
মোঃ শহিদুল ইসলাম (সিরাজগঞ্জ) : বেলকুচি পৌরসভা তাঁতশিল্পের বাণিজ্যিক শহর, বেলকুচি পৌর এলাকায় চুরি-ডাকাতি ইভটিজিং বন্ধের জন্য বসানো হয় সিসি টিভি ক্যামেরা।বেলকুচি পৌর ব্যস্ততম সড়কের সিসি টিভি লাগানো খুটিগুলোতে এখন শুধুই ঝুলছে তারের জঞ্জাল।ধুলা নোংরায় ভরা তারে মাকড়াসা বেঁধেছে বাসা,এক কথায় নাই সিসি টিভির অস্তিত্ব।ফলে বেলকুচি পৌরসভাতে আইনশৃংখলার অবনতি ঘটেছে স্থানীয়দের এমন অভিযোগ।

প্রতিনিয়ত ঘটে যাচ্ছে চুরি, ছিনতাইসহ নানা অপকর্ম।এতে করে ব্যবসায়ীসহ সর্বস্তরের মানুষ শঙ্কিত হয়ে চলাফেরা করছেন।
২০০৪ সালে সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি পৌরসভার জন্ম। ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত হয়েছে, বেলকুচি পৌরসভা। ক’ শ্রেণিতে উন্নীত হলেও পৌর বাসির সেবা বাড়েনি বলে দাবি পৌরবাসীদের।

বেলকুচি পৌর বাসি একাদিক ব্যক্তি জানান ২০২২ সালে পৌর উদ্যোগে ইভটিজিং, চুরি, ছিনতাইসহ নানা অপরাধ দমন করার লক্ষে পৌর বাসির নিরাপত্তার জন্য বিভিন্ন স্থানে সিসি টিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়।

দীর্ঘদিন হলো দেখা যাচ্ছে বেশির ভাগ সিসি টিভি ক্যামেরা উদাও হয়েছে।কিছু কিছু সিসি টিভি ক্যামেরার খুঁটির সঙ্গে ক্যাবল ঝুলছে,সিসি টিভি না থাকায় বেলকুচি পৌরসভার সব ক্ষেত্রেই অপরাধ প্রবনতা বৃদ্ধি পেয়েছে। রাস্তার পাশে বাইক বা অটো-রিস্কা রেখে একটু দুরে গেলে ফিরে এসে সেটি পাওয়া যায় না নিমিষেই চুরি হয়ে যায় সেই বাইক বা অটো-রিস্কা আর পাওয়া যায় না।পৌর প্রশাসনকে অনুরোধ করেন, অতি দ্রুত বেলকুচি পৌরসভার সিটি টিভির ক্যামেরা পুনরায় স্থাপন করা হলে বেলকুচি পৌরবাসীর অনেক উপকার হবে ।
বেলকুচি পৌর মুকুন্দগাতী বাজারের একাধিক ব্যবসায়ী বলেন, ঘনবসতিপূর্ণ বেলকুচি পৌরসভার সিসি টিভি ক্যামেরা খুব প্রয়োজন। যে সময় সিসিটিভির কার্যক্ষমতা ছিলো ঐ সময়ে পৌরসভায় মধ্যে বিভিন্ন অপরাধ অনেকটা কম ছিলো। পৌর প্রশাসকের কাছে পৌরবাসী সিসিটিভি ক্যামেরা পুনর স্থাপনের অনুরোধ জানিয়েছেন ।।
বেলকুচি পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা আমিনুজ্জামান বলেন, বেলকুচি পৌর বাসির নিরাপত্তার স্বার্থে পৌরসভার উদ্যোগে বিশেষ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ২০২২ সালে সিসি টিভি ক্যামেরা ৩০ থেকে ৩২ টি স্থাপন করা হয়েছিলো, ৫আগস্টের আগে বেশির ভাগ সিসি ক্যামেরা গুলো নষ্ট হয়ে যায়,ইতোমধে সিসি ক্যামেরা বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বেলকুচি পৌর প্রশাসক মহোদয়ের সঙ্গে কথা হয়েছে,পৌর বাসির নিরাপত্তার জন্য বেলকুচি থানা ওসি মহোদয়ের সঙ্গে পরামর্শ করে কোন কোন স্থানে সিসি ক্যামেরা গুলো স্থাপন করলে ভালো হবে সেই সেই স্থানে দ্রুতই সিসি টিভি ক্যামেরা নতুন স্থাপন করা হবে।
২১/২২ অর্থবছরের কতো টাকা বাজেট বরাদ্দ ছিলো পৌর বাসির নিরাপত্তার জন্য সিসি টিভি ক্যামেরা স্থাপনে এই বিষয় প্রশ্ন করা হলে।পৌর প্রশাসনিক কর্মকর্তা আমিনুজ্জামান তিনি ওই প্রশ্নের উত্তর দিতে অনিচ্ছুক প্রকাশ করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক আফরিন জাহান বলেন,ইতোমধে আমরা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক আলোচনা সভায় এ ব্যাপারে আলোচনা করেছি। দ্রতই সবার সহযোগিতায় আবারো বেলকুচি পৌরসভার-পৌর বাসির নিরাপত্তার স্বার্থে সিসি টিভির আওতায় আনা হবে।
