বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস ২০২৬ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা  : উদ্ভাবন, আস্থা ও টেকসই উন্নয়নে অ্যাক্রেডিটেশনের শক্তিকে গুরুত্বারোপ

Uncategorized ইতিহাস ঐতিহ্য জাতীয় ঢাকা বিশেষ প্রতিবেদন রাজধানী রাজনীতি সংগঠন সংবাদ সারাদেশ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর ফেসবুক পোস্ট করা ছবি।


বিজ্ঞাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক  :  বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস ২০২৬ উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের শিল্প, বাণিজ্য ও সেবা খাতে আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করতে অ্যাক্রেডিটেশনের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। সোমবার (৯ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, অ্যাক্রেডিটেশন শুধু একটি স্বীকৃতি বা সনদ নয়, বরং বৈশ্বিক বাজারে দেশের পণ্য ও সেবার গ্রহণযোগ্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধির একটি কার্যকর মাধ্যম।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিবছর ৯ জুন ইন্টারন্যাশনাল অ্যাক্রেডিটেশন ফোরাম (আইএএফ) এবং ইন্টারন্যাশনাল ল্যাবরেটরি অ্যাক্রেডিটেশন কো-অপারেশন (আইএলএসি) যৌথভাবে বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস পালন করে থাকে। এ দিবস মানুষের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত পণ্য ও সেবার নিরাপত্তা, গুণগত মান এবং নির্ভরযোগ্যতার গুরুত্ব নতুন করে স্মরণ করিয়ে দেয়।
তিনি উল্লেখ করেন, এবারের প্রতিপাদ্য “Innovation, Trust and Sustainability: The Power of Accreditation” বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ উদ্ভাবন, আস্থা এবং টেকসই উন্নয়ন এখন অর্থনৈতিক অগ্রগতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। এই প্রেক্ষাপটে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি) কর্তৃক বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস ২০২৬ উদযাপনের উদ্যোগকে তিনি সময়োপযোগী বলে অভিহিত করেন।


বিজ্ঞাপন

তারেক রহমান বলেন, বর্তমান সময়ে ভোক্তারা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি সচেতন। তারা শুধু পণ্যের গুণগত মান নয়, উৎপাদন প্রক্রিয়ার নৈতিকতা, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং পরিবেশগত প্রভাবকেও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেন। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান ধরে রাখতে উদ্ভাবনী, দায়িত্বশীল এবং টেকসই উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিকল্প নেই।


বিজ্ঞাপন

বার্তায় তিনি আরও বলেন, অ্যাক্রেডিটেশন একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মান নিশ্চিতকরণ ব্যবস্থা, যা নির্ধারিত মানদণ্ডের আলোকে পণ্য ও সেবার গুণগত মান যাচাই করে। এ ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশের শিল্পখাত আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে বাড়তি আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করতে সক্ষম হয়।
প্রধানমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড ইতোমধ্যে সরকারি, বেসরকারি ও বহুজাতিক মিলিয়ে ১৬৮টি প্রতিষ্ঠানকে অ্যাক্রেডিটেশন সনদ প্রদান করেছে। বর্তমানে পাঁচটি ক্ষেত্রভিত্তিক স্কিমের আওতায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস ২০২৬ উদযাপনের মাধ্যমে দেশের মান অবকাঠামো আরও শক্তিশালী হবে এবং উদ্ভাবন, শিল্পায়ন ও টেকসই উন্নয়নের যাত্রা নতুন গতি পাবে।

পোস্টের শেষাংশে প্রধানমন্ত্রী দিবসটির সার্বিক সাফল্য কামনা করে সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠান, পেশাজীবী ও অংশীজনদের প্রতি শুভেচ্ছা

👁️ 25 News Views

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *