, আর কর্মীদের সঙ্গে কৌশল !  আজ হাসিনা-পরবর্তী রাজনৈতিক মঞ্চে যদি কেউ প্রশ্ন তোলে—“আওয়ামী লীগের ছায়ায় নতুন অভিভাবক কে?” কিছু ব্যঙ্গবিদ মুচকি হেসে বলেন—“দূরে কেন যাবেন ? বিরোধীদলীয় অফিসেই খুঁজে নিন!”

উপসংহার :  এ লেখা কোনো আদালতের রায় নয়, কোনো গোয়েন্দা প্রতিবেদন নয়— এ কেবল রাজনীতির আয়নায় দেখা এক ব্যঙ্গাত্মক প্রতিচ্ছবি। কারণ বাংলাদেশের রাজনীতিতে সবচেয়ে কঠিন প্রশ্ন হলো— শত্রু কে, মিত্র কে, আর নাটকের পরিচালক কে?

👁️ 20 News Views

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *