
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থানায় কাঁচপুর সোনাপুর চেঙ্গাইল রোড এলাকার দুই পাশের অলিগলি ও আশপাশের বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে স্থানীয় বাসিন্দা ও মুসল্লীরা।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রশাসনের কাছে মাদক সহ দরা পরলেও, আরারো একদিন পর কিবাবে চলে রমরমা মাদক ব্যাবসা সোনাপুর এলাকার এসব স্থানে ঈদকে কেন্দ করে অনেক বির জমাচ্ছেন মাদক সেবিকারা প্রতিনিয়ত রাতভর মাদক বেচাকেনা চলে। গভীর রাত পর্যন্ত অপরিচিত লোকজনের আনাগোনা লেগেই থাকে। অলিগলিতে অবস্থান নেয় কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা, যাদের কারণে সাধারণ মানুষের চলাচলও হয়ে উঠেছে ঝুঁকিপূর্ণ।
স্থানীয়রা জানান, এসব মাদক কেনা বেচা ও সেবনেন কারণে এলাকায় চুরি, মোবাইল ছিনতাই, গার্মেন্টস শ্রমিকদের ইভটিজিংসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়মিত ঘটছে। অতীতে মাদককে কেন্দ্র করে হত্যাকাণ্ড এবং শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এলাকাবাসীর দাবি, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তারা আশা করেছিলেন—এই অপরাধচক্র নির্মূল হবে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, পূর্বে জড়িত ব্যক্তিরাই নতুন করে প্রভাবশালীদের সাথে যোগসাজশ করে আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

ফলে পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি।দিন দিন বেরে উঠেছ মাদক শ্রমরাটরা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, কেউ প্রতিবাদ করতে গেলে সংঘবদ্ধভাবে হামলা ও হুমকি দেওয়া হয়। এতে সাধারণ মানুষ ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছেন এবং কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না।
তাদের মতে, একটি বড় সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এই মাদক ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে। শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে মাদকসেবী ও অপরাধীরা এখানে জড়ো হয়, যা জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে।
এছাড়া এলাকাবাসীর অভিযোগ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তেমন কোনো দৃশ্যমান তৎপরতা নেই।
দিন-রাতই এখানে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভিড় দেখা যায় এবং মাঝে মাঝে তাদের মধ্যে ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে উচ্চস্বরে ঝগড়াঝাঁটিও শোনা যায়।
এ অবস্থায় যে কোনো সময় বড় ধরনের সহিংসতা বা প্রাণহানির আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর হস্তক্ষেপ ও অপরাধীদের দমন করে এলাকাকে বসবাসযোগ্য করে তোলার দাবি জানিয়েছেন
