
গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি, (ঠাকুরগাঁও) : ঠাকুরগাঁয়ে রানিসঙ্গলে ঠাকুরগাঁয়ের রানী সংকলি ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বৃহস্পতিবার সকালে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী আদিবাসী সাঁওতালদের আয়োজনে রাণীশংকৈল উপজেলা গেটের সামনে রাণীশংকৈল উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা ব্র্যাকেটে বিআইও এয়াই ওর বিরুদ্ধে নানা অসদাচরণ অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল উপজেলা নির্বাহী অফিসারঠাকুরগাঁও রানিসিং কাল বরবার কম্বলের জন্য আবেদন করেও কম্বল দেননি ( পিআইও) | ফলে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) নুরুন্নবীর বিরুদ্ধে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে সচেতন মহল ও অসহায় ছিন্নমূল মানুষেরা।
এ মানববন্ধন উপজেলার ফটকের সামনে ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়।মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, পিআইও নুরুন্নবী দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতার অপব্যবহার করে নানা অসদাচরণ, অনিয়ম দূর্নীতি করে আসছেন।অফিসে আগত সাধারণ মানুষের সঙ্গে তিনি অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং সরকারি বিধি লঙ্ঘন করে অফিস কক্ষে বসেই ধূমপান করেন ভেলেনী স্টাইলে।তবে বক্তাদের ভিযোগ,শীতার্ত ও অসহায় মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ না করে তিনি স্বচ্ছল ও নিজের মনোনীত ব্যক্তিদের মধ্যে কম্বল বিতরণ করেছেন।এমনকি নিজের সরকারি কোয়ার্টারের শয়নকক্ষে কম্বল মজুদ রেখে পছন্দের লোকজনকে দিয়েছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া যায়।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া অনেক ছিন্নমূল মানুষ জানান– শীতবস্ত্র পাওয়ার আশায় একাধিকবার পিআইও’র কাছে গিয়েও তারা কোনো সহায়তা পাননি।বাধ্য হয়েই তারা এ কর্মসূচিতে অংশ নেন।
এসময় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন রানীশংকৈল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও মোহনা টিভির উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক ফারুক আহম্মেদ।

তিনি বলেন, “পিআইও নুরুন্নবী নিজেকে ‘হেডম’ দাবি করে সাধারণ মানুষকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করেন। অফিসে বসে ধূমপান করা সরকারি আইন লঙ্ঘনের শামিল।আমরা তার দ্রুত প্রত্যাহার দাবি করছি।”একই দাবিতে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ প্রেসক্লাব রানীশংকৈল শাখার সভাপতি পেয়ার আলী। তিনি অভিযোগ করেন– পিআইও ইউএনওকেও তোয়াক্কা করেন না।
আমি কম্বলের জন্য ইউএনও স্যারকে আবেদন করেছি | পিআইও ইউএনওর আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন | ইউএনওর কোনো নির্দেশ বা সুপারিশ তিনি মানেন না। কথায় কথায় বলেন—এমপি, মন্ত্রী কিংবা ইউএনও কাউকেই তিনি মানেন না।”
মানববন্ধনে শ্রমিক নেতা আব্দুর রহিম বলেন, “সাধারণ মানুষ অফিসে গেলে পিআইও নুরুন্নবী গালিগালাজ করেন।এমন অসভ্য কর্মকর্তাকে দ্রুত প্রত্যাহার করতে হবে।”মানববন্ধনে কয়েক শতাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
এ বিষয়ে পিআইও নুরুন্নবীর সঙ্গে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।তাই এ প্রসঙ্গে রানীশংকৈল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খাদিজা বেগম বলেন, “আমি জেলায় অবস্থান করছিলাম।সাংবাদিকদের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরেছি। আমি বিষয়টি আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করবো।”
